চরফ্যাশনে অবৈধ জ্বালানি তেল জব্দ, জরিমানা

ফন্ট সাইজ:

চরফ্যাশন উপজেলায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত ও বিক্রির অভিযোগে পৃথক অভিযান করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে তেল জব্দ, মিনি পাম্প সিলগালা ও জরিমানাসহ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
শনিবার বিআরডিবি মোড়ে ভাগিনা মনিরের ভাড়াটিয়া সবুজের পরিচালনাধীন ‘মেসার্স মামুন ব্রাদার্স’ নামের একটি অবৈধ তেলের দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে নৌবাহিনী ও উপজেলা প্রশাসন মিনি পাম্প থেকে ২৭ লিটার তেল উদ্ধার করে। পরে মিনি পাম্পটি সিলগালা করা হয়। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে একই মিনি পাম্পকে অবৈধভাবে তেল মজুত ও বিক্রির অপরাধে চরফ্যাশন উপজেলার ভারপ্রাপ্ত ইউএনও’র দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. এমাদুল হোসেন ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
স্থানীয়রা জানান, সবুজকে গত ১৭ বছর এলাকায় দেখা যায়নি। ১২ই ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পর থেকেই তিনি এলাকায় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। তবে অন্য একটি সূত্রে জানা যায়, সবুজের নামে পরিচালিত হলেও অবৈধ পাম্পটির মালিকানা কাগজপত্রে চরফ্যাশন উপজেলার প্রভাবশালী এক সিনিয়র নেতার নামে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে একই মালিকানাধীন দুলারহাট থানার সামনে অবস্থিত আরেকটি মিনি পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে অবৈধভাবে মজুত রাখা ২৮ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত তেল স্থানীয় জনগণের মাঝে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে ৬ই এপ্রিল রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে চরফ্যাশনের শশীভূষণ থানার রসুলপুর ইউনিয়নের কেরানিবাড়ি এলাকায় পৃথক অভিযানে অবৈধভাবে মজুত রাখা ৫৮ লিটার ডিজেল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. এমাদুল হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে মজুতকারী শাহিনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে শশীভূষণ থানা পুলিশ উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. এমাদুল হোসেন বলেন, ‘ডিজেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। জব্দকৃত ডিজেল বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হবে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন