ফুল নিয়ে বিএনপি’র বিজয়ী প্রার্থীর বাসায় শিশির মনির

ফুল নিয়ে বিএনপি’র বিজয়ী প্রার্থীর বাসায় শিশির মনির

ফন্ট সাইজ:

সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে রাজনৈতিক সৌজন্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন পরাজিত জামায়াত প্রার্থী এডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরদিন শুক্রবার সকালে তিনি ফুলের তোড়া নিয়ে বিজয়ী প্রার্থী নাছির উদ্দিন চৌধুরীর বাসায় যান। সেখানে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে মিষ্টিমুখ করিয়ে অভিনন্দন জানান। এ বিষয়টিকে রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল। বেসরকারি ফলাফলে জানা যায়, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নাছির উদ্দিন চৌধুরী পেয়েছেন ৯৯ হাজার ৫২২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ শিশির মনির পেয়েছেন ৬৩ হাজার ২২০ ভোট। এ আসনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ৫৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ ভোটার। ফল ঘোষণার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যক্তিগত আইডি থেকে বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানান শিশির মনির। পরে শুক্রবার তিনি সরাসরি বাসায় গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় উভয় নেতার মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে মতবিনিময় হয় বলে জানা গেছে। শিশির মনির বলেন, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও এলাকার উন্নয়নের প্রশ্নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। দিরাই-শাল্লার স্বার্থে যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দিরাই-শাল্লা একসময় রাজনৈতিক চর্চার জন্য ‘তীর্থভূমি’ হিসেবে পরিচিত ছিল। প্রচলিত ছিল- ‘রাজনীতি শিখতে চাইলে দিরাই-শাল্লায় যাও’। সাম্প্রতিক এ সৌজন্যমূলক আচরণ সেই ঐতিহ্যেরই পুনরুজ্জীবন বলে মনে করছেন অনেকে। উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে হেভিওয়েট প্রার্থী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে পরাজিত করে আলোচনায় আসেন নাছির চৌধুরী। তিন দশক পর আবারো বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন তিনি। তবে এ বিজয়কে দিরাই-শাল্লার জনগণের বিজয় উল্লেখ করে হিন্দু-মুসলমানসহ সব সম্প্রদায়ের ঐক্যে একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ অঞ্চল গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বিজয়ী প্রার্থী।



MD.ABDUL WADUD BHUIYAN

৫ মাস আগে

অভিনন্দন বিজয়ী ও বিজীতকে ।অসংখ্য ধন্যবাদ জনাব শিশির মনিরকে ।আপনার অনুসৃত পথই হৌক আজকের প্রজন্মের অনুকরণীয় শিক্ষা ।আমাদের দেশে এর আগে আমরা বিজয়ীকে বিজিতের বাড়ীতে মিষ্টি ফুলের তোড়া নিয়ে যেতে দেখেছি। জুলাই আন্দোলন আমাদের বিজিতকে ও বিজয়ীর বাড়ীতে অভিনন্দন ও ফুল নিয়ে যেতে উপহার দিলো ।ধন্যবাদ জুলাই ।এই সংস্কৃতি আমাদের আশা এখানেই থেমে না থেকে বিকশিত হয়ে পরবর্তী প্রতিটা রাষ্ট্রীয় ও এলাকার উন্নয়নে পরষ্পর পরষ্পরের ঐকান্তিক সহযোগী হিসেবে কাজ করে বাংলাদেশকে উন্নয়নের ও সভ্যতার অনুকরণীয় দৃষ্টান্তে উন্নীত করবে ।এই সংস্কৃতিই এদেশের প্রতিটা মানুষকে জুলাই শহীদদের প্রতি প্রতিমুহুর্তেই কৃতজ্ঞতার স্মরণে আবদ্ধ রাখবে এবং প্রতিটা মানুষের মনই এই স্মরণেই অবচেতনে তাদের জন্য দোয়া করবে ।আমি মনে করি সব কিছুর উর্ধ্বে হবে তাদের এই প্রাপ্তী ,যা' শহীদদের ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত নিরাপদ সূখে আমরা যারা জীবিত তাদেরই ঐকান্তিক সচেতনতাই এনে দিতে পারে ।অবশ্যই বিজয়ী এবং বিজিত দুজনকেই পরষ্পরের দিকে সমানভাবে এগিয়ে যেতে হবে । আশা করি আমরা আশাহত হবনা।

Md. Amirul Islam

৫ মাস আগে

এই ভদ্র মানুষটির বিজয় একদিন আসবেই।

Akhlaqur chowdhury Rahman Anonymous

৫ মাস আগে

This is call real politics in democracy, i congrats both of them

মন্তব্য করুন