চেলসির দুই খেলোয়াড়কে ছাড়ার গুঞ্জন

চেলসির দুই খেলোয়াড়কে ছাড়ার গুঞ্জন

ফন্ট সাইজ:

ট্রান্সফার উইন্ডো শেষ হওয়ার আগে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজ ছাড়তে পারেন চেলসির মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ ও পেদ্রো নেতো। নিশ্চিত করেছেন কোচ জাবি আলোনসো। এমন প্রতিবেদন করেছে গোল ডট কম। বিশেষ করে আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার এনজোর ভবিষ্যৎ নিয়ে চলছে জল্পনা। তাকে দলে ভেড়াতে মোটা অঙ্কের অর্থ প্রস্তাব দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ম্যানচেস্টার সিটি।

ব্রাইটনের বিপক্ষে ৪-৩ গোলের রোমাঞ্চকর জয়ে প্রিমিয়ার লীগে নিজেদের শতভাগ জয়ের শুরু ধরে রেখেছে চেলসি। মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি ক্লাবটির ট্রান্সফার কার্যক্রম এখন আলোচনার কেন্দ্রে। ব্রাইটনের বিপক্ষে ম্যাচের মতো লুটনের বিপক্ষে কারাবাও কাপের ম্যাচেও এনজোকে স্কোয়াডে রাখেননি আলোনসো। টানা দুই ম্যাচে তার অনুপস্থিতি আরও বাড়িয়েছে দলবদলের গুঞ্জন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এনজো ফার্নান্দেজ ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে ব্যক্তিগত শর্তে সমঝোতায় পৌঁছেছেন। তবে তাকে ছাড়তে চেলসি প্রায় ১৩০ মিলিয়ন পাউন্ড দাবি করতে পারে। তবে এনজোকে ছাড়ার আগে বিকল্প নিশ্চিত করতে চাইছে চেলসি। এ কারণেই মোনাকোর মিডফিল্ডার লামিনে কামারাকে দলে ভেড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে তারা। কামারার সঙ্গে চেলসির ব্যক্তিগত শর্তে সমঝোতা হয়েছে বলেও খবর রয়েছে। তার আগমন এনজোর সম্ভাব্য বিদায়ের পথ সহজ করে দেবে। এনজোকে কেন স্কোয়াডের বাইরে রাখা হয়েছে, এমন প্রশ্নের জবাবে আলোনসো বলেন, সিদ্ধান্তটি দলের স্বার্থ বিবেচনা করেই নেয়া হয়েছে, ‘দেখা যাক। আমরা দলের জন্য সবচেয়ে ভালোটা চাই এবং সে কারণেই লুটনের বিপক্ষে ও আজ তাকে বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মঙ্গলবার সন্ধ্যার আগে যা কিছু ঘটতে পারে, সে বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। আমরা নিশ্চিত নই, তাই সব ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।’ এনজোর পাশাপাশি পেদ্রো নেতোর ভবিষ্যৎ নিয়েও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। প্রিমিয়ার লীগের একাধিক বড় ক্লাব পর্তুগিজ উইঙ্গারটির প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে বলে জানা গেছে। ব্রাইটনের বিপক্ষে অবশ্য ভিন্ন ভূমিকায় খেলেও নজর কেড়েছেন নেতো। তাকে উইঙ্গারের বদলে উইং-ব্যাক হিসেবে ব্যবহার করেন আলোনসো। তবু আক্রমণভাগে তিনি ছিলেন অত্যন্ত কার্যকর। একটি গোল করার পাশাপাশি পুরো ম্যাচে প্রতিপক্ষের রক্ষণে চাপ তৈরি করেন। পেদ্রো নিশ্চিতভাবেই চেলসিতে থাকবেন কি না, এমন প্রশ্নের সরাসরি নিশ্চয়তা দেননি আলোনসো, ‘না, ফুটবলে আমি কারও ব্যাপারে কোনো নিশ্চয়তা দিই না।’ মঙ্গলবার ট্রান্সফার ডেডলাইন শেষ হওয়ার পর জল্পনার অবসান ঘটবে।