৯০ মিনিট: জার্মানি ১-১ প্যারাগুয়ে
পুরো ৯০ মিনিটের খেলায় ফলাফল আসলো না। মাঠে গড়াবে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের খেলা। নকআউটের তৃতীয় ম্যাচে অতিরিক্ত সময় দেখলো ফুটবল বিশ্ব।
শেষ পর্যন্ত তাতেও ম্যাচের ফলাফল না পাওয়া গেলে শুরু হবে টাইব্রেকার।
৫৪ মিনিট: জার্মানি ১-১ প্যারাগুয়ে
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই প্যারাগুয়ের ইস্পাতকঠিন ডিফেন্স ভাঙতে সক্ষম হলো জার্মানি। ফ্লোরিয়ান ভির্টজের এক জাদুকরি পাস থেকে কাই হাভার্টজের দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ম্যাচে ১-১ ব্যবধানে সমতা ফিরিয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
হাফটাইম: জার্মানি ০-১ প্যারাগুয়ে
ম্যাচের প্রথম হাফের গল্পটা একপেশে আক্রমণের বনাম ইস্পাতকঠিন রক্ষণের। ৭৯ শতাংশ সময় বল পায়ে রেখে প্যারাগুয়েকে কোণঠাসা করে ফেলেছিল জার্মানি। কিন্তু প্রথমার্ধের ঠিক শেষ মুহূর্তে খেলার ধারার সম্পূর্ণ বিপরীতে গিয়ে গোল আদায় করে নিয়েছে প্যারাগুয়ে। হুলিও এনসিসোর দুর্দান্ত হেডে প্রথমার্ধ শেষে জার্মানির বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে আছে লাতিন আমেরিকার দলটি।
জিলেট স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই বল পজেশন ধরে রেখে একের পর এক আক্রমণ সাজাচ্ছিল জার্মানি। ফ্লোরিয়ান ভির্টজ এবং কাই হাভার্টজদের সামলাতে প্রথমার্ধের পুরোটা সময় নিজেদের বক্সের সামনে রক্ষণাত্মক দেয়াল তুলে রাখে প্যারাগুয়ে। প্রথমার্ধে জার্মানি যেখানে ৩৪২টি পাস খেলেছে, সেখানে প্যারাগুয়ে মাত্র ৯৩টি পাস দিয়ে শুধু রক্ষণ সামলানোতেই মনোযোগ দেয়।
তবে ৪২ মিনিটে আসে ম্যাচের সেই নাটকীয় মুহূর্ত। ডান প্রান্ত থেকে মিগুয়েল অ্যালমিরোনের পাস থেকে বল পান গালার্জা। তার মাপা ফ্ল্যাট ক্রস বক্সে ফাঁকায় পেয়ে যান হুলিও এনসিসো। নিখুঁত টাইমিংয়ে এক দুর্দান্ত হেডে জার্মানির জাল কাঁপান এই প্যারাগুয়েন ফরোয়ার্ড। ম্যানুয়েল নয়ারের পক্ষে সেই শট ঠেকানো সম্ভব ছিল না।
এক গোলে পিছিয়ে পড়ে গোল শোধে মরিয়া হয়ে ওঠে জার্মানি। প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমের শেষ মিনিটে (৪৫+৪) সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগও পেয়ে যায় তারা। তবে কর্নার থেকে পাওয়া বলে জশুয়া কিমিচের ক্লোজ-রেঞ্জ শট দুর্দান্তভাবে রুখে দেন প্যারাগুয়ের গোলকিপার অরল্যান্ডো গিল। ফলে ১-০ ব্যবধানের লিড নিয়েই বিরতিতে গেল প্যারাগুয়ে।
