হাম ভয়াবহ একটি রোগ। তবে এটাকে অতীতের সরকারগুলো অবহেলা করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ‘২০২০ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে টিকাদান কার্যক্রম কন্টিনিউ করা হয়নি। যার কারণে এবার বজ্রপাতের মতো হানা দিয়েছে।’ রোববার সকাল ১১টার দিকে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে দেশে হামের যে প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, তা কোনোভাবেই হালকাভাবে নেয়ার সুযোগ নেই। হাম এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা করোনা মহামারির চেয়েও কম উদ্বেগজনক নয়। যেসকল এলাকায় হামের প্রাদুর্ভাব বেশি সেই সব এলাকায় আগে টিকা দেয়া হচ্ছে। গতকাল থেকে দেশের ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় হামের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ১২ই এপ্রিল থেকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ময়মনসিংহ ও বরিশালে এবং আগামী ৩রা মে থেকে সারা দেশে একযোগে টিকাদান কর্মসূচি চালানো হবে। প্রথম পর্যায়ে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস পর্যন্ত শিশুদের টিকা দেয়া হবে বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান। যারা হাম রোগে আক্রান্ত হচ্ছে তাদের প্রায় ৮২ ভাগ রোগী এ বয়সের। তাই তাদের টিকা দেয়ার পর বাকিদের টিকা দেয়া হবে। হামের টিকায় কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা ক্ষতি নেই বলেও জানান মন্ত্রী।
এ সময় অভিভাবকদের সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আপনাদের সচেতন হতে হবে। কেউ হাম রোগে আক্রান্ত হলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। এ সময় দলীয় নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার নির্দেশ দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্ব ও বিচক্ষণতায় দ্রুত টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়েছে বলেও জানান তিনি।
‘৩রা মে থেকে সারা দেশে মিলবে হামের টিকা’
নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি
৬ এপ্রিল (সোমবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
