সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে সাম্প্রতিক ভিডিও ও বিয়ে-সংক্রান্ত বিতর্কের বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, খুলনা অঞ্চল পরিচালক এবং সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। তিনি দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট তরুণী নিজেই এমপি গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে থাকতে এবং তাকে সেবা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তবে ঘটনাটি দলীয় নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় জামায়াতে ইসলামী তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ৫ নম্বর শিবপুর ইউনিয়নের গোটাঘাটা মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ৫ নম্বর শিবপুর ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ ও স্থানীয় আলেম-উলামার ব্যানারে এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, আমরা এমপি সাহেবের বড় স্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে বসেছিলাম। সেখানে দেখা যায়, ওই মেয়েটির একটাই দাবি ছিল- ‘আমি অন্য কোথাও বিয়ে করবো না। আমি যতদিন বাঁচবো, এমপি সাহেবকে সেবা করে যাবো।’ মেয়েটির এমন অনড় অবস্থানের কারণে তার মা-বাবা বাধ্য হয়ে তাদের বাড়িতে বিয়ের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু কাজটি সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য ছিল না। এ কারণেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করেছে। অনৈতিক বা অসামাজিক বিষয়ে জামায়াতে ইসলামী কখনো আপস করে না। তিনি বলেন, গাজী নজরুল ইসলামের ঘটনাকে সাধারণ কোনো ভুল হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। একজন সাধারণ মানুষের ভুল আর নেতৃত্ব পর্যায়ের একজন ব্যক্তির ভুল-
এক নয়। মসজিদের একজন ইমাম ও সাধারণ ব্যক্তি একই ধরনের ভুল করলে তার গুরুত্ব যেমন এক হয় না, তেমনি একজন দায়িত্বশীল নেতার ক্ষেত্রেও মানদণ্ড ভিন্ন। তাই তার মতো একজন ব্যক্তির এমন আচরণ দল মেনে নিতে পারেনি।
