সরকার সম্ভাব্য সব উৎস অনুসন্ধান করছে এবং দেশে সব ধরনের জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রেখে স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে অস্থিরতা থাকা সত্ত্বেও দেশে সব ধরনের জ্বালানির স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার সংসদে মৌলভীবাজার-২ আসনের সদস্য মো. শওকতুল ইসলামের কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ বিধিতে আনীত জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
জ্বালানির দাম বাড়ানো হবে কিনা- শওকতুল ইসলামের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের জন্য একটি আইন রয়েছে এবং সেই অনুযায়ী প্রতি মাসে দাম সমন্বয় করা হয়। গত মাসে দাম সমন্বয় করা হয়নি, তবে চলতি মাসে পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজন হলে মন্ত্রিসভায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছে। এতে জ্বালানির পরিবহন ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে এবং আন্তর্জাতিক নৌপথে নিরাপত্তা ঝুঁকিও বৃদ্ধি পেয়েছে।
মজুতের চিত্র তুলে ধরে তিনি জানান, বর্তমানে ডিজেলের মজুত রয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৬৪৪ টন এবং ৩০শে এপ্রিলের মধ্যে আরও ১ লাখ ৩৮ হাজার টন আসবে। অকটেনের মজুত ১০ হাজার ৫০০ টন এবং ৩০শে এপ্রিলের মধ্যে আরও ৭১ হাজার ৫৪৩ টন আসবে। পেট্রোলের মজুত রয়েছে ১৬ হাজার টন এবং এপ্রিলের মধ্যে আরও ৩৬ হাজার টন সরবরাহ হবে।
মন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশ জ্বালানি সরবরাহে চাপে রয়েছে। পাকিস্তান জ্বালানির দাম ৫০ শতাংশ বাড়িয়েছে, শ্রীলঙ্কা রেশনিং ও কর্মঘণ্টা কমিয়েছে, আর ভারত, আফগানিস্তান, ভুটান, মালদ্বীপ ও নেপাল ইতিমধ্যে দাম বৃদ্ধি করেছে।
বাংলাদেশে এখনো জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিল্প কার্যক্রম ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার কথা বিবেচনায় রেখে সরকার এপ্রিল মাসে জ্বালানির দাম অপরিবর্তিত রেখেছে। একইসঙ্গে কৃষকদের কাছে ডিজেল পৌঁছে দিতে জেলা প্রশাসনকে কৃষক কার্ড বিতরণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অবৈধ মজুত রোধে জেলা প্রশাসনকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি জেলা পর্যায়ে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।
দেশীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রাপ্ত কনডেনসেট ব্যবহার করে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল উৎপাদনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

আব্দুল আলী
২ মাস আগেদেশে সব ধরনের জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে : ইস্টার্ন রিফাইনারির অর্ধেক তেল চুরি হয়ে যায় পথে,যখন চট্টগ্রাম থেকে ট্যাংলোরি রওনা দেয়!যাদের ডেলিভারি দেওয়া হয় তেল তাদের মেপে নেওয়া দরকার!ডিজিটাল মেশিন থাকা দরকার কত ব্যারেল, কত লিটার তেল নিয়ে গেল,কি পরিমান তেল ডিপো থেকে নিয়েছিল।ইস্টার্ন রিফাইনারি জানে তারা ভাগ পায় এটা গুরুত্ব সহকারে দেখা উচিত।এই সমস্ত ভালো কাজ বাংলাদেশ ছাড়া কোথাও হয় না।