বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সিগন্যাল অবরোধ শেকৃবির শিক্ষার্থীদের

মাঠ পুনরুদ্ধারের দাবি

বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সিগন্যাল অবরোধ শেকৃবির শিক্ষার্থীদের

ফন্ট সাইজ:

পুরোনো গবেষণা মাঠ পুনরুদ্ধারের দাবিতে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র সংলগ্ন সিগন্যাল অবরোধ করেছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) শিক্ষার্থীরা। বুধবার বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকাস্ট্যান্ডের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বের হয়ে তারা ওই সিগন্যালে অবস্থান নেন। এ সময় সড়ক অবরোধ করে বিভিন্ন স্লোগান দেন আন্দোলনকারীরা।

এদিকে, সড়ক অবরোধের পাশাপাশি আজ শেরেবাংলা নগরে  গণপূর্ত কমপ্লেক্সের সামনে কুশপুত্তলিকা দাহ করার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

এর আগে মঙ্গলবার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এক মতবিনিময় সভায় সব পর্যায়ের পরীক্ষা বর্জন এবং বেলা ১১টার পর সব ধরনের ক্লাসে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা। পরে রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি প্রাঙ্গণে সব ব্যাচের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় শাটডাউনের ঘোষণা দেন। তাদের এ ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে আজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।

গত ২৭ অক্টোবর থেকে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠ নিজেদের সম্পত্তি দাবি করে তা পুনরুদ্ধার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে হস্তান্তরের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। ওই দিন মাঠে সচিবালয় নির্মাণের উদ্দেশ্যে চলমান মাটি পরীক্ষার কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ও দুটি গাড়ি জব্দ করে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন তারা। পরদিন (২৮ অক্টোবর) মেলা বন্ধের আলটিমেটাম দেওয়ার পর মাঠে মেলার জন্য নির্মিত বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ২৯ অক্টোবর মাঠ পুনরুদ্ধারের দাবিতে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র সংলগ্ন সিগন্যাল অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।

এর মধ্যে ওই দিনই জাতীয় যুবমেলাসহ সব ধরনের মেলা স্থগিতের ঘোষণা দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তবে মাঠের স্থাপনা অপসারণ না করা এবং শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অজ্ঞাতনামা মামলা দায়েরের প্রতিবাদে গত ২ নভেম্বর আরও কঠোর কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা। এদিন তারা মাঠটিতে চাষ করে নিজেদের দখলে নেওয়ার ঘোষণা দেন।