হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে একদিনের ব্যবধানে মুরগির বাজারে নাভিশ্বাস। হঠাৎ ব্রয়লার মুরগির দাম আকাশছোঁয়া। ১০, ২০ টাকা নয়, এক লাফেই ব্রয়লারে ৭০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। সোনালি পিসপ্রতি ৫০ টাকা। হুট করে দাম বাড়ার কারণ হিসেবে মুরগির সরবরাহ কমে যাওয়াকে দুষছেন খুচরা বিক্রেতারা। হঠাৎ এক লাফে এত মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে এসে হতাশ ক্রেতারা। বাজার ঘুরে জানা যায়, যারা একদিন আগে পোল্ট্রি মোরগ কিনেছেন তারা এখন মুরগির দাম শূনে হতভম্ব। গত রোববার ১৮০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। একদিনের ব্যবধানে প্রায় দেড় গুণ মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে ১৮০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা কেজি হওয়ায় বিশ্বাস করতে পারছিলেন না ক্রেতারা।
এ ছাড়া সবজিতেও আগুন, সজনা ১৫০ টাকা, করলা ৮০ বেগুন ৭০ আলু ৪০ পটোল ৮০ মরিচ ১৫০। এদিকে কেউ কেউ বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত দামেই কিনেছেন মুরগি কেউ আবার হতাশ হয়ে ফিরে গেছেন। ক্রেতা ইসমাইল আলী বলেন, বাজারে আসার সময় পাড়ার দোকানে জিজ্ঞেস করে আসলাম তারা ২৩০ টাকা দাম চাইলো। তাই ভাবলাম বাজারে আসলে কমে পাবো। এখানে এসে দেখি আরও বেশি। নিশাপটের বাসিন্দা ফজলুল হক নোমানী বলেন, গতকালকে মোরগ কিনছি ১৮০ টাকা। আজকে এসে দেখি ২৫০ টাকা।
এত দামে মোরগ এর আগে কিনিনি। এটা অতিরিক্ত। বিক্রেতা রুপন মিয়া চালানের কাগজ দেখিয়ে বলেন, বাজারে মোরগ নেই। ফার্মেও ক্রাইসিস। তাই ২২০ টাকা করে আমি নিজেই কিনে আনছি। এখানে পরিবহন ব্যয়, খাদ্য, ৩ জন লোকের বেতন, দোকান ভাড়া সব কিছু মিলিয়ে ২৫০ টাকা কেজি বিক্রি করেও লাভ হচ্ছে না। বিক্রেতা আব্দুল মালেক বলেন, সরকার যদি চায় মোরগের দাম ২০০ টাকার উপরে উঠবে না। সরকার উৎপাদনের জায়গায় নজর দিলে দাম বাড়বে না। একদিনেই মালের ক্রাইসিস দেখা দেয়, একদিনেই দাম দ্রুত গতিতে বেড়ে যায়। এ বিষয়ে বাজার মনিটরিং বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর শায়েস্তাগঞ্জ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক দেবানন্দ সিনহার মোবাইল নম্বর বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।
