জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় দুই মাস ধরে শূন্য রয়েছে ট্রেজারার পদ। উপাচার্যের পর প্রশাসনের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এই পদে নতুন নিয়োগ না হওয়ায় আর্থিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে শুরু করে প্রশাসনিক নানা কার্যক্রমে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, ট্রেজারারের দায়িত্ব এখন উপাচার্যকেই অতিরিক্তভাবে পালন করতে হচ্ছে, যা কাজের চাপ ও জটিলতা বাড়িয়েছে। গত ১৪ই মে সাবেক ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান। এরপর প্রায় দুই মাস পার হলেও বিশ্ববিদ্যালয়টিতে নতুন ট্রেজারার নিয়োগ দেয়া হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয় আইনে প্রো-ভিসি পদের বিধান না থাকায় উপাচার্যের পর ট্রেজারারই প্রশাসনের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কর্মকর্তা। উপাচার্যের অনুপস্থিতিতে রুটিন দায়িত্বও পালন করেন তিনি।
ফলে গুরুত্বপূর্ণ এ পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকায় আর্থিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে প্রভাব পড়ছে। অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. রাজু আহমেদ বলেন, আর্থিক খাতের সব বিষয়ে ট্রেজারারই মূল দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে ট্রেজারার না থাকায় সেই দায়িত্ব উপাচার্য পালন করছেন। ফলে আর্থিক খাতের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন মানবজমিনকে বলেন, ট্রেজারার না থাকায় সেই অতিরিক্ত দায়িত্ব আমাকেই পালন করতে হচ্ছে।
কিছুটা জটিলতা ও অতিরিক্ত চাপ তো রয়েছেই। বিষয়টি আমি মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছি। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ জামিনুর রহমান মানবজমিনকে বলেন, ট্রেজারার নিয়োগ দেয়ার কোনো সুযোগ ইউজিসি’র নেই। এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে নিয়োগ হয়। সরকার যখন প্রয়োজন মনে করবে, তখনই নিয়োগ দেবে।
