গফরগাঁওয়ে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

ফন্ট সাইজ:

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের পাগলা থানা এলাকায় পূর্ব-শত্রুতার জের ধরে বাড়িতে লুটপাট ও স্বামীকে বেঁধে রেখে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে উপজেলার পাগলা থানার নিগুয়ারী ইউনিয়নের কুরচাই গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। বুধবার সকালে গৃহবধূর মা বাদী হয়ে আটজনকে অভিযুক্ত করে পাগলা থানায় মামলা দায়ের করেন। পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নির্যাতিতা নারীর স্বামী অটোরিকশাচালক বাবু মিয়া জানান, তার বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলায়, এখানে শ্বশুরবাড়িতে তিনি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বসবাস করেন। ঘটনার রাতে বাড়ির একটি কক্ষে স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন। পাশের ঘরে ছিলেন বৃদ্ধা শাশুড়ি। মঙ্গলবার দিবাগত রাত একটার দিকে ৮ জন মুখ বাধা লোক ঘরের দরজা ভেঙে প্রবেশ করে আমার হাত-পা-মুখ বেঁধে মারধর করে। এ সময় স্ত্রী বাঁচাতে এলে দুর্বৃত্তরা চোখের সামনেই টেনে-হিঁচড়ে বাইরে নিয়ে যায়। এ সময় তারা ঘরের কিছু জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। পরে জানতে পারলাম বাড়ির অদূরে নিয়ে তারা সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। স্বজনরা টের পেয়ে আমার স্ত্রীকে উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে আসে। তিনি আরও জানান, গত দুই মাস আগে আমার অটোরিকশার ব্যাটারি চুরি হয়। পরে জানতে পারি স্থানীয় কিছু লোকজন এই চুরির ঘটনায় জড়িত।

নির্যাতিতা নারীর মা রোকেয়া খাতুন বলেন, মেয়ের জামাই সন্তান নিয়ে আমার বাড়িতেই থাকতো। মুখোশধারী লোকজন বাড়ির কিছু জিনিসপত্র ভাঙচুর, লুটপাট করে মেয়ের জামাইকে মারধর করে। পরে মেয়েকে নিয়ে নির্যাতন করে। পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ঘটনার শিকার নারীকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত কুরচাই গ্রামের সাহাব (৪৫) নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন