ভঙ্গুর অর্থনীতিকে সমৃদ্ধশালী করাই বাজেটের বড় চ্যালেঞ্জ: অর্থমন্ত্রী

ভঙ্গুর অর্থনীতিকে সমৃদ্ধশালী করাই বাজেটের বড় চ্যালেঞ্জ: অর্থমন্ত্রী

ফন্ট সাইজ:

ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা এবং পরে তা সমৃদ্ধশালী করাই বাজেটের বড় চ্যালেঞ্জ বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আর্থিক সংকটের কারণে স্বল্প আয়ের মানুষের জীবনে যেন কোনো নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে এবং তারা যেন ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী হতে পারে, সে লক্ষ্যেই ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এই কার্যক্রমকে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।

ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগীরা ভাতা নিয়ে কী করছেন, তার প্রভাব কী পড়ছে, তা মূল্যায়ন করা হবে। রাজস্বের বড় একটি অংশ এই খাতে ব্যয় হবে, প্রতিবছরই বরাদ্দ দেয়া হবে, ফলে সেই টাকা দিয়ে উপকারভোগীদের জীবনমানের উন্নতি হচ্ছে কি না, তা যাচাই করতে প্রভাব মূল্যায়ন করা হবে।
বৈঠকে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রশাসনিক ব্যয় পর্যালোচনা ও অনুমোদন দেওয়া হয়। এ ছাড়া ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন (সংশোধন) নীতিমালা ২০২৬ চূড়ান্তকরণ ও ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০২৬–এর খসড়া পর্যালোচনা ও নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয় বৈঠকে।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, চার বছরে ৪ কোটি ১০ লাখ পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে। আগামী অর্থবছরে পাবে ৪১ লাখ পরিবার। ভাতা দেয়ার কার্যক্রম প্রথম দিন থেকেই জাতীয় পরিচয়পত্রভিত্তিক (এনআইডি) করা হয়েছে। কেউ অন্য কোনো সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় থাকলে এ কার্ড পাবেন না। সেটি কেউ গোপন করলেও অর্থ মন্ত্রণালয় ধরে ফেলবে।

এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, উপকারভোগী বাছাইয়ে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন যুক্ত থাকবে। বিএনপির সভাপতি ও জামায়াতে ইসলামের আমিরেরা নিজেদের লোকদের যাতে এ কর্মসূচির আওতায় না নিয়ে আসতে পারেন, সে জন্য এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, চার বছর পরপর নতুন করে ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগী চিহ্নিত করা হবে। যাদের জীবনমানের উন্নতি হবে, তারা বাদ পড়বেন। তখন নতুন উপকারভোগীরা এই কার্যক্রমের আওতায় আসবেন।

ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন