বাজারে বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে আরও ১৪ টাকা বাড়াতে চায় দেশের ভোজ্য তেল উৎপাদন ও পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলো। নতুন করে দাম বাড়ানোর আবেদন জানিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের কাছে চিঠি দিয়েছে ভোজ্য তেল উৎপাদন ও পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলোর সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন।
তবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির স্পষ্ট করে বলেছেন, এই মুহূর্তে ভোজ্য তেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। রমজানকে কেন্দ্র করে বাজারে পণ্যের কোনো সংকট তৈরি হবে না। আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত পণ্য আমদানির পাইপলাইনে রয়েছে বলে জানান তিনি। বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নাসির উদ দৌলাসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ১৩ই অক্টোবর বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা বাড়ানোর আবেদন জানিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের কাছে চিঠি দেয় বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন।
বর্তমানে বাজারে বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ২০৪ টাকা। ব্যবসায়ীরা তা বাড়িয়ে ২১৮ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এ ছাড়া, ৫ লিটারের বোতল ১ হাজার টাকা থেকে ১ হাজার ৭০ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৮৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৯৯ টাকা করার আবেদন জানানো হয়। এর আগে, গত ২রা সেপ্টেম্বর ভোজ্য তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। তবে ব্যবসায়ীদের এই নতুন প্রস্তাবের বিষয়ে সরকার কোনো সম্মতি দেয়নি এবং এই মুহূর্তে দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
