লোকসভায় এনডিএ দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভের জন্য মরিয়া মোদি-শাহ জুটি। আসন পুনবির্ন্যাস করে মহিলা সংরক্ষণ চালু বা ‘এক দেশ, এক ভোট’-এর মতো সংবিধান সংশোধন বিল পাসের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা জরুরি। আর এই লক্ষ্য পৌঁছানোর জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে বিদ্রোহকে কাজে লাগিয়েছে বিজেপি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পযর্বেক্ষক মহল। আর তাই প্রত্যেক বিদ্রোহী তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদের সঙ্গে কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপির নেতৃত্ব। তাদের একটিই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এনডিএকে সমর্থন জানাতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে বিদ্রোহীদের সঙ্গে বৈঠকে একই বার্তা দিয়েছেন। পরে তিনি আরও একবার বৈঠক করে তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী সাংসদদের আশ্বস্ত করার পাশপাশি কিছু প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। লোকসভার স্পীকার ওম বিড়লার কাছে লেখা চিঠিতেও বিদ্রোহীরা এনডিএকে সমথর্ন জানানোর কথা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন।
বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএর বর্তমানে লোকসভায় ২৯২ জন সাংসদ রয়েছেন। তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের সমর্থনে তা পৌঁছে যাচ্ছে ৩১২-তে। কিন্তু আগামী মাস থেকে শুরু হওয়া সংসদের বাদল অধিবেশনে লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাস বিল বা ‘এক দেশ, এক ভোট’ বিল পাসের জন্য প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা (৬৬.৬৭ শতাংশ) পেতে এখনও অনেক আসন সংগ্রহের লক্ষ্যে নজর দিতে হবে হবে মোদির সরকারকে।
৫৪৩ সদস্যের লোকসভায় দুই-তৃতীয়াংশ (৬৬.৬৭ শতাংশ) সংখ্যা সাধারণত ৩৬২-এর ঘরে দাঁড়ায়। বর্তমানে বসিরহাটসহ তিনটি আসন খালি থাকায় তা দাঁড়িয়েছে ৩৬১-তে। এই পরিস্থিতিতে সদ্য ‘ইন্ডিয়া’-ছুট ডিএমকে-র ২২ সাংসদকে পাশে পেলে ৩৩৪-এ দাঁড়াবে এনডিএ। কিন্তু তাতেও ‘লক্ষ্যপূরণ’হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে উদ্ধব ঠাকরেপন্থী শিবসেনা (ইউবিটি)-র ৮, শরদ পওয়ার অনুগামী এনসিপি(এস)-র ৮, ওয়াইএসআর কংগ্রেসের ৪, শিরোমণি অকালি দলের ১, অকালি দল (ডব্লিউপিডি)-র ২, জ়োরাম পিপলস মুভমেন্টের ১ সাংসদের দিকে নজর রয়েছে অমিত শাহদের।

Obak
১ ঘন্টা আগেThe next Hitler Born