এই নাহলে সুপারস্টার

এই নাহলে সুপারস্টার

ফন্ট সাইজ:

এই নাহলে সুপারস্টার। সুযোগ পেলেন তিনটি। দুটিতে গোল। আরেকটি নিয়ে পেনাল্টি বিতর্ক। ফরাসি সুপারস্টার এমবাপ্পে এমন ইতিহাসই রচনা করলেন নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে। সেনেগাল হেরেছে ৩-১ গোলে। খেলার রিপোর্ট ভিন্ন হতে পারতো। প্রথমার্ধে সেনেগালের ইসমাইলা সার ওপেন নেট মিস না করলে খেলার ভাগ্য অন্যরকম হতো। খেলার প্রথমার্ধ দখল করেছিল সেনেগাল। অন্তত তিনটি সহজ সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু কোনোটাতেই তারা গোল করতে পারেনি। খেলাটার দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্স অনেকটাই জ্বলে ওঠে। পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নেয় মাঠের। সেনেগালের প্লেয়ারদের তখন খুবই ক্লান্ত মনে হচ্ছিল। ফরাসি তারকা এমবাপ্পেকে নিয়ে আমরা আগেই লিখেছিলাম- প্রতিশোধের আগুনে তিনি জ্বলছেন। মাঠে তাই দেখা গেল। বল পাওয়ার সাথে সাথে কিছু একটা করতে চেয়েছেন, কিন্তু সেনেগাল তার ওপর নজর রাখছিল। ৬৬ মিনিটে যে বলটি জাল স্পর্শ করলো তা দেখার মতো। হাজার হাজার দর্শক খেলাটির এই গোলটির জন্যই যেন অপেক্ষা করছিলেন। শেষ পর্যন্ত অবিশ্বাস্য ফলাফল আসে। গোলটা ছিল অসাধারণ। স্পেনের পর ফ্রান্স কী করে তা নিয়ে বিশ্বকাপের আসরে অনেক জল্পনা-কল্পনা ছিল। খেলার শুরুটা দেখে অনেকেই হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু আখেরে ফ্রান্স প্রমাণ করেছে তারা সাইডলাইনে নয়, কাপ নেয়ার মতো ক্ষমতা রাখে। ফ্রান্সের শুরুটা ভালো হলো। শেষ দেখার অপেক্ষা। আফ্রিকার ফুটবলশক্তি সেনেগাল অবশ্য একটি গোল পায়। এমবায়ের এই গোলটি ছিল নজরকাড়া।
শেষ দৃশ্য: কোচ দিদিয়ে দেশমকে জড়িয়ে ধরেন এমবাপ্পে। এমন দৃশ্য বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ টেলিভিশনের পর্দায় দেখেছেন। দেশম তো এই ফলাফলই চেয়েছিলেন। এটাই তার শেষ বিশ্বকাপ। এমবাপ্পের আরও বাকি।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন