হালান্দই শেষ পেরেকটা মারলেন

হালান্দই শেষ পেরেকটা মারলেন

ফন্ট সাইজ:

২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা। একের পর এক চমক। কপাল বুঝি বলে এটাকেই! সারাক্ষণ পাহারায়ও থাকলেন তিনজন। মাত্র এক মিনিটের জন্য মুক্তি পেয়ে কাজটা সেরেই ফেললেন। যিনি সবসময় প্রতিশোধের আগুনে জ্বলতে থাকেন। প্রচণ্ড জেদিও। ল্যাবরেটরিতে তৈরি যেন এক আধুনিক যুগের গ্ল্যাডিয়েটর। সেই আর্লিং হালান্দের গোলে নরওয়ে শেষ ষোলোতে পৌঁছে গেল। আগামী রোববার ব্রাজিলের মুখোমুখি হবেন তারা। আন্তনিও নুসার গোলে এগিয়ে ছিল নরওয়ে। তখন পর্যন্তও আইভরিকোস্টের অনেকটা নিয়ন্ত্রণেই ছিল বল। অভিজ্ঞতার অভাবে সুযোগ পেয়েও তারা গোল করতে ব্যর্থ হয়। ৭৪ মিনিটে চারজনকে কাটিয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের উইঙ্গার আমাদ দিয়ালো চমৎকার একটি গোল করেন। খেলায় অনেকটাই নাটকীয়তা তৈরি হয়। গ্যালারির দৃশ্য তখন বদলে যায়। উত্তেজনা মাঠ ছাড়িয়ে পুরো ফুটবল বিশ্বে। ইউরোপের গোল মেশিনখ্যাত সুপারস্টার হালান্দ সারাক্ষণই মার্কিংয়ের মধ্যই ছিলেন। ৮৬ মিনিটে প্যাট্রিক বার্গের পাঠানো বলে খুব সহজেই হালান্দ বাজিমাত করে ফেলেন। ডিফেন্সের ভুলে অলৌকিকভাবে বলটা জালে পৌঁছে দেন তিনি। আর এটাই হচ্ছে অভিজ্ঞতা। এটাই একজন সুপারস্টারের কাজ। এই বিশ্বকাপে এ নিয়ে হালান্দের গোল সংখ্যা পাঁচ। নরওয়ের জার্সিতে নিজের খেলা শেষ ১৩ ম্যাচের প্রতিটিতেই গোল করেছেন তিনি। প্রতিদিন ছয় হাজার ক্যালরি গ্রহণ করা হালান্দ আজ তার আরেক শক্তি দেখালেন বটে!
৬৯ হাজার মানুষ খেলাটি স্টেডিয়ামে উপভোগ করেছেন। খেলার শেষে নরওয়ের প্লেয়ার এবং সমর্থকরা আনন্দে মেতে থাকেন অনেকক্ষণ।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন