এমবাপ্পের রেকর্ড গড়া ম্যাচে সেনেগালকে ৩-১ গোলে হারালো ফ্রান্স

এমবাপ্পের রেকর্ড গড়া ম্যাচে সেনেগালকে ৩-১ গোলে হারালো ফ্রান্স

ফন্ট সাইজ:

এমবাপ্পের রেকর্ড গড়া গোলে সেনেগালের বিপক্ষে  ৩–১ গোলে ‍জিতে এবারের বিশ্বকাপে শুভসূচনা করলো ফ্রান্স। ২০০২ সালে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে সেনেগালের কাছে  ১-০ গোলে হেরেছিল ২০১৮ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নরা। দুই যুগ পর সেই হারের প্রতিশোধ নিলো ফ্রান্স।

যোগ করা সময়ের ৫ মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে থেকে অবিশ্বাস্য এক শটে লক্ষ্যভেদ করেন এমবাপ্পে। এই গোলে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতা মুকুটও পরলেন এমবাপ্পে। অলিভিয়ের জিরুর ৫৭ গোল ছাড়িয়ে এমবাপ্পের গোল এখন ৫৮। বিশ্বকাপে তাঁর গোল ১৪। বিস্তারিত ম্যাচ রিপোর্ট আসছে...

৯০+৮ মিনিট: ফ্রান্স ৩-১ সেনেগাল

এমবাপ্পের জাদুকরী গোল! ডি-বক্সের বেশ অনেক দূর থেকে জোরালো শটে বল জালে জড়ালেন এমবাপ্পে। এই গোলটির মাধ্যমে তিনি ফ্রান্সের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় সবার উপরে উঠে গেলেন। মেন্ডি ঝাঁপিয়ে পড়েও বলের নাগাল পাননি, শটটি ছিল একেবারেই ঠেকানোর অযোগ্য।

৯০+৬ মিনিট: ফ্রান্স ২-১ সেনেগাল

সেনেগালের সান্ত্বনাসূচক গোল! হাতে সময় খুব কম থাকলেও সেনেগাল লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। তরুণ সেনেগালিজ খেলোয়াড় এমবায়ে দারুণ বল নিয়ন্ত্রণে রেখে মাইগনানকে পরাস্ত করে চমৎকার এক গোল করলেন।

৯০+৬ মিনিট: গোল! ফ্রান্স ৩-১ সেনেগাল

গোল! কিলিয়ান এমবাপ্পের ডান পায়ের দূরপাল্লার শটটি সরাসরি বল জালে প্রবেশ করে।

৯০+৪ মিনিট: ফ্রান্স ২-০ সেনেগাল

ম্যাচ শেষের পথে, আর শেষ কয়েক মিনিট ফ্রান্স বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে বল দখলে রাখছে। পুরো ম্যাচে সেনেগাল দারুণ লড়াই করলেও শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতার কাছেই হার মানতে হচ্ছে তাদের।

৯০+১ মিনিট: ফ্রান্স ২-০ সেনেগাল

নির্ধারিত সময়ের পর ৮ মিনিট যোগ করা হয়েছে। ড্রিংকস ব্রেক, ভিএআর চেক এবং গোল উদযাপনের কারণে এই বাড়তি সময় যোগ করা হয়েছে।

মাঠে নামার মাত্র তিন মিনিটের মধ্যে ফ্রান্সকে ২–০ গোলে এগিয়ে দিলেন বারকোলা। ম্যাচের ৭৯ মিনিটে উসমান দেম্বেলের বদলি হিসেবে মাঠে নামেন এই ফরোয়ার্ড। ৮২ মিনিটে তাঁর গোলেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেছে ফ্রান্স।

৮৪ মিনিট: ফ্রান্স ২-০ সেনেগাল

বদলি খেলোয়াড়ের জাদু! মাঠে নামার এক মিনিটের মধ্যেই নিজের জাত চেনালেন বারকোলা। সতীর্থের দেওয়া থ্রু বল ধরে দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে গিয়ে মেন্ডির মাথার ওপর দিয়ে চিপ করে অসাধারণ এক গোল করলেন পিএসজি ফরোয়ার্ড। বারকোলার এই নান্দনিক ফিনিশিংয়ে ফ্রান্স এখন অনেকটা স্বস্তিতে।


কিলিয়ান এমবাপ্পে আরেকটি মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। সেনেগালের বিপক্ষে গোল করে তিনি ফ্রান্সের হয়ে নিজের গোলসংখ্যা ৫৭-তে নিয়ে গেছেন। এর ফলে দেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা অলিভিয়ে জিরুকে ছাড়িয়ে এককভাবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে গেছেন এমবাপে।
বিশ্বকাপেও বেড়েছে তার গোলসংখ্যা। এই গোল নিয়ে বিশ্বকাপে এমবাপের মোট গোল দাঁড়িয়েছে ১৩। বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা মিরোস্লাভ ক্লোসের ১৬ গোলের রেকর্ড ছুঁতে এখন তার প্রয়োজন আর মাত্র তিনটি গোল।

৬৬ মিনিট: ফ্রান্স ১-০ সেনেগাল

এমবাপ্পের দারুণ জবাব! পেনাল্টি না পাওয়ার ক্ষোভ মুহূর্তেই যেন মুছে ফেললেন এমবাপ্পে। মাইকেল ওলিসের চমৎকার এক এসিস্টে সেনেগালের রক্ষণভাগ ভেঙে বল জালে জড়ালেন ফরাসি অধিনায়ক। ডি-বক্সের বাইরে থেকে আসা সেই বল ছয় গজ দূর থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে মেন্ডিকে পরাস্ত করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দিলেন এমবাপ্পে।

৬২ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল

পেনাল্টি নয়! বেশ অবাক করার মতো সিদ্ধান্ত। বারবার রিপ্লে দেখার পর রেফারি আলিরেজা ফাগানি তার আগের সিদ্ধান্তেই অটল থাকলেন এবং এটিকে পেনাল্টি দিতে অস্বীকৃতি জানালেন। এটি বেশ অদ্ভুত একটি সিদ্ধান্ত ছিল—এমবাপ্পে সাদিও মানের চ্যালেঞ্জের আশঙ্কা পেয়েই অনেকটা লাফ দিয়ে (হার্ডল) তার পায়ের ওপর দিয়ে চলে যান।

৫৯ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল

ভিএআর (VAR) পেনাল্টি চেক। সাদিও মানের চ্যালেঞ্জে ডি-বক্সের ভেতর এমবাপ্পে পড়ে গেছেন, যা নিশ্চিত পেনাল্টি বলেই মনে হচ্ছিল। সেনেগালের এই ফরোয়ার্ড বলের নাগাল পাননি, বরং সরাসরি এমবাপ্পেকেই আঘাত করেছেন। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি না বাজালেও ভিএআর পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে।

৫৮ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল

মেন্ডির দক্ষতা! গোলরক্ষক এডুয়ার্ড মেন্ডি আবারও দারুণ একটি সেভ করেছেন। এমবাপ্পের শট ঠেকাতে তিনি এগিয়ে এসে বাম পা দিয়ে বল আটকে দেন। এমবাপ্পের শটটি মাটি ঘেঁষে থাকায় মেন্ডির জন্য সেটি আটকানো সহজ হয়েছে।

৫৭ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল

সারের চেষ্টা! দুই দলই এখন আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছে, ফলে ম্যাচটি বেশ উন্মুক্ত হয়ে পড়ছে। সেনেগাল দারুণভাবে বল এগিয়ে নিয়ে যায় এবং সার ডি-বক্সের ভেতর জ্যাকসনকে লক্ষ্য করে পাস দেন, কিন্তু পাসটিতে অতিরিক্ত গতি থাকায় তা জ্যাকসনের নাগালের বাইরে চলে যায়। সেনেগালের জন্য এটি ইতিবাচক ইঙ্গিত।

৫৪ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল

মেন্ডির আরেকটি সেভ! ওলিসে তার নিজের সামর্থ্যের জানান দিতে শুরু করেছেন। তিনি দ্রুত সেনেগালের ডি-বক্সে ঢুকে মেন্ডির ওপর দিয়ে বল চিপ করার চেষ্টা করেন। তবে সেনেগালিজ গোলরক্ষক দারুণভাবে অ্যাঙ্গেল কমিয়ে এগিয়ে এসে ওলিসের শটটি আটকে দেন।

৫৩ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল

উভয় প্রান্তে পাল্টা আক্রমণ! ফ্রান্স দ্রুত আক্রমণে উঠলে পরিস্থিতি চার বনাম চার হয়ে যায়, কিন্তু কালিদউ কুলিবালি দারুণ টাইমিংয়ের এক ট্যাকলে ফরাসি আক্রমণ প্রতিহত করেন। অন্যদিকে, সেনেগালের পাল্টা আক্রমণ ঠেকাতে উইলিয়াম সালিবাও শেষ মুহূর্তে দারুণ একটি ট্যাকল করেন। রক্ষণভাগ আজ দুর্দান্ত ফর্মে আছে।

৪৮ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল

ডুয়ে’র জোরালো শট! এটাই এখন পর্যন্ত ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় সুযোগ। ডুয়ে বল পেয়ে সেনেগালের ডি-বক্সের প্রান্তের দিকে এগিয়ে যান। সেখান থেকে তার নেওয়া শট অল্পের জন্য গোলপোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়।

৪৬ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল

দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু! বিরতির পর কোনো দলের একাদশে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।


প্রথমার্ধের পরিসংখ্যান: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল

  • বল দখলের লড়াই: ফ্রান্স (৪৮%), সেনেগাল (৫২%)

  • গোলের প্রচেষ্টা:

    • ফ্রান্স: লক্ষ্যভ্রষ্ট ১টি, লক্ষ্যে ০টি।

    • সেনেগাল: লক্ষ্যভ্রষ্ট ৪টি, লক্ষ্যে ১টি।

  • কর্নার: ফ্রান্স (৩), সেনেগাল (২)।

  • ফাউল: ফ্রান্স (৩), সেনেগাল (৩)।

প্রতিভায় ঠাসা ফ্রান্স দল সেনেগালের বিপক্ষে ম্যাচের প্রথমার্ধে হতাশ করেছে। দল হিসেবে তারকা খেলোয়াড়দের মধ্যে বোঝাপড়ার ঘাটতি ছিল স্পষ্ট। এমবাপ্পে–দেম্বেলেরা একেকজন উজ্জ্বল তারকা, কিন্তু সবাই মিলে একই ছন্দে খেলতে পারেননি।গোল দূরে থাক, প্রথমার্ধে ফ্রান্স লক্ষ্যে কোনো শটও নিতে পারেনি। ফ্রান্সের চেয়ে সেনেগাল বরং বেশি উজ্জ্বল ছিল। গোলের একাধিক সুযোগও পেয়েছিল তারা। কিন্তু পোস্টের বাধা এবং ফিনিশিংয়ের ব্যর্থতায় গোল পায়নি আফ্রিকান দেশটি। 

প্রথমার্ধের বিরতি: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল

সেনেগালের জন্য এটি ছিল একটি বিশাল সুযোগ! ফ্রান্সের ডি-বক্সের ভেতর দিয়ে বল গড়িয়ে ছয় গজ লাইনে থাকা ইসমাইলা সারের পায়ে এসে পৌঁছায়। বলটি নিয়ন্ত্রণ করা কিছুটা কঠিন ছিল ঠিকই, কিন্তু সার বলের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে ব্যর্থ হন এবং শটটি বারের ওপর দিয়ে উড়ে যায়।

ম্যাচের প্রথমার্ধে সেনেগালই গোল পাওয়ার সবচেয়ে কাছাকাছি গিয়েছিল। গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে গেল দুদল।

৪৫+১ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল

নিউ জার্সির স্টেডিয়ামে এখন পর্যন্ত বেশ নিস্তেজ ম্যাচ চলছে। নির্ধারিত সময়ের পর যোগ করা হয়েছে অতিরিক্ত ৬ মিনিট।


৪৫ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল

ফ্রান্সের কর্নার। কালিদউ কুলিভালি বেশ অস্বস্তির সঙ্গে বলটি উরুতে লাগিয়ে মাঠের বাইরে পাঠিয়ে কর্নার দেন। তবে ওলিসের নেওয়া কর্নার কিকটি সরাসরি সেনেগালের গোলরক্ষক মেন্ডির হাতে গিয়ে জমা হয়।

৪৪ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল

ফ্রান্সের ফ্রি-কিক। পাবা গুইয়ের বিরুদ্ধে হ্যান্ডবলের বাঁশি বাজিয়েছেন রেফারি। এটি বেশ অদ্ভুত একটি সিদ্ধান্ত ছিল, কারণ সেনেগালিজ এই খেলোয়াড় মাটিতে পড়ে ছিলেন এবং বলটি গড়িয়ে তার বগলের কাছে লেগেছিল। দেম্বেলে ফ্রি-কিক থেকে বলটি বক্সে ফেললেও কালিদউ কুলিভালি তা সহজেই ক্লিয়ার করে দেন।

৪১ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল

ইসমাইলা সার আঘাত পেয়ে নিচে পড়ে আছেন। ফ্রান্স দ্রুতগতিতে আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করলে ওলিসে ডান দিকে কুন্দেকে ফাঁকা জায়গায় বল বাড়িয়ে দেন। বার্সেলোনার এই ডিফেন্ডার ডি-বক্সের ভেতর বল কাট ব্যাক করার চেষ্টা করলেও ক্রসটি ছিল অত্যন্ত দুর্বল, যা কারো কাছেই পৌঁছাতে পারেনি। ইসমাইলা সার চিকিৎসা নেওয়ায় খেলা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে।

৪০ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল

সেনেগালের পাল্টা আক্রমণ। দিয়াতা ডান দিক দিয়ে বল নিয়ে এগিয়ে গিয়ে সারকে লক্ষ্য করে একটি পাস দেন, কিন্তু পাসটিতে অতিরিক্ত শক্তি থাকায় বলটি গোল কিক হিসেবে মাঠের বাইরে চলে যায়। এখন পর্যন্ত উভয় দলই ম্যাচের শেষ পাস বা চূড়ান্ত মুহূর্তের আক্রমণে বেশ ভুগছে।


৩৭ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল

ফ্রান্সের পারফরম্যান্স এখন পর্যন্ত বেশ ম্লান। দলের বেশ কিছু তারকা খেলোয়াড়কে ম্যাচের এই সময় পর্যন্ত সেভাবে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ে দেশম ডুয়ে এবং ওলিসের মতো খেলোয়াড়দের কাছ থেকে আরও অনেক বেশি কার্যকর পারফরম্যান্সের প্রত্যাশা করছেন।



৩৪ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল

গ্যালারিতে উপস্থিত হয়েছেন রবার্ট পিরেজ ও প্যাট্রিক ভিয়েরার মতো ফরাসি কিংবদন্তিরা। ম্যাচের প্রথম ৩৫ মিনিট কিছুটা নিষ্প্রভ পারফরম্যান্সের পর 'লে ব্লু'দের কাছে আরও ভালো কিছুর প্রত্যাশা করছেন তারা।

৩২ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল

সেনেগালের জন্য আরেকটি সুযোগ, তবে সেটিকে পুরোপুরি সুযোগ বলা চলে না। ডি-বক্সের প্রান্ত থেকে ইসমাইলা সার শট নিলেও বল নিয়ন্ত্রণে ছিল না, যার ফলে বল গোলপোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।

৩০ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল

নিউ জার্সিতে বিরতির পর খেলা পুনরায় শুরু হয়েছে। খেলোয়াড়রা পানীয় পানের বিরতি শেষে মাঠে ফিরেছেন।

২৭ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল

পানীয় পানের বিরতি (ড্রিংকস ব্রেক)। সেনেগালের জন্য এই বিরতিটা ভুল সময়ে এল। পোস্টের গায়ে বল লাগানোর পর তারা বেশ ছন্দেই ছিল।

২৬ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল

জ্যাকসনের শট পোস্টে! ম্যাচের সবচেয়ে বড় সুযোগ এটিই। দিউফের দারুণ পাস থেকে বল পেয়ে উপামেকানোকে কাটিয়ে এগিয়ে যান জ্যাকসন। সেনেগালিজ এই ফরোয়ার্ডের জোরালো শট পোস্টে লেগে গোলরক্ষক মাইগনানের পিঠে ধাক্কা খেয়ে কর্নার হয়ে যায়। ফ্রান্স নিশ্চিত গোল থেকে বেঁচে গেল!

২৪ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল

সেনেগালের রক্ষণভাগের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে ফ্রান্স। আরেকটি কর্নার আদায় করলেও মেন্ডিকে সেভাবে পরীক্ষা করতে পারেনি তারা। তবে ফ্রান্স ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছে।

২২ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল

ফ্রান্সের কর্নার। মাইকেল ওলিস ডান প্রান্ত থেকে বল ভেতরে নিয়ে এলেও সেটি কাজে আসেনি। চুয়ামেনির পাশ দিয়ে বল চলে গেলে গোল কিক পায় সেনেগাল।

১৯ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল

উসমানে দেম্বেলে ডি-বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শট নিলেও সেটি সেনেগালের ডিফেন্ডারদের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে। ফ্রান্স ধীরে ধীরে ম্যাচ নিজেদের দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছে।

১৮ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল

পাসিংয়ে ছন্দহীনতা। গুইয়ে একটি সাহসী লং পাস দেওয়ার চেষ্টা করলেও তাতে গতি বেশি ছিল। দুই দলই প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ ভাঙার মতো সঠিক পাসটি খুঁজে পেতে হিমশিম খাচ্ছে।



**১৩ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল**
দেম্বেল আবারো এমবাপ্পেকে লক্ষ্য করে পাস দেওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু পাসে গতির তারতম্যের কারণে বলটি সরাসরি গোলরক্ষক মেন্ডির হাতে চলে যায়। তবে ধীরে ধীরে ফ্রান্স ম্যাচে নিজেদের গুছিয়ে নিতে শুরু করেছে।

**১৩ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল**
এমবাপ্পের শুরুতে কিছুটা জড়তা! ফ্রান্স পুরো মাঠ ব্যবহার করে সেনেগালের রক্ষণভাগকে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। দেম্বেলে চমৎকার একটি পাস এমবাপ্পের দিকে বাড়ালেও ফরাসি অধিনায়ক বল নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যর্থ হন। এই ম্যাচে এমবাপ্পের এটি দ্বিতীয় ভুল নিয়ন্ত্রণ।

**১০ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল**
সেনেগালের দুর্দান্ত শুরু। ‘লায়নস অফ তেরাঙ্গা’ খ্যাত দলটি ম্যাচের শুরু থেকেই বেশ প্রাণবন্ত। আক্রমণভাগে দারুণ সব প্রতিভা থাকায় তারা প্রমাণ করছে, ফ্রান্সের রক্ষণভাগকে চাপে ফেলার ক্ষমতা তাদের রয়েছে।

**৮ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল**
উপামেকানোর শক্তিশালী রক্ষণ। জ্যাকসনের কাছ থেকে বল পেয়ে ইসমাইলা সার দ্রুত ফ্রান্সের ডি-বক্সের দিকে ছুটে যান, তবে উপামেকানো দারুণ শক্তিমত্তায় তাকে থামিয়ে দেন এবং সেনেগালিজ এই ফরোয়ার্ডকে বিপদমুক্ত এলাকা থেকে দূরে সরিয়ে দেন।

**৬ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল**
ম্যাচ ধীরে ধীরে জমে উঠছে। ফ্রান্স নিজেদের রক্ষণভাগ থেকে স্বাচ্ছন্দ্যে বল পাস করে ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করছে। নিউ জার্সিতে রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে খেলাটি দারুণভাবে উপভোগ করছেন দর্শকরা।

**৪ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল**
ফ্রান্সের ফ্রি-কিক। সেনেগাল কর্নার থেকে খেলা শুরু করার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু ডি-বক্সে ফাউল হওয়ার কারণে রেফারি বাঁশি বাজান। বল ধরার সময় মাইগনান পড়ে যান এবং ডি-বক্সে চুয়ামেনিকে জড়িয়ে ধরতে দেখা যায়।

**২ মিনিট: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল**
সেনেগালের কর্নার। সেনেগালের জন্য ম্যাচটি ভালো শুরু হয়েছে। বাঁ প্রান্ত থেকে দিউফের পাঠানো বিপজ্জনক ক্রসটি ফেরাতে থিও হার্নান্দেজ বল হেড করে মাঠের বাইরে পাঠান।

**কিক-অফ: ফ্রান্স ০-০ সেনেগাল**
ফরাসি ডাগআউটে দিদিয়ে দেশম গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলে ম্যাচ শুরু করলেন, এটিই তার কোচ হিসেবে শেষ টুর্নামেন্ট। ফ্রান্স খেলা শুরু করেছে এবং মাঠের বাম দিকে বল পাঠিয়ে আক্রমণ সাজানোর চেষ্টা করছে।




বিশ্বকাপের ‘আই’ গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বুধবার (১৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের শক্তিশালী দল ফ্রান্স ও আফ্রিকার অন্যতম পরাশক্তি সেনেগাল। নিউ জার্সির মাঠে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ম্যাচকে ঘিরে আগেই ছিল দল নির্বাচন নিয়ে নানা আলোচনা। শেষ পর্যন্ত দুই দলই তাদের চূড়ান্ত একাদশ ঘোষণা করেছে।
বিশ্বকাপের টানা দুই আসরে ফ্রান্সকে ফাইনালে তোলা কোচ দিদিয়ের দেশমের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার জায়গা ছিল ডিফেন্ডার উইলিয়াম সালিবার ফিটনেস। আর্সেনাল তারকা পিঠের চোট নিয়ে জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দিয়েছিলেন, এমনকি গ্রীষ্মে অস্ত্রোপচারও লাগতে পারে বলে গুঞ্জন ছিল। তবে সব শঙ্কা কাটিয়ে তিনি অনুশীলনে ফিরেছেন এবং সেনেগালের বিপক্ষে শুরুর একাদশেও জায়গা করে নিয়েছেন।
রক্ষণভাগে সালিবার সঙ্গী হচ্ছেন বায়ার্ন মিউনিখের দায়ো উপামেকানো। দুই ফুল-ব্যাকে থাকছেন জুল কুন্দে ও থিও হার্নান্দেজ। মাঝমাঠে বরাবরের মতো আস্থা রাখা হয়েছে অরলিয়ে চুয়ামেনি ও আদ্রিয়েন রাবিও জুটির ওপর।
আক্রমণভাগে ফ্রান্সের মূল ভরসা অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। প্রস্তুতি ম্যাচে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা মাইকেল ওলিসে ডান প্রান্তে নিজের জায়গা ধরে রেখেছেন। আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার বা ‘নম্বর টেন’ ভূমিকায় খেলবেন উসমান দেম্বেলে, আর বাম দিক থেকে আক্রমণে থাকছেন পিএসজি তারকা দেজিরে দুয়ে। ফলে রায়ান শেরকি, ব্র্যাডলি বারকোলা ও মার্কাস থুরামের মতো তারকাদের শুরুতে বেঞ্চেই বসতে হচ্ছে।
অন্যদিকে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের সাবেক চ্যাম্পিয়ন সেনেগালও নামছে শক্তিশালী দল নিয়ে। কোচ পাপে থিয়াও চার ডিফেন্ডারের ফরমেশন বেছে নিয়েছেন। গোলবারের নিচে আছেন অভিজ্ঞ এদুয়ার মেনদি। রক্ষণভাগে অধিনায়ক কালিদু কুলিবালির সঙ্গে জুটি গড়ছেন মুসা নিয়াখাতে। দুই ফুল-ব্যাকে থাকবেন ক্রেপিন দিয়াত্তা ও এল হাজি মালিক দিয়ুফ।
মাঝমাঠে অভিজ্ঞ ইদ্রিসা গানা গেইয়ের সঙ্গে খেলবেন পাপে গেইয়ে ও লামিন কামারা। আর আক্রমণে থাকছে ভয়ংকর ত্রয়ী—সাদিও মানে, নিকোলাস জ্যাকসন ও ইসমাইলা সার।
ফ্রান্সের একাদশ
মাইক মেনিয়ান; জুল কুন্দে, উইলিয়াম সালিবা, দায়ো উপামেকানো, থিও হার্নান্দেজ; অরেলিয়েন চুয়ামেনি, আদ্রিয়েন রাবিও; মাইকেল ওলিসে, উসমান দেম্বেলে, দেজিরে দুয়ে; কিলিয়ান এমবাপ্পে।
বেঞ্চ:ব্রিস সাম্বা, রবিন রিসের, মালো গুস্তো, লুকা দিন, ইব্রাহিমা কোনাতে, লুকাস হার্নান্দেজ, ম্যাকসিম লাক্রোয়া, মানু কোনো, এনগোলো কান্তে, ওয়ারেন জায়েরে-এমেরি, রায়ান শেরকি, মাগনেস আকলিউশ, মার্কুস থুরাম, ব্র্যাডলি বারকোলা, জ্যঁ-ফিলিপ মাতেতা।
সেনেগালের একাদশ
এদুয়ার মেনদি; ক্রেপিন দিয়াত্তা, মুসা নিয়াখাতে, কালিদু কুলিবালি, এল হাজি মালিক দিয়ুফ; পাপে গেইয়ে, ইদ্রিসা গানা গেইয়ে, লামিন কামারা; সাদিও মানে, নিকোলাস জ্যাকসন, ইসমাইলা সার।
বেঞ্চ: ইয়োভান দিয়ুফ, মোর দিয়াও, আবদাল্লাহি সার, আলিয়ুন সেক, ইসমাইলা জ্যাকবস, মিকাইল মেনদি, নামপালিস মেনদি, হাবিব দিয়ারা, মালিক সার, ইলিমান এনদিয়ায়ে, আসানে দিয়াও, বাম্বা দিয়েং, বুলায়ে দিয়া, শেখ এনদিয়ায়ে ও ওমর এমবায়ে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন