জুনিয়র বৃত্তির ফল অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী

সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ রিভিউ, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে না

ফন্ট সাইজ:

জুনিয়র ও সমমানের বৃত্তি ও ইবতেদায়ি (৫ম শ্রেণি) বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ এর ফল প্রকাশিত হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বুধবার কেন্দ্রীয়ভাবে অনুষ্ঠিত জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এবার মোট ৪৬ হাজার ২০০ শিক্ষার্থীকে ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ ক্যাটাগরিতে বৃত্তি প্রদানের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় সরকারি ও কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীদের একীভূত করার ঘোষণা দিয়েছেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার নানান বিষয়ে কথা বলেন। তিনি জানান, রাজধানীর সরকারি সাত কলেজকে সংযুক্ত করে গঠিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির চূড়ান্ত অধ্যাদেশ পর্যালোচনার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হবে। সেইসঙ্গে অধ্যাদেশের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। এ ছাড়া মাউশির ৮২ জন কর্মচারীকে সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিইও) পদে পদোন্নতির বিষয়টি তিনি ও প্রতিমন্ত্রী জানেন না বলে উল্লেখ করেন। তবে বিষয়টি প্রয়োজনে খতিয়ে দেখার কথা বলেন। তিনি বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও আপাতত এটি রিভিউ করা হবে না, যদিও নির্দিষ্ট অনিয়মের তথ্য পেলে তা পুনঃতদন্ত করা হবে। প্রকাশিত বৃত্তির ফল অনুযায়ী, এবার দুই ক্যাটাগরিতে ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ মিলে মোট ৪৬ হাজার ২০০ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেয়ার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। বোর্ডভিত্তিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম তৈরি করা হয়েছে। ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীসহ মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এবারের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬১১টি কেন্দ্রে একযোগে পরীক্ষা নেয়া হয়। এতে অংশ নেয় ৩ লাখ ৪৬ হাজার ৫৯১ জন শিক্ষার্থী। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ও প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ফলাফল প্রকাশ ও নীতিগত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।
ফল সংক্রান্ত তথ্যানুযায়ী, সারা দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের আওতায় জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা গত ২৮শে ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ৫ই জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। ৩,১৫,১৬০ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে মেধাবৃত্তি পেয়েছেন ১৪,৭০০ জন এবং সাধারণ বৃত্তি ৩১,৫০০ জন। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ইবতেদায়ি (৫ম শ্রেণি) থেকে অংশগ্রহণ করেন ৬৩,৯৩০ জন এবং দাখিল (৮ম শ্রেণি) ৪৩,৭০৯ জন। বৃত্তি পান ২২,৩৬০ জন। আর বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড জেএসসি/জেডিসি ভোকেশনাল সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ২,৬১১ জন এবং বৃত্তি পান ২০৮ জন।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন