Warning: Trying to access array offset on false in /var/www/vhosts/mzamin.com/httpdocs/app/core/FileCache.php on line 28

Warning: Trying to access array offset on false in /var/www/vhosts/mzamin.com/httpdocs/app/core/FileCache.php on line 28

Warning: unlink(/var/www/vhosts/mzamin.com/httpdocs/app/core/../../.cache/92e7a8f2b9f92be35a01d4e6d9eb370d.cache): No such file or directory in /var/www/vhosts/mzamin.com/httpdocs/app/core/FileCache.php on line 32
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ১২০ কোটি টাকা দিচ্ছে জাইকা, চট্টগ্রামে হচ্ছে আধুনিক ল্যান্ডফিল - MZamin
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ১২০ কোটি টাকা দিচ্ছে জাইকা, চট্টগ্রামে হচ্ছে আধুনিক ল্যান্ডফিল

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ১২০ কোটি টাকা দিচ্ছে জাইকা, চট্টগ্রামে হচ্ছে আধুনিক ল্যান্ডফিল

ফন্ট সাইজ:

চট্টগ্রাম নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে প্রায় ১২০ কোটি টাকার সম্ভাব্য অনুদান দিতে যাচ্ছে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)। এ অর্থে বর্জ্য সংগ্রহ ও পরিবহন ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়াতে ৫০টির বেশি আধুনিক বর্জ্যবাহী যান এবং ল্যান্ডফিল পরিচালনার প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি নগরে আধুনিক স্যানিটারি ল্যান্ডফিল নির্মাণেও সহযোগিতা করবে সংস্থাটি।
বুধবার নগর ভবনে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে জাইকার প্রতিনিধিদলের এক বৈঠকে এসব তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে জানানো হয়, প্রস্তাবিত অনুদান প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের অনুমোদন দিয়েছে জাপান সরকার।

এ লক্ষ্যে আগামী ডিসেম্বরে জাইকার সদর দপ্তর থেকে একটি বিশেষজ্ঞ দল চট্টগ্রামে আসবে। সম্ভাব্যতা সমীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। বৈঠকে টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নতুন স্যানিটারি ল্যান্ডফিল নির্মাণের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। চসিক সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণে ফতেয়াবাদ নন্দীরহাট এলাকায় নতুন ল্যান্ডফিল নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে ২৮ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি প্লটে ১৮ একর এবং পাশের অন্য প্লটে ১০ একর জমি রয়েছে। জাইকা বাংলাদেশের সিনিয়র রিপ্রেজেন্টেটিভ হিদেকি ওসাওয়া জানান, নতুন স্যানিটারি ল্যান্ডফিল নির্মাণের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) দ্রুত প্রস্তুতের জন্য নকশা ও প্রাক্কলন তৈরিতে জাইকার কারিগরি সহায়তা দলের বিশেষজ্ঞরা চসিকের সঙ্গে কাজ করছেন।
চসিক প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন জাইকার সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে চসিকের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেয়া হবে। নতুন ল্যান্ডফিল নির্মাণের পাশাপাশি বিদ্যমান ল্যান্ডফিলগুলোর ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নেও জাইকার কারিগরি সহায়তা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই করতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈঠকে চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমান, জাইকা বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. আব্দুল্লাহ বিন হোসেন এবং বিশেষজ্ঞ দলের সদস্য তাকাতোশি আরাই, হিরোফুমি মিয়োশি, সাতোশি হিগাশিনাকাগাওয়া ও প্রকৌশলী গোলাম সারওয়ার উপস্থিত ছিলেন। প্রস্তাবিত অনুদান ও কারিগরি সহযোগিতা বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম নগরের বর্জ্য সংগ্রহ, পরিবহন ও ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বাড়বে। একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই নগর গড়ে তোলার পথ আরও সুগম হবে বলে আশা করছে চসিক।