লেবাননে হামলার জেরে অনিশ্চয়তায় পড়েছে স্থায়ী শান্তি চুক্তি আলোচনা। ইসরাইল যুদ্ধবিরতির শর্ত মানছে না অভিযোগ করে ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে হিজবুল্লাহর ওপর হামলা অব্যাহত থাকলে তারা যুক্তরাষ্ট্রে সঙ্গে আলোচনায় বসবে না।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক খবরে জানিয়েছে, আগামী শনিবার মধ্যস্থাকারী দেশ পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের একটি প্রতিনিধি দলের আলোচনায় বসার কথা রয়েছে। এ লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার তাদের ইসলামাবাদে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। কিন্তু হিজুবল্লাহর ওপর হামলা অব্যাহত থাকায় এখনও চুক্তির মূল বিষয় হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিক করেনি ইরান। তেহরান জানিয়েছে, লেবাননে হামলা অব্যাহত থাকলে তারা কোনো ধরণের চুক্তি করবে না।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পও ফের হুমকি দিয়েছেন। বলেছেন চুক্তি চূড়ান্ত না হওয়ার আগ পর্যন্ত ইরানকে ঘিরে রাখা মার্কিন নৌবহর ও সৈন্যরা সেখানে অবস্থান করবে। এসব ঘটনা প্রবাহের দিকে ইঙ্গিত করে বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন অস্থিতিশীলতা যুদ্ধবিরতিকে অনিশ্চিত করে তুলেছে। যেকোনো অবস্থাতেই ফের সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে সব পক্ষ।
টানা ৪০ দিন তুমুল সংঘাতের পর গত মঙ্গলবার (বাংলাদেশ সময় বুধবার) যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরান। তবে একদনি না যেতেই বৃহস্পতিবার ইসরাইলের বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ এনেছে ইরান ও লেবাননের হিজবুল্লাহ। বুধবারের মতো বৃহস্পতিবারও দক্ষিণ লেবাননে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। এতে হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাসেমসহ আড়াই শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে রয়টার্স। বৃটেন ও ফ্রান্স হিজবুল্লাহকে চুক্তির আওতায় আনার আহ্বান জানালেও তা অস্বকীর করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তার বাহিনী হিজুবল্লাহকে লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা অব্যাহত রেখেছে। যাতে প্রাণ হারাচ্ছে বেসামরিক মানুষ।
ইসরাইলের এমন আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। আঞ্চলিক শান্তি বিনষ্টের জন্য ইসরাইলকে দায়ী করেছেন তিনি। বলেছেন, সামরিক আগ্রাসন গোটা অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে রেখেছে।

Ala Uddin.
২ মাস আগেBloody ISrail Is the main problem. The UN only condemns, can't they do anything?