হবিগঞ্জ পৌরসভায় ১৮২ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ

ফন্ট সাইজ:

জাতীয় সংসদের হুইপ জিকে গউছ এমপি’র প্রচেষ্টায় হবিগঞ্জ-৩ নির্বাচনী এলাকায় প্রায় ১৮২ কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে হবিগঞ্জ পৌরসভায় ১৮০ কোটি টাকা এবং হবিগঞ্জ সদর, শায়েস্তাগঞ্জ ও লাখাই উপজেলায় ২ কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেয়া হয়। নতুন এই উন্নয়ন পরিকল্পনার মাধ্যমে হবিগঞ্জ-৩ নির্বাচনী এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা, অবকাঠামো, বাজার ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক সুবিধায় ব্যাপক পরিবর্তন আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। বিশেষ করে গউছের উদ্যোগ ও প্রচেষ্টায় এত বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণকে হবিগঞ্জবাসীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। সোমবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক পরামর্শ সভায় এসব উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য গউছ। জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. জি এম সরফরাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন হুইপের পিএস আমিন আল পারভেজ, হবিগঞ্জ পৌর প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মঈনুল হক, হবিগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আবু জাহের, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, লাখাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মুরাদ ইসলাম, হবিগঞ্জ পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা জাবেদ ইকবাল চৌধুরী এবং সহকারী প্রকৌশলী প্রদীপ চন্দ্র রায় প্রমুখ। সভায় হবিগঞ্জ পৌরসভার উন্নয়নে প্রায় ১৮০ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছেÑ চৌধুরী বাজারে কিচেন মার্কেট নির্মাণ, সিনেমা হল বাজারে কিচেন মার্কেট নির্মাণ, পুরাতন পৌরসভা সড়কে অত্যাধুনিক বহুতল ভবন নির্মাণ, ট্রাক টার্মিনাল স্থাপন, বাস টার্মিনালে আরসিসি ঢালাই এবং শহরের ড্রেন, কালভার্ট ও রাস্তাঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন।
এ ছাড়া হবিগঞ্জ সদর, শায়েস্তাগঞ্জ ও লাখাই উপজেলায় এডিভি’র প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে মাটির কাঁচা রাস্তা পাকাকরণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। পরামর্শ সভায় হুইপ জিকে গউছ নির্বাচনী এলাকার সার্বিক উন্নয়নে পরিকল্পিত ও টেকসই প্রকল্প গ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, উন্নয়নের সুফল যেন সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে এবং দীর্ঘমেয়াদে এলাকার যোগাযোগ ও নাগরিক সুবিধার উন্নতি হয় সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই প্রকল্পগুলো গ্রহণ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে হবিগঞ্জ পৌরসভার চেহারা বদলে যাওয়ার পাশাপাশি সদর, শায়েস্তাগঞ্জ ও লাখাই উপজেলার যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চার হবে।