কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ক্ষতিগ্রস্ত কার্যালয় সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কিশোরগঞ্জ জেলা ইউনিট কমান্ড ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কিশোরগঞ্জ জেলা যৌথভাবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। মানববন্ধন কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন উপজেলার দুই শতাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধা ছাড়াও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা অংশ নেন। কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কিশোরগঞ্জ জেলা ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মাহমুদুল ইসলাম জানু ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কিশোরগঞ্জ জেলার সভাপতি মো. সারোয়ার আলম মাসুদের স্বাক্ষরে প্রধানমন্ত্রী বরাবর পৃথক স্মারকলিপিতে পাকুন্দিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে সন্ত্রাসী হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদ এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, গত ১১ই জুন রাতে একদল দুষ্কৃতকারী ও সন্ত্রাসী পাকুন্দিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর এবং মূল্যবান আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন নথিপত্র লুটপাট করে। এই ন্যক্কারজনক ঘটনা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা ও আত্মত্যাগের প্রতি চরম অবমাননা।
স্মারকলিপিতে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, সুষ্ঠু তদন্ত, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ক্ষতিপূরণ ও সংস্কারের দাবি জানানো হয়। পাকুন্দিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক ও কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের সদস্য সচিব নূরুল হক ভূঁইয়া জানান, দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে বৃহত্তর কর্মসূচিতে যেতে তারা বাধ্য হবেন।
