পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যজুড়ে পশু কেনাবেচার ওপর বধিনিষেধের কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এ ব্যাপারে কঠোর মনোভাব দেখানোয় পশু হাটগুলি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘ সময় এই হাটগুলি বন্ধ থাকায় গ্রামীণ অর্থনীতিতে আঘাত লেগেছিল। সংকটে পড়েছিলেন গ্রাম বাংলার সাধারণ মানুষ ও কৃষকরা, যাদের অন্যতম জীবীকাই হল পশুপালন।
অবশেষে ফের চালু হতে চলেছে রাজ্যের পশুহাটগুলি। সম্প্রতি মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে রাজ্যে বন্ধ থাকা সব পশুহাট নির্দিষ্ট সরকারি বিধি ও নিয়ম মেনে পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্তের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সরকারি আধিকারিকেরা দাবি করেছেন, সরকারি নজরদারি বাড়ায় পশুহাটে অবৈধ কারবার অনেকটাই প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে। এর ফলে কৃষক এবং ক্রেতা উভয় পক্ষই এখন নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশে গবাদিপশুর সঠিক মূল্য পাবেন।
সরকারের সিদ্ধান্তের কথা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন আদিবাসী উন্নয়ন ও সংখ্যালঘু কল্যাণবিষয়ক মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু। তিনি জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে গ্রামীণ মানুষের স্বার্থ বিবেচনা করেই পশু কেনাবেচাকে একটি সুনির্দিষ্ট, স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসার জন্য এই জনমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
রাজ্য থেকে বেআইনি পশু পাচার ও গরু পাচারের শিকড় উপড়ে ফেলতে এবং আইনশৃঙ্খলা কঠোর রাখতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রথম থেকেই কঠোর মনোভাব নিয়েছেন ।
