দৌলতপুরে ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন

ফন্ট সাইজ:

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে জ্বালানি তেলের জন্য পেট্রোল পাম্প বা ফিলিং স্টেশনগুলোতে দিনভর ছিল দীর্ঘ লাইন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও তেল না পেয়ে শূন্যহাতে ফিরেছে অনেকে। আবার অনেকে ৫০০ টাকার তেল পেয়েও স্বস্থি নিয়ে ফিরেছে বাড়িতে। গণমাধ্যমকর্মীরা সম্মানজনক সুবিধা পাওয়ার কথা থাকলেও তাদেরকে লাঞ্ছিত হয়ে তেল না পেয়ে ফিরে যেতে হয়েছে। এদিকে ভোক্তাদের মাঝে তেল সরবরাহ করতেও হিমশিম খেতে হয়েছে পেট্রোল পাম্প বা ফিলিং স্টেশন মালিকদের। আবার তেল সরবরাহের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে রাজনৈতিক নেতাদেরও পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে দেখা গেছে। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী মঙ্গলবার দৌলতপুর উপজেলার ৩টি ও পাশর্^বর্তী ভেড়ামারা উপজেলার ১টি পেট্রোল পাম্প বা ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়েছে। তবে সব ফিলিং স্টেশনেই ছিল দীর্ঘ লাইন ও জটলা। উপজেলার তারাগুনিয়ায় সাগর ফিলিং স্টেশন, আল্লারদর্গায় রফিক ফিলিং স্টেশন ও আল্লারদর্গার পার্শ্ববর্তী দফাদার ফিলিং স্টেশনে সরজমিন গিয়ে দেখা গেছে একইচিত্র। তবে তারাগুনিয়া সাগর ফিলিং স্টেশনে সুশৃঙ্খলভাবে তেল সরবরাহ করতে দেখা গেছে। এদিকে সবচেয়ে বিশৃঙ্খল পরিবেশ ছিল আল্লারদর্গা রফিক ফিলিং স্টেশনে। দীর্ঘ লাইন ও জটলা পরিবেশে জ্বালানি তেল সরবরাহে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হলে সকাল থেকে দুপুর গড়িয়ে বিকাল হলেও তেল না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে বাড়ি ফিরেছে অনেকে। এ ছাড়াও একইচিত্র ছিল খলিশাকুণ্ডি হাবিব ফিলিং স্টেশন এবং আল্লারদর্গার পার্শ্ববর্তী দফাদার ফিলিং স্টেশনে। সেখানেও ছিল দীর্ঘ লাইন ও জটলা। উল্লেখ্য, চলমান জ্বালানি তেল সংকট নিরসন এবং ফিলিং স্টেশনগুলোতে সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা ও সিন্ডিকেট মুক্ত রাখতে উপজেলা প্রশাসন ও ফিলিং স্টেশন মালিকদের গত শনিবার সন্ধ্যায় জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দৌলতপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রদীপ কুমার দাশের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে জ্বালানি তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং জনভোগান্তি কমানোর লক্ষ্যে সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দৌলতপুর উপজেলার তিনটি ফিলিং স্টেশন যথাক্রমে তারাগুনিয়ায় সাগর ফিলিং স্টেশন, আল্লারদর্গায় রফিক ফিলিং স্টেশন এবং খলিশাকুণ্ডিতে হাবিব ফিলিং স্টেশন এবং আল্লারদর্গার পার্শ্ববর্তী ভেড়ামারা উপজেলার দফাদার ফিলিং স্টেশনে একইসময়ে প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে জনপ্রতি ৫০০ টাকার তেল সরবরাহের সিদ্ধান্ত হয়। এ ছাড়াও জরুরি সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান, যেমন পুলিশ প্রশাসন, স্বাস্থ্যসেবা এবং সাংবাদিকদের বিশেষ অগ্রাধিকার দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু বাস্তবে ছিল উল্টো চিত্র।
মাগুরায় ১৫০ প্রতিষ্ঠানের মাঝে চেক বিতরণ
মাগুরা প্রতিনিধি: মাগুরা জেলা পরিষদের অর্থায়নে বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন প্রকল্পের ১৫০টি প্রতিষ্ঠানের মাঝে চেক বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে মাগুরা জেলা পরিষদের আয়োজনে এ চেক বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদ প্রশাসক আলী আহমদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেনÑ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হাসিনা মমতাজ, জেলা পরিষদের প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন, মো আবু তাহের ও উচ্চমান সহকারী জেসমিন বেগম প্রমুখ। আয়োজকরা জানান, মাগুরা জেলার অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মাগুরা জেলা পরিষদ কাজ করছে। জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও রাস্তাঘাটের উন্নয়নের জন্য মাগুরা জেলা পরিষদ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় জেলা পরিষদ চলতি বছরে জেলার ৪ উপজেলার ১৫০ প্রতিষ্ঠানের মাঝে ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকার চেক বিতরণ করবে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন