যুক্তরাষ্ট্র-ইরান খসড়া চুক্তিতে যা আছে

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান খসড়া চুক্তিতে যা আছে

ফন্ট সাইজ:

সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের দ্বারপ্রান্তে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান । চুক্তির বিষয়বস্তু নিয়ে উভয় দেশ এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তবে বিভিন্ন সূত্র মারফত চুক্তির দিকগুলো প্রকাশ করছে বিশ্ব গণমাধ্যম। ইরানের বার্তা সংস্থা মেহের নিউজ জানায়, চুক্তির খসড়ায় ১৪ টি দফা রয়েছে।

এগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ দফাগুলো হলো-
১. লেবাননসহ মধ্যপ্রাচ্যের সমস্ত যুদ্ধক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক ও স্থায়ী সামরিক অভিযান বন্ধ করা। ২. ইরানের অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করবে না এই মর্মে ওয়াশিংটনের প্রতিশ্রুতি।

৩. চুক্তি সইয়ের ৩০ দিনের মধ্যে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন নৌ-অবরোধ সম্পূর্ণ তুলে নেয়া।

৪. ইরানের সংবেদনশীল সীমান্ত ও কৌশলগত এলাকাগুলো থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার বা হ্রাস করা।

৫. ৩০ দিনের মধ্যে ইরানের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য পুনরায় খুলে দেয়া।

৬. যুদ্ধে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ হিসেবে ইরান পুনর্গঠনের জন্য আমেরিকা ও তার মিত্রদের পক্ষ থেকে কমপক্ষে ৩০,০০০ কোটি ডলারের আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ তহবিলের ব্যবস্থা করা।

৭. ইরানি তেল, পেট্রোকেমিক্যাল এবং শক্তি খাতের ওপর থেকে সমস্ত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা।

৮. ইরান পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি) মেনে চলবে এবং তারা কোনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না বলে পুনরায় প্রতিশ্রুতি দেবে।

৯. আলোচনা চলাকালীন আমেরিকা এ অঞ্চলে নতুন করে কোনো সেনা মোতায়েন করতে পারবে না এবং কোনো নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারবে না।
মেহর নিউজের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানের জব্দ করা বা বাজেয়াপ্ত করা তহবিলের অর্ধেক অবমুক্ত না করলে, তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার না করা হলে এবং মার্কিন নৌ-অবরোধ পুরোপুরি না সরানো পর্যন্ত চূড়ান্ত আলোচনা শুরু হবে না।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন