ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে কানাডার আট প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে কানাডার আট প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

ফন্ট সাইজ:

কানাডার আটটি মুদ্রা বিনিময় প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আর্থিক নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ইরানি সংস্থাগুলোকে সহায়তা করার অভিযোগে এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। শুক্রবার মার্কিন অর্থ দপ্তর ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপের কথা জানায়। এই প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে অর্থ পাচার করত এবং কেউ কেউ মাদক পাচার চক্রকেও সহযোগিতা করত। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানান, কানাডা কোনোভাবেই এমন অবৈধ আর্থিক সহায়তাকারীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হতে পারে না। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

এই নিষেধাজ্ঞার ফলে অন্টারিও এবং ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় অবস্থিত মিলিয়ন এক্সচেঞ্জ, আমিন এক্সচেঞ্জ ও ক্রিপ্টোয়ালের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো মার্কিন ডলারভিত্তিক আর্থিক ব্যবস্থায় লেনদেন করতে পারবে না। যুক্তরাষ্ট্রে থাকা তাদের সব সম্পদ জব্দ করা হবে। কানাডার আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা ফিনট্র্যাক জানায়, তারা এই নিষেধাজ্ঞা আরোপে মার্কিন সংস্থা ফিনসেন-এর সাথে মিলে কাজ করেছে। এছাড়া ফিনসেন সেশেলস-ভিত্তিক এমইএক্সসি গ্লোবাল-এর সাথে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর লেনদেন নিষিদ্ধ করেছে। সংস্থাটি জানায়, এমইএক্সসি গ্লোবাল ইরান, উত্তর কোরিয়া এবং রাশিয়ার সাথে যুক্ত অন্তত ১৬ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১ লাখ ৯৮ হাজার ৩৬৮ কোটি টাকার অবৈধ লেনদেনে সহায়তা করেছে।

মার্কিন অর্থ দপ্তরের মতে, তাদের এই নিষেধাজ্ঞার মূল লক্ষ্য হলো ইরানি শাসকগোষ্ঠী এবং আইআরজিসিকে অর্থনৈতিকভাবে বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করা। গত বুধবার মার্কিন অর্থ দপ্তর ভারত ও তুরস্কে থাকা একটি নেটওয়ার্কের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেয়, যারা ইরানের তেল রপ্তানি বিধিনিষেধ এড়াতে সহায়তা করছিল। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ধারাবাহিকভাবে তাদের নেয়া এমন পদক্ষেপের ফলে ইরানের মুদ্রার মান নতুন তলানিতে ঠেকেছে এবং মূল্যস্ফীতি প্রায় ৯০ শতাংশে পৌঁছেছে।