নোয়াখালী ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের স্টেনো নজরুল ইসলাম মামুনের বিরুদ্ধে মামলা পরিচালনায় বিভিন্ন অজুহাতে টাকা দাবি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন মো. আইয়ুব মিয়া নামে এক মামলার বাদী। এ বিষয়ে নোয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আইয়ুব মিয়া। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, জমি ভুলবশত অন্যের নামে রেকর্ড হওয়ায় ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে এলএসটি মামলা দায়ের করেন তিনি। অভিযোগে বলা হয়, মামলার প্রতিটি ধার্য তারিখে স্টেনো মামুন তার কাছে ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা দাবি করতেন।
টাকা না দিলে মামলার পরবর্তী তারিখ দীর্ঘ সময় পর দেয়া হতো বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়া একতরফা মামলায় ২ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত নেয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। আইয়ুব অভিযোগ করেন, গত ১২ই জুলাই মামলাটির বিবাদীপক্ষের সাক্ষীর জন্য ধার্য তারিখ ছিল। বিবাদীপক্ষ কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় তার আইনজীবী শুনানি করলে আদালত যুক্তিতর্কের জন্য ২রা আগস্ট তারিখ নির্ধারণ করেন। এ সময় স্টেনো তার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নিয়ে মামলার সাইড নোটে ২রা আগস্ট একতরফা যুক্তিতর্কের তারিখ দেন। পরে বিবাদীপক্ষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ১৩ই সেপ্টেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, স্টেনোর এমন কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এ ঘটনায় সঠিক তদন্ত করে স্টেনো নজরুল ইসলাম মামুনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া এবং তাকে নোয়াখালী ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল থেকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে এডভোকেট অঞ্জন কুমার বলেন, ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে এলএসটি মামলা আমার কাছে এটার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে, টাকা লেনদেনের কথা জিজ্ঞেস করলে উকিল বলেন, এই ব্যাপারে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই। ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের স্টেনো মামুন বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট আমাকে হেয়-প্রতিপন্ন করার জন্য এই সকল অভিযোগ করা হয়েছে।
