ফুল-টাইম (ইংল্যান্ড ৪-২ ক্রোয়েশিয়া):
শেষ বাঁশি বেজে গেল! রোমাঞ্চকর এক লড়াই শেষে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে শুভসূচনা করল থমাস টুখেলের ইংল্যান্ড।
যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে (৯৪ মিনিট) আরও একবার গোলের সুযোগ তৈরি করে ক্রোয়েশিয়া। উইং দিয়ে আক্রমণে উঠে তারা একটি কর্নার আদায় করে নেয়। ব্যাক পোস্টে ক্রোয়াট ডিফেন্ডার ইয়োসকো ভার্দিওলের একটি নিচু শট গোললাইন থেকে দুর্দান্তভাবে ব্লক করেন ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেইন। এর পরপরই একটি বাউন্সিং বল গ্লাভসবন্দী করেন সতর্ক জর্ডান পিকফোর্ড। বাকি দুই মিনিট কোনো ভুল না করে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়লো থ্রি লায়নরা।
৯১ মিনিট (ইংল্যান্ড ৪-২ ক্রোয়েশিয়া):
জয়ের দ্বারপ্রান্তে ইংল্যান্ড! ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে রেফারি অতিরিক্ত ৬ মিনিট সময় যোগ করেছেন।
৮৭ মিনিট (ইংল্যান্ড ৪-২ ক্রোয়েশিয়া):
ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে রক্ষণভাগকে আরও নিরেট করতে শেষ পরিবর্তনটি করলেন থমাস টুখেল। সেন্ট্রাল ডিফেন্সে জন স্টোনসের জায়গায় মাঠে নামলেন মার্ক গেয়ি।
৮৫ মিনিট (ইংল্যান্ড ৪-২ ক্রোয়েশিয়া):
গোল! এবার আর রক্ষা পেলেন না লিভাকোভিচ। ব্যবধান ৪-২ করে ইংল্যান্ডের জয় প্রায় নিশ্চিত করে ফেললেন মার্কাস রাশফোর্ড। ডি-বক্সের বাঁ প্রান্ত থেকে ডান পায়ের এক দুর্দান্ত ও নিখুঁত শটে বল জালে জড়ান এই ইংলিশ ফরোয়ার্ড। শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় থমাস টুখেলের মুখে এখন স্বস্তির হাসি।
৮২ মিনিট (ইংল্যান্ড ৩-২ ক্রোয়েশিয়া):
ক্রোয়েশিয়াকে আবারো রক্ষা করলেন লিভাকোভিচ! আজ ক্রোয়াট গোলকিপার একা প্রাচীর হয়ে না দাঁড়ালে ইংল্যান্ড হয়তো এতক্ষণে ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যেত।
৮০ মিনিট (ইংল্যান্ড ৩-২ ক্রোয়েশিয়া):
ম্যাচের শেষ ১০ মিনিটে রোমাঞ্চকর লড়াই! ব্যবধান ধরে রাখতে এবং রক্ষণভাগ আরও নিরেট করলেন ইংলিশ কোচ থমাস টুখেল। ম্যাচের অন্যতম গোলদাতা ও মাঝমাঠের প্রাণ জুড বেলিংহামকে তুলে মাঠে নামানো হলো রক্ষণাত্মক উইং-ব্যাক ডিজেড স্পেন্সকে।
এর ঠিক আগেই অল-আউট আক্রমণে যাওয়ার জন্য জোড়া পরিবর্তন করেন ক্রোয়াট কোচ দালিচ। ৭৮ মিনিটে মার্তিন বাতুরিনাকে তুলে নিকোলা ভ্লাসিচ এবং ৭৯ মিনিটে মারিও পাসালিচের পরিবর্তে অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার আন্দ্রে ক্রামারিচকে মাঠে নামায় ক্রোয়েশিয়া।
৭৬ মিনিট (ইংল্যান্ড ৩-২ ক্রোয়েশিয়া):
সমতায় ফেরার দারুণ সুযোগ হাতছাড়া ক্রোয়েশিয়ার। এবার ত্রাণকর্তা পিকফোর্ড! ডান প্রান্ত থেকে ডি-বক্সে কেটে ভেতরে ঢুকে বাঁ পায়ের বুলেট গতির শট নেন মার্কো পাসালিচ। তবে বল লাইনে দাঁড়িয়ে চমৎকার দক্ষতায় তা প্রতিহত করেন ইংলিশ গোলকিপার।
৭২ মিনিট (ইংল্যান্ড ৩-২ ক্রোয়েশিয়া):
ইংল্যান্ড দলেও পরিবর্তন! মাঝমাঠের গতি বাড়াতে এবং রক্ষণাত্মক কৌশল থেকে কিছুটা আক্রমণাত্মক মেজাজে ফিরতে রাইসকে তুলে নিলেন টুখেল। তার পরিবর্তে মাঠে নামলেন অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার মরগান রজার্স। রাইসের আজকের পারফরম্যান্স ছিল দুর্দান্ত। হ্যারি কেইনের গোলটিতে অ্যাসিস্ট করার পাশাপাশি মাঝমাঠ আগলে রেখেছিলেন দারুণভাবে।
হাইড্রেশন ব্রেক (ইংল্যান্ড ৩-২ ক্রোয়েশিয়া):
হাইড্রেশন ব্রেকে নতুন ছক কষার সুযোগ। দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে এসে ইংল্যান্ডের সেই শুরুর টর্নেডো আক্রমণ কিছুটা হলেও থিতিয়ে এসেছে। যদিও বিরতির ঠিক আগেই হ্যারি কেইনের চমৎকার এক হেডের পর অ্যান্থনি গর্ডন একটি ফার্স্ট-টাইম শট নেন। তবে তা ক্রোয়াট ডিফেন্সে ব্লক হয়ে যায়। ম্যাচের বাকি আর মাত্র ২০ মিনিট।
৬৬ মিনিট (ইংল্যান্ড ৩-২ ক্রোয়েশিয়া):
সমতায় ফিরতে ক্রোয়েশিয়া শিবিরে জোড়া পরিবর্তন। আক্রমণভাগ আরও শক্তিশালী করতে এবং গতি বাড়াতে স্ট্রাইকার পেতার মুসাকে তুলে মাঠে নামানো হলো ইগর মাতানোভিচকে। সেই সঙ্গে ডিফেন্ডার লুকা ভুশকোভিচের পরিবর্তে মাঠে এলেন উইঙ্গার মার্কো পাশালিচ।
৬৩ মিনিট (ইংল্যান্ড ৩-২ ক্রোয়েশিয়া):
মাঠে নামার পর ক্রোয়েশিয়ার খেলা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এনেছেন মাতেও কোভাচিচ। ম্যাচের গতি ধীর করতে নিজেদের পায়ে বলের পজিশন বাড়ানোর চেষ্টা করছে ক্রোয়াটরা। তবে ইংল্যান্ডের হাই-প্রেসিং ফুটবল এখনো অব্যাহত রয়েছে। খেলার পুরো নিয়ন্ত্রণই এখন ক্রোয়েশিয়ার অর্ধে।
৫৮ মিনিট (ইংল্যান্ড ৩-২ ক্রোয়েশিয়া):
ক্রোয়েশিয়া শিবিরে বড় পরিবর্তন! তুলে নেয়া হলো অধিনায়ক লুকা মদরিচকে। নিজের ১৯৯তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে মাঠ ছাড়ার সময় ৪০ বছর বয়সী এই কিংবদন্তিকে করতালি দিয়ে সম্মান জানায় পুরো স্টেডিয়াম। তার পরিবর্তে মাঠে নামলেন মাতেও কোভাচিচ। কোভাচিচের এটি ১১৪তম ম্যাচ।
৫২ মিনিট (ইংল্যান্ড ৩-২ ক্রোয়েশিয়া):
রাইসকে রুখে দিলেন ক্রোয়াট গোলকিপার! আক্রমণের ধার বজায় রেখে একের পর এক আক্রমণ করে যাচ্ছে ইংল্যান্ড। এবার ডি-বক্সের ঠিক বাইরে থেকে রাইসের নেওয়া এক দুর্দান্ত বাঁকানো শট পুরো শরীর বাতাসে ভাসিয়ে বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পোস্টের বাইরে ঠেলে দেন লিভাকোভিচ।
৪৯ মিনিট (ইংল্যান্ড ৩-২ ক্রোয়েশিয়া):
৪ নম্বর গোলের খুব কাছে ছিল ইংল্যান্ড! লিড নেয়ার ঠিক পরের মুহূর্তেই ব্যবধান দ্বিগুণ করার দুটি সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন জুড বেলিংহাম ও জ্যাডন ও'রাইলি। প্রথমে বেলিংহামের একটি শট দুর্দান্তভাবে রুখে দেন ক্রোয়াট গোলকিপার লিভাকোভিচ। এরপর ডেকলান রাইসের নেয়া কর্নার থেকে ও'রাইলির হেড পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে যায়।
৪৭ মিনিট (ইংল্যান্ড ৩-২ ক্রোয়েশিয়া):
গোল! দ্বিতীয় হাফের শুরুতেই আবার লিড নিলো ইংল্যান্ড। ডি-বক্সের ডান প্রান্ত থেকে ডান পায়ের এক নিখুঁত শটে বল জালের নিচের বাম কোণে জড়িয়ে দেন জুড বেলিংহাম। ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে মাঠ মাতাচ্ছে ইংলিশরা।
শুরু দ্বিতীয়ার্ধ (ইংল্যান্ড ২-২ ক্রোয়েশিয়া):
প্রথমার্ধের রোমাঞ্চের পর শুরু। বিশ্বকাপের গ্রুপ স্টেজের কোনো ম্যাচে প্রথমার্ধে এবারই প্রথম জোড়া গোল হজম করলো ইংল্যান্ড।
প্রথমার্ধের সমাপ্তি (ইংল্যান্ড ২-২ ক্রোয়েশিয়া):
ডালাসের আর্লিংটন স্টেডিয়ামে এক অবিশ্বাস্য রোমাঞ্চকর প্রথমার্ধ দেখলো ফুটবল বিশ্ব! অধিনায়ক হ্যারি কেইনের জন্য মাঠের প্রথম ৪৫ মিনিট ছিল চড়াই-উতরাইয়ে ভরা। প্রথমে নিজের ভুলে দলকে নিশ্চিত বিপদে ফেলা, আর বিরতির ঠিক আগে দুর্দান্ত হেডে দলকে লিড এনে দেয়া। তবে থমাস টুখেলের শিষ্যদের সেই লিডকে পাত্তাই দেয়নি লড়াকু ক্রোয়েশিয়া। ম্যাচের শেষ সেকেন্ডে পেতার মুসার গোলে সমতায় ফিরে তারা বুঝিয়ে দিয়েছে, সহজে ছেড়ে দেওয়ার পাত্র তারা নয়। ৪ গোলের থ্রিলার শেষে আপাতত ২-২ সমতায় বিরতিতে গেল দুই দল। অপেক্ষা দ্বিতীয়ার্ধের।
৪৫+৫ মিনিট (ইংল্যান্ড ২-২ ক্রোয়েশিয়া):
গোল! প্রথমার্ধের একেবারে শেষ সেকেন্ডে নাটকীয়ভাবে সমতায় ফিরলো ক্রোয়েশিয়া। যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে ডি-বক্সের ভেতর বল পেয়ে ডান পায়ের নিখুঁত শটে বল জালে জড়ান ক্রোয়াট স্ট্রাইকার পেতার মুসা। গোল হজম করার পরপরই রেফারি প্রথমার্ধের শেষের বাঁশি বাজান। ২-২ গোলের মহারোমাঞ্চ নিয়ে বিরতিতে গেল দুই দল।
৪৫+৩ মিনিট (ইংল্যান্ড ২-১ ক্রোয়েশিয়া):
প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ের শেষ মুহূর্তে গোল শোধে মরিয়া ক্রোয়েশিয়া! বিরতিতে যাওয়ার আগে ব্যবধান কমাতে পর পর কয়েকটি আক্রমণ শাণায় ক্রোয়াটরা। তবে থমাস টুখেলের ইংলিশ ডিফেন্স আজ বেশ সুসংগঠিত।
৪২ মিনিট (ইংল্যান্ড ২-১ ক্রোয়েশিয়া):
গোল! প্রথমার্ধের ঠিক শেষ মুহূর্তে আবার এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড। ডেকলান রাইসের নেয়া লম্বা কর্নার কিক নিখুঁতভাবে খুঁজে নেয় পেনাল্টি স্পটে ওত পেতে থাকা হ্যারি কেইনকে। ক্রোয়াট ডিফেন্ডারদের চোখ ফাঁকি দিয়ে জোড়ালো হেডারে জাল কাঁপান ইংলিশ অধিনায়ক। ক্রোয়েশিয়ার গোলকিপার ডমিনিক লিভাকোভিচের কিছুই করার ছিল না।
৩৮ মিনিট (ইংল্যান্ড ১-১ ক্রোয়েশিয়া):
বাতুরিনার বুলেট গতির শট! ডালাস স্টেডিয়ামের জায়ান্ট স্ক্রিনে দেখা গেছে, ক্রোয়েশিয়ার মার্টিন বাতুরিনার গোলটি প্রতি ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার গতিতে জালে জড়িয়েছে! এই অভাবনীয় গোলে কিছুটা স্তব্ধ দেখাচ্ছে ইংল্যান্ডকে। ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে থমাস টুখেলের দলকে এখন নতুন করে শুরু করতে হবে।
৩৬ মিনিট (ইংল্যান্ড ১-১ ক্রোয়েশিয়া):
গোল! সমতায় ফিরলো ক্রোয়েশিয়া। ডি-বক্সের বেশ বাইরে থেকে ডান পায়ের এক দুর্দান্ত দূরপাল্লার শটে ইংলিশ গোলকিপার জর্ডান পিকফোর্ডকে পরাস্ত করেন ক্রোয়াট মিডফিল্ডার মার্টিন বাতুরিনা। ১-১ সমতায় ম্যাচ এখন আরও জমজমাট।
৩১ মিনিট (ইংল্যান্ড ১-০ ক্রোয়েশিয়া):
ইংল্যান্ডের দুর্দান্ত কাউন্টার অ্যাটাক! মাঝমাঠে অ্যান্থনি গর্ডন বল কেড়ে নিয়ে পাস দেন হ্যারি কেইনকে। কেইন চমৎকারভাবে বল বাড়িয়ে দেন ডান প্রান্তে থাকা ননি মাদুয়েকের দিকে। মাদুয়েকে গোলপোস্টের একদম সামনে দারুণ এক নিচু ক্রস বাড়ালেও তা ছুঁতে ব্যর্থ হন জুড বেলিংহাম। ডিফেন্ডার তাকে বাধা দিয়েছেন দাবি করে বেলিংহাম পেনাল্টির আবেদন জানালেও রেফারি তাতে সাড়া দেননি।
২৮ মিনিট (ইংল্যান্ড ১-০ ক্রোয়েশিয়া):
হ্যারি কেইনের বড় ভুল! নিজের গোলপোস্টের ৩০ মিটারের মধ্যে নিচে নেমে ও'রাইলির পাস ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি ইংল্যান্ড অধিনায়ক। কেইনের এই মারাত্মক ভুলে বল পেয়ে সরাসরি ইংলিশ ডি-বক্সে আক্রমণের সুযোগ পায় ক্রোয়েশিয়া।
হাইড্রেশন ব্রেক (ইংল্যান্ড ১-০ ক্রোয়েশিয়া):
২৩ মিনিটের খেলায় পাঁচ-পাঁচটি শট নিয়েছে ইংল্যান্ড। বিপরীতে ১টি শট ক্রোয়েশিয়ার। বল পজিশনেও ক্রোয়াটদের (৪১%) থেকে এগিয়ে ইংলিশরা (৫৯%)।
দ্বাদশ মিনিট: ইংল্যান্ড ১-০ ক্রোয়েশিয়া
ডি-বক্সের ভেতর মদরিচের ফাউলে পেনাল্টি জেতে ইংল্যান্ড। ক্রোয়াট গোলকিপার লিভাকোভিচ আগেই এগিয়ে আসায় বাতিল হলো প্রথম পেনাল্টি। হ্যারি কেইনের স্পটকিক ঠেকিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। তবে দ্বিতীয় সুযোগে মিস করলেন না ইংলিশ অধিনায়ক। ১-০তে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড।
কিক অফ
ইংল্যান্ডের জন্য লড়াইটা প্রতিশোধের। ২০১৮ বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরেই ফাইনালের স্বপ্নভঙ্গ হয় তাদের। অন্যদিকে, সেই ইতিহাসের আরেকবার পুনরাবৃত্তি করতে চাইবে ক্রোয়াটরা।
চোটাক্রান্ত সাকাকে বেঞ্চে রেখেই মাঠে নামছে টুখেলের ইংল্যান্ড
বিশ্বকাপে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে আজ মাঠে নামছে ইংল্যান্ড। ডালাসের আর্লিংটন স্টেডিয়ামে গ্রুপ ‘এল’-এর হাইভোল্টেজ ম্যাচে থমাস টুখেলের শিষ্যদের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী ক্রোয়েশিয়া। তবে ম্যাচ শুরুর আগেই ইংলিশ শিবিরে বড় খবর-শতভাগ ফিট না থাকায় শুরুর একাদশে রাখা হয়নি তারকা উইঙ্গার বুকায়ো সাকাকে। তার পরিবর্তে ডান প্রান্তে আক্রমণের দায়িত্ব পেয়েছেন ননি মাদুয়েকে।
ম্যাচ শুরুর আগে আইটিভি-কে দেয়া সাক্ষাৎকারে ইংলিশ কোচ থমাস টুখেল বলেন, ‘আমরা এই দিনটির জন্যই কঠোর পরিশ্রম করেছি। তবে মনে রাখতে হবে, আমরা যে ১১ জন নিয়ে ম্যাচ শুরু করছি, তাদের নিয়েই শেষ করবো না। ম্যাচ জেতাতে আমাদের শক্তিশালী বেঞ্চের প্রভাব রাখাটা আজ খুব জরুরি।’
এছাড়া মিডফিল্ডে মরগান রজার্সের জায়গায় জুড বেলিংহামকে খেলানো নিয়ে টুখেল জানান, এটি ৫০-৫০ সিদ্ধান্ত ছিল। ক্রোয়েশিয়ার মাতেও কোভাচিচ শুরুর একাদশে না থাকায় নিজেদের প্রেসিংয়ে সামান্য পরিবর্তন আনতে হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ইংল্যান্ডের আক্রমণভাগে আজ হ্যারি কেইনের সঙ্গে বাঁ-প্রান্তে থাকছেন অ্যান্থনি গর্ডন। রক্ষণভাগে জন স্টোনসের সঙ্গী হয়েছেন এজরি কোনসা।
অন্যদিকে, ক্রোয়েশিয়ার ফুটবল ঈশ্বর লুকা মদরিচ আজ মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গেই এক অনন্য কীর্তি গড়ছেন। ৪০ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি নিজের পঞ্চম বিশ্বকাপ খেলতে নামছেন এবং এটি ক্রোয়েশিয়ার জার্সিতে তার ১৯৯তম ম্যাচ! এছাড়া অভিজ্ঞ ইভান পেরিসিচ খেলছেন নিজের ১৫৫তম ম্যাচ। তবে মিডফিল্ডার মাতেও কোভাচিচকে চমক হিসেবে আজ বেঞ্চে রেখেছেন ক্রোয়াট কোচ। এখন জমজমাট এক লড়াইয়ের অপেক্ষায় এখন ফুটবল বিশ্ব।
ইংল্যান্ড একাদশ: জর্ডান পিকফোর্ড (গোলকিপার), এজরি কোনসা, জ্যাডন ও'রাইলি, জন স্টোনস, রিস জেমস, ডেকলান রাইস, এলিয়ট অ্যান্ডারসন, জুড বেলিংহাম, হ্যারি কেইন (অধিনায়ক), অ্যান্থনি গর্ডন ও ননি মাদুয়েকে।
ক্রোয়েশিয়া একাদশ: ডমিনিক লিভাকোভিচ (গোলকিপার), ইয়োসিপ স্তানিসিচ, ইয়োশকো গাভার্দিওল, ইয়োসিপ শুতালো, লুকা ভুশকোভিচ, লুকা মদরিচ (অধিনায়ক), মারিও পাসালিচ, মার্টিন বাতুরিনা, পেতার সুচিচ, ইভান পেরিসিচ ও পেতার মুসা।
