টরটোর বিএমও ফিল্ডে চরম নাটকীয়তায় পানামাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে শুভসূচনা করলো কার্লোস কুইরোজের ঘানা। প্রথমার্ধে পানামার একের পর এক আক্রমণ একা হাতে রুখে দেয়া ঘানার গোলকিপার লরেন্স আতি-জিগি ইনজুরির কারণে মাঠ ছাড়েন। তবে, বদলি ফুটবলারদের লড়াকু মানসিকতায় শেষ পর্যন্ত পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ‘ব্ল্যাক স্টার্স’রা।
ম্যাচের প্রথমার্ধে ৬৭ শতাংশ বল দখলে রেখে পানামা যে দাপট দেখিয়েছিল, দ্বিতীয়ার্ধে তা অনেকটাই ফিকে হয়ে আসে। বিরতির পর ঘানা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করে। বিশেষ করে ৫৮ মিনিটে সুলেমানা ও নুয়ামাহকে তুলে ফাতায়ু এবং থমাস-আসানথেকে মাঠে নামানোর পর ব্ল্যাক স্টার্সদের আক্রমণভাগ আরও সচল হয়ে ওঠে।
৬৫ মিনিটে থমাস-আসানথের নিখুঁত ক্রস থেকে গোল করার সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন জর্ডান আইউ। অন্যদিকে, প্রথমার্ধে দুর্দান্ত খেলা পানামার আক্রমণভাগ দ্বিতীয়ার্ধে খেই হারিয়ে ফেলে। তাদের পাসিং ও কাউন্টার-অ্যাটাকগুলো বক্সের সামনে গিয়ে বারবার খেই হারাচ্ছিল।
ম্যাচ যখন গোলশূন্য ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছে, ঠিক তখনই ৯০+৫ মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। পানামার রক্ষণভাগের মনোযোগের সুযোগ নিয়ে বক্সে বল পেয়ে যান ক্যালেব ইরেনকি। ঠান্ডা মাথায় চমৎকার ফিনিশিংয়ে পানামার জাল কাঁপিয়ে ঘানাকে উল্লাসে ভাসান এই ফরোয়ার্ড।
১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে গোল শোধ করতে অল-আউট আক্রমণে যায় পানামা। যোগ করা সময়ের ৯ম মিনিটে (৯০+৯ মিনিট) পানামার গোলকিপার মোসকেরা পর্যন্ত ঘানার বক্সে চলে আসেন। তার হেড থেকে দিয়াজ গোলমুখে শট নেন। তবে ঘানার বদলি গোলকিপার বেঞ্জামিন আসারে দারুণ দক্ষতায় বলটি গ্লাভসবন্দী করেন।
এ সময় বল কেড়ে নেয়ার চেষ্টায় পানামার হার্ভে আসারেকে ফাউল করলে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা ও হাতাহাতি সৃষ্টি হয়। যার ফলে হার্ভেকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত ১২ মিনিটের স্নায়ুচাপ ধরে রেখে ১-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে ঘানা। এই জয়ের ফলে ‘গ্রুপ এল’-এ ইংল্যান্ডের সমান ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে ঘানা।
েে
