ভাগ্য নির্ধারণী পেনাল্টিতে মরক্কোর জয়

ভাগ্য নির্ধারণী পেনাল্টিতে মরক্কোর জয়

ফন্ট সাইজ:

এক ম্যাচে যত নাটক হওয়া দরকার, হয়েছে সবটাই। ডাচদের এগিয়ে যাওয়া, অন্তিম মুহূর্তে মরক্কোর ম্যাচে ফেরা। অতিরিক্ত সময়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, এরপর পেনাল্টি শুটআউটে শ্বাসরুদ্ধকর ফলাফল। মন্তেরেইতে রাউন্ড অব ৩২ এর ম্যাচে ডাচ-মরক্কো লড়াইয়ে শেষ হাসি হাসল আফ্রিকার সিংহরাই। পেনাল্টি শুটআউটে নেদারল্যান্ডসকে ৩-২ গোলে হারিয়ে শেষ ১৬ তে পৌঁছে গেল আশরাফ হাকিমির দল।

নেদারল্যান্ডসের হয়ে টাইব্রেকারে প্রথম শট নেন কুপমাইনার্স। প্রথম শট থেকে গোল পায় ডাচরা। তবে মরক্কোর এল আয়নাউয়ি গোল করতে পারেননি প্রথম শটে। ফলে স্বস্তিতে থাকে কমলা জার্সিধারিরা।

কিন্তু নেদারল্যান্ডসের হয়ে দ্বিতীয় শট নিতে এসে জাস্টিন ক্লাইভার্ট মিস করে বসেন। ফলে স্বস্তি ফেরে মরক্কো শিবিরে। পরে দ্বিতীয় শট নিতে এসে গোল করেন রাহিমি।

তৃতীয় শটে নেদারল্যান্ডসের হয়ে গোল করেন ভেগহোর্স্ট। গোল করেন মরক্কোর শেমসদিন তালবিও।

চতুর্থ শট পোস্টের বাইরে মারেন ডাচদের কুইন্টেন টিম্বার্স। সবাইকে অবাক করে দিয়ে মরক্কোর অধিনায়ক আশরাফ হাকিমিও মিস করেন। তার শট ফিরে আসে পোস্টে লেগে।

নেদারল্যান্ডসের পঞ্চম শট নিতে আসেন সামারভিলে। শট ঠেকিয়ে দিলেন মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনো। তবে মিস করেননি মরক্কোর সাইবারির। শেষ শটে তিনি গোল করে মরক্কোকে নিয়ে যান শেষ ষোলোতে।

এর আগে, দ্বিতীয়ার্ধের ৭২ মিনিটে গোল করে ডাচদের এগিয়ে নেন পুত্র হারানোর শোকে থাকা কোডি গাকপো। এরপর অতিরিক্ত সময়ের প্রথম মিনিটে গোল করে মরক্কোর হয়ে ম্যাচে সমতা ফেরান ডিওপ। ফলে ম্যাচ গড়ালো অতিরিক্ত সময়ে। কিন্তু সেখানে কোনো দল গোল করতে না পারায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।

এর আগে৭২ মিনিটে কোডি গাকপোর গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ডাচরা। কিন্তু যোগ করা (৯১) সময়ে ইসা দিওপের গোলে সমতায় ফেরে মরক্কো।

ম্যাচে অতিরিক্ত আরও ৩০ মিনিটেও কোন দল আর কোন গোল করতে পারেনি। এর আগে জার্মানি–প্যারাগুয়ে ম্যাচও নির্ধারিত সময়ে ১–১ গোলে ড্রয়ের পর অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়।



কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন