ইরান সোমবার ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে সমাধানের জন্য ১০ দফার একটি প্রস্তাব পেশ করেছে। প্রস্তাবটি পাকিস্তানের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের কাছে পৌঁছানো হয়। তবে ট্রাম্পের মঙ্গলবারের হুমকির আল্টিমেটাম শেষ হওয়ার আগে এটি মূল সমস্যার সমাধান করবে না বলে মনে করা হচ্ছে।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুইজন সিনিয়র ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন পুনরায় হামলা না করার নিশ্চয়তা চেয়েছে তেহরান। পাশাপাশি লেবাননেও ইসরাইলের হামলা বন্ধ করতে হবে। এছাড়া ইরানের ওপর থেকে সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিতে হবে।
ফিরতি হিসেবে, ইরান হরমুজ প্রণাললিতে তার কার্যত অবরোধ তুলে নেবে। প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী প্রতি জাহাজে প্রায় ২০ লাখ ডলারের ফি ধার্য করা হবে, যা ওমানের সঙ্গে ভাগ করা হবে। প্রাপ্ত অর্থ ইরান নিজের ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠনে ব্যবহার করবে, সরাসরি ক্ষতিপূরণের দাবি করবে না।
প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সোমবার এই প্রস্তাব নিয়ে বলেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব, তবে তা যথেষ্ট নয়। তবে ট্রাম্প এখনও তার হুমকির ওপর অটল রয়েছেন। মঙ্গলবার রাত ৮টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি না খুললে ইরান জুড়ে ধ্বংসাত্মক বিমান হামলার নির্দেশ দেবেন। তার হুমকি মতে ইরানকে প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে নেয়া হবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, প্রস্তাবে যুদ্ধবিরতি গ্রহণ না করে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ সমাপ্ত করার উপর জোর দেয়া হয়েছে। এতে হরমুজ প্রণালির নিরাপদ চলাচলের প্রোটোকল, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামোর পুনর্গঠন এবং আঞ্চলিক সংঘাতের সমাপ্তি অন্তর্ভুক্ত।
গত ২৪ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের মাধ্যমে ১৫ দফার একটি প্রস্তাব ইরানে পাঠিয়েছিল। ইরান তা প্রত্যাখ্যান করে বিকল্প প্রস্তাব পাঠায়, যার কিছু অংশ সোমবারের প্রস্তাবে পুনর্ব্যক্ত হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্বাস আরাগচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বের প্রস্তাব অনেক বেশি, অস্বাভাবিক এবং অযৌক্তিক।

Mr.Shafiqul Islam
২ মাস আগেMuslim mid-east countries should sit together to stop this war urgently to save economical crisis