তিনজনের ডিএনএ টেস্ট করার জন্য আদালতের নির্দেশ

কুমিল্লায় তনু হত্যা মামলায় নতুন মোড়

তিনজনের ডিএনএ টেস্ট করার জন্য আদালতের নির্দেশ

ফন্ট সাইজ:

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় এবার নতুন মোড় নিচ্ছে। মামলা দায়েরের ১০ বছর পর গতকাল আদালতের বিচারক তিনজনের ডিএনএ টেস্ট করার নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই- ঢাকার পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলামকে সকালে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. মুমিনুল হকের আদালতে হাজির হলে এ নির্দেশ দেয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই তদন্ত কর্মকর্তা। আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার তদন্তের অগ্রগতি জানতে সম্প্রতি কুমিল্লার সংশ্লিষ্ট আদালত থেকে পিবিআইকে চিঠি দেয়ার পরই সোমবার ওই তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে হাজির হয়ে মামলার তদন্তের বিষয়ে আদালতে লিখিত প্রতিবেদন দেন। এতে বিচারক সন্দেহভাজন তিনজনের ডিএনএ টেস্ট করার নির্দেশ দেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই-ঢাকার পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, আগেই তনুর ব্যবহারের কিছু কাপড় থেকে তিনজন ব্যক্তির ডিএনএ প্রোফাইল করা হয়। এগুলো পরে আর ম্যাচিং করা হয়নি। ওই তিনজন এরইমধ্যে সেনাবাহিনী থেকে অবসরে গেছেন।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, মামলার পরবর্তী তারিখে তদন্তের অগ্রগতি জানাতে বলেছে আদালত। এর আগে ২০১৬ সালের ২০শে মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করাতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেননি তনু। পরে বহু খোঁজাখুঁজি করে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউজের অদূরে একটি জঙ্গলের মধ্যে তার লাশ পাওয়া যায়। পরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।

শুরুতে থানা-পুলিশ, জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দীর্ঘ সময় ধরে মামলাটি তদন্ত করেও কোনো রহস্য বের করতে পারেনি। সর্বশেষ পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে ২০২০ সালের ২১শে অক্টোবর তনু হত্যা মামলার নথি পিবিআইয়ের ঢাকা সদর দপ্তরে হস্তান্তর করে সিআইডি। গত প্রায় চার বছর মামলাটি তদন্ত করেছেন পিবিআই সদর দপ্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. মজিবুর রহমান।

সর্বশেষ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে মামলাটির ষষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব পেয়েছেন পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম। মামলার বাদী তনুর বাবা ইয়ার হোসেনও আদালতে আসেন। তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লন্ডনে থাকার সময় বলেছিলেন বিএনপি ক্ষমতার এলে তনু হত্যার বিচার করবেন। আমি এখন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মেয়ে হত্যার বিচার চাইবো।

Mohsin

২ মাস আগে

বাংলাদেশের রাজনৈতিক সচেতন জনগণ নিরংকুশ ম্যান্ডেট পাওয়া বিএনপির সরকারের দ্রুত পদক্ষেপে অধীর আগ্রহে দেখতে এবং জানতে চায় সোহাগি জাহান তনু সহ প্রখ্যাত সাংবাদিক দম্পতি সাগর/রনি হত্যার বিচার বছরের পর বছর কেন এবং কার ইশারায় আটকিয়ে আছে ?

মন্তব্য করুন