পাবনার সাঁথিয়ায় ঘুমন্ত অবস্থায় ঘরে শিকল দিয়ে স্বামী-স্ত্রী আগুনে পুড়ে গুরুতর আহত স্বামী নুহু আলীর ১৪ দিন পর মৃত্যু হয়েছে। গত শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা জাতীয় বার্র্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়। মৃত্যু নিশ্চিত করেছেন মুন্নাফ আলী। নুহু আলী উপজেলার মাধপুর গ্রামের রহমত আলী ছেলে।
এলাকাবাসী ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (১৩ই মার্চ) রাতে সাঁথিয়া উপজেলার আর-আতাইকুলা ইউনিয়নের মাধপুর গ্রামের মৃত রহমত আলীর ছেলে প্রতিবন্ধী নুহু আলী (৬০) তার স্ত্রী সাবেক সংরক্ষিত ইউপি সদস্য মনোয়ারা খাতুন (৫৫) প্রতিদিনের ন্যায় রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। পরে রাত দেড়টার দিকে তাদের টিনের ঘরের দরজার বাইরে থেকে শিকল দিয়ে দুষ্কৃতিকারীরা আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুন দেখে দুইজনই চিৎকার শুরু করে। এসময় ঘরের দরজা খোলার চেষ্টা করলে দরজার শিকল বাইরে থেকে আটকানো থাকায় বের হতে পারে না তারা। এসময় তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে যায়। উপায়ন্ত না পেয়ে তারা জানালা ভেঙে ঘর থেকে লাফ দেয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় এলাকাবাসী তাদের পাবনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। নুহুর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ আগুনে পুড়ে যাওয়ায় তাদের গত শনিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। পরে ১৪ দিন চিকিৎসার পর শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি মারা যান। এ ব্যাপারে আতাইকুলা থানার ওসি জামিরুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে থানায় কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সাঁথিয়ায় ঘুমন্ত স্বামী-স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে আহত করার ১৪ দিন পর স্বামীর মৃত্যু
সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি
২৯ মার্চ (রবিবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
