ম্যাচের চূড়ান্ত পরিসংখ্যান (Match Stats)
নেদারল্যান্ডস | পরিসংখ্যান | জাপান |
৬১% | বল পজিশন (Ball Possession) | ৩৯% |
শট নেওয়ার চেষ্টা (Goal Attempts) | ||
৬ | অন-টার্গেট (On Target) | ৩ |
৪ | অফ-টার্গেট (Off Target) | ৭ |
৫ | কর্নার (Corners) | ৪ |
৭ | ফাউল (Fouls) | ৬ |
ফুল-টাইম (ম্যাচ শেষ)
দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শেষ হলো! নেদারল্যান্ডস ২, জাপান ২।পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়তে হচ্ছে দুই দলকে। অমিমাংসিতভাবেই শেষ হলো এই থ্রিলার ম্যাচ।
০+৩ মিনিট: নেদারল্যান্ডস ২-২ জাপান
অল-আউট আক্রমণে নেদারল্যান্ডস!
ম্যাচ জিততে মরিয়া হয়ে একের পর এক খেলোয়াড় উপরে তুলে দিচ্ছে ডাচরা। ডানপ্রান্ত থেকে ভেসে আসা একটি ভাসানো ক্রস (deep cross) এক ডাচ খেলোয়াড়ের মাথায় লেগে মাঠের বাইরে চলে গেল।
৯০+১ মিনিট: নেদারল্যান্ডস ২-২ জাপান
যোগ করা সময় ৬ মিনিট!
নাটকীয় এক গল্প লেখা হতে চলেছে আজ, কিন্তু শেষ হাসিটা হাসবে কারা? ডাচরা নাকি ব্লু সামুরাইরা?
৮৯ মিনিট:চড়া মূল্য দিতে হলো ডাচদের! জাপান যে শেষ মুহূর্তে ম্যাচ বাঁচাতে মরিয়া হয়ে আরও একটি সুযোগ তৈরি করবে, তা একপ্রকার নিশ্চিতই ছিল। আর সুযোগটি পেয়েই কী দারুণভাবেই না কাজে লাগাল তারা! এর ঠিক কয়েক মুহূর্ত আগেই একটি বল ডাচদের গোলপোস্টের একদম সামনে দিয়ে বিপজ্জনকভাবে পেরিয়ে গিয়েছিল, যার রেশ কাটতে না কাটতেই এই গোল।
লিড পাওয়ার পর ম্যাচটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে পুরোপুরি শেষ করে দেওয়ার মতো যথেষ্ট মরিয়া ভাব দেখাতে পারেনি নেদারল্যান্ডস, যার খেসারত দিতে হলো গোল খেয়ে। তবে নাটকীয়তার এখানেই শেষ নয়, ম্যাচ শেষ হতে এখনো কিছুটা সময় বাকি আছে!
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ২-২ জাপান
৮৮ মিনিট:গোল !!! জাপানের নাটকীয় সমতা (২-২)!
খেলার একদম শেষ মুহূর্তে এসে ম্যাচে দুর্দান্তভাবে ফিরল ব্লু সামুরাইরা। কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে বক্সের ঠিক মাঝখান থেকে দুর্দান্ত এক হেডে বল জালে জড়িয়ে দিলেন দাইচি কামাদা। ওলন্দাজ গোলরক্ষককে পরাস্ত করে বল লাইনের ভেতরে ঢুকতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে জাপানি শিবির। ম্যাচের রোমাঞ্চ এখন তুঙ্গে!
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ২-২ জাপান
ভাগ্যের ছোঁয়ায় কামাদার গোল! ডান প্রান্ত থেকে নেওয়া জাপানের কর্নার কিকটি নিখুঁতভাবে ভেসে আসে নিয়ার পোস্টে। সেখানে লাফিয়ে উঠে হেড করেন মাত্রই বদলি হিসেবে মাঠে নামা কোকি ওগাওয়া। কিন্তু বলটি সরাসরি গিয়ে আঘাত করে সতীর্থ দাইচি কামাদার মাথায়! কামাদা নিজেও হয়তো টের পাননি কী ঘটতে যাচ্ছে, কিন্তু তার মাথায় লেগে দিক পরিবর্তন করে বলটি সরাসরি লক্ষ্যের দিকে ছুটে যায়। ডাচ গোলরক্ষক বার্ট ভারব্রুগেন বলটি রুখতে ঝাঁপিয়ে পড়লেও তার হাত ছুঁয়ে বল জড়ায় জালে!
৮৫ মিনিট:ডাচ শিবিরের শেষ মুহূর্তের পরিবর্তন: দলের অন্যতম সেরা পারফর্মার কোডি গাকপোকে মাঠ থেকে তুলে নিলেন ডাচ কোচ, তার জায়গায় মাঠে নামানো হলো তরুণ ও শক্তিশালী স্ট্রাইকার ব্রায়ান ব্রবিকে।
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ২-১ জাপান
৮৪ মিনিট:জাপান দলে আরও একটি পরিবর্তন: স্ট্রাইকার আয়াসে উয়েদাকে মাঠ থেকে তুলে নিয়ে তার জায়গায় তরুণ ফরোয়ার্ড কেন্তো শিওগাইকে মাঠে নামালেন জাপানি কোচ।
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ২-১ জাপান
৮৩ মিনিট: ফাউল করার অপরাধে ডাচ ফরোয়ার্ড মেম্ফিস ডিপাইকে হলুদ কার্ড দেখালেন রেফারি।
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ২-১ জাপান
৮১ মিনিট:ডাচ শিবিরে রক্ষণাত্মক পরিবর্তন: মিডফিল্ডার রায়ান গ্রাভেনবার্চকে তুলে নিয়ে রক্ষণভাগ মজবুত করতে ডিফেন্ডার নাথান আকে-কে মাঠে নামালেন ডাচ কোচ।
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ২-১ জাপান
৭৯ মিনিট:ডাচ ডিফেন্স ভেঙে জাপানের বড় সুযোগ! ডান প্রান্ত থেকে দারুণ এক আক্রমণ শানিয়ে ডাচ রক্ষণভাগকে পুরোপুরি বোকা বানিয়ে দিয়েছিল জাপান। বক্সের একদম মাঝখানে বল পেয়ে যান সুগাুয়ারা, কিন্তু সেখান থেকে নেওয়া তার শটটি সরাসরি ডাচ গোলরক্ষকের গ্লাভসে চলে যায়। এমন পজিশন থেকে গোলরক্ষককে কোনো সুযোগই দেওয়া উচিত ছিল না তার। তবে ব্লু সামুরাইদের আক্রমণের গতি এখন অনেকটাই বেড়ে গেছে।
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ২-১ জাপান
৭৮ মিনিট:বলের দখলে এবার এগিয়ে জাপান: ম্যাচের চিত্রপট এখন কিছুটা উল্টো। এবার নেদারল্যান্ডস নিজেদের রক্ষণভাগে নিচে নেমে খেলছে। ডাচদের সীমানার ঠিক বাইরে বেশ কিছুক্ষণ বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার পর ডান প্রান্ত থেকে একটি ক্রস বাড়ায় জাপান, তবে ক্রসটি একটু বেশি ওপর দিয়ে চলে যায়। প্রথমার্ধে ডাচদের যেভাবে ছোট ছোট পাসে খেলতে বাধ্য করেছিল জাপান, এখন ওলন্দাজদের বিপক্ষে ঠিক একই কৌশলে খেলছে তারা।
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ২-১ জাপান
৭৬ মিনিট:ডান প্রান্ত থেকে জাপানের কর্নার! বদলি খেলোয়াড় মাঠে নামার ঠিক আগে-পরে মিলিয়ে ডান দিক থেকে একটি কর্নার আদায় করে নেয় জাপান। তবে তাদের নেওয়া কর্নার কিকটি বক্সে থাকা খেলোয়াড়দের মাথার অনেক ওপর দিয়ে চলে যায়। এরপর ফিরতি বল থেকে নেওয়া ক্রস—কিংবা হয়তো শট—গোলপোস্টের অনেক দূর দিয়ে মাঠের বাইরে চলে যায়।
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ২-১ জাপান
৭৫ মিনিট:জাপান দলে একসঙ্গে তিনটি পরিবর্তন:
চোটের কারণে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তারকা ফরোয়ার্ড তাকেফুসা কুবো, তার জায়গায় নামেন কোকি ওগাওয়া।
রিাতসু দোয়ানের পরিবর্তে ইয়ুকিনারি সুগাওয়ারা এবং সুয়োশি ওয়াতানাবের জায়গায় মাঠে নামানো হয় তাকেহিরো তোমিয়াসুকে।
৭৩ মিনিট:এক মিনিটে ডাচদের জোড়া আক্রমণ! বক্সের ভেতর দুর্দান্ত ড্রিবলিংয়ে জাপানি ডিফেন্স ভেঙে নিয়ার পোস্ট লক্ষ্য করে শট নেন কোডি গাকপো, তবে নিচু হয়ে চমৎকার এক সেভ করেন জাপানি কিপার। পরের মুহূর্তেই কর্নার থেকে আসা বলে ডাচদের হেড সরাসরি কিপারের গ্লাভসে জমা পড়ে।
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ২-১ জাপান
৭২ মিনিট: গোল খেয়ে মুহূর্তেই সমতায় ফেরা, আবার সমতায় ফেরার ঠিক পরপরই আবারও পিছিয়ে পড়া—মানসিকভাবে বেশ ধাক্কা খেয়েছে জাপান। ম্যাচে ফিরতে হলে এখন নিজেদের সবটুকু উজাড় করে দিতে হবে ব্লু সামুরাইদের।
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ২-১ জাপান
৭০ মিনিট:ডাচ দলে জোড়া পরিবর্তন (হাইড্রেশন ব্রেক শেষে):
ডনিয়েল মালেন মাঠ ছাড়লে তার জায়গায় নামেন মেম্ফিস ডিপাই।
তিজানি রেইন্ডার্সের পরিবর্তে কুইন্টেন টিম্বার এবং ক্রিসেনসিও সামারভিলের বদলে মাঠে নামলেন তিউন কুপমেইনার্স।
৬৭ মিনিট:নেদারল্যান্ডসের আরও একটি সুযোগ নষ্ট! বাম প্রান্ত দিয়ে জাপানের বক্সে হানা দেয় ডাচরা। ডনিয়েল মালেনের দুর্দান্ত ড্রিবলিংয়ে জাপানের দুই ডিফেন্ডার মাটিতে ছিটকে পড়েন। তবে শেষ মুহূর্তে জাপানি কিপার ও ডিফেন্ডারের যৌথ ব্লকে গোল লাইনের সামনে প্রতিহত হন মালেন। অবশ্য এর পরপরই অফসাইডের পতাকা তোলেন লাইন্সম্যান।
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ২-১ জাপান
৬৬ মিনিট:জাপান শিবিরে পরিবর্তন: উইঙ্গার দাইজেন মায়েদাকে তুলে নিয়ে মাঠে নামানো হলো জুনিয়া ইতোকে।
৬৪ মিনিট:গোল্ল্ল্ল্ল!!! আবারও এগিয়ে গেল নেদারল্যান্ডস (২-১)! রায়ান গ্রাভেনবার্চের পাস থেকে বক্সের ডান প্রান্তে বল পান ক্রিসেনসিও সামারভিল। সেখানে নিখুঁত টেকনিকের প্রদর্শনী দেখিয়ে বাম পায়ের কোনাকুনি শটে বল পাঠিয়ে দেন পোস্টের একদম নিচের বাঁ কোণে!
ডাচ মাস্টারি: এতক্ষণ কমলার জার্সিতে সামারভিলকে সবচেয়ে উজ্জ্বল দেখালেও জাপান তাকে কোনো জায়গা দিচ্ছিল না। কিন্তু এবার একটু ফাঁকা জায়গা পেতেই নিজের জাত চেনালেন তিনি। জাপান কেন এতক্ষণ এত নিচে নেমে রক্ষণ সামলাচ্ছিল, তা এই গোলেই স্পষ্ট। অসাধারণ এক ফিনিশিং!
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ২-১ জাপান
৬১ মিনিট: ফাউল করার অপরাধে ডাচ উইঙ্গার ক্রিসেনসিও সামারভিলকে হলুদ কার্ড দেখালেন রেফারি।
ম্যাচ এখন উন্মুক্ত: ১-১ সমতার পর দুই দলই জয়ের জন্য মরিয়া। মাঠে এখন ফাঁকা জায়গাও তৈরি হচ্ছে অনেক। এই সুযোগের ফায়দা কে তুলবে?
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ১-১ জাপান
৫৮ মিনিট: অবিশ্বাস্য! গোল খাওয়ার ঠিক পরপরই ম্যাচের প্রথম কার্যকরী আক্রমণেই সমতা ফেরাল জাপান। আক্রমণে বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় তুলে এনে নিখুঁত এক জাদুকরি মুহূর্তে ডাচদের স্তব্ধ করে দিল এশিয়ান পরাশক্তিরা।
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ১-১ জাপান
৫৭ মিনিট:গোল্ল্ল্ল্ল!!! জাপানের সমতা (১-১)! তাকেফুসা কুবোর অ্যাসিস্ট থেকে ডি-বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের দুর্দান্ত এক শটে বল জালে জড়ালেন কেইতো নাকামুরা। বলটি ডাচ ডিফেন্ডারের গায়ে সামান্য ডিফ্লেক্টেড (দিক পরিবর্তন) হয়ে পোস্টের একদম নিচের বাঁ কোণ দিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়ে।
৫৪ মিনিট: গোল খেয়ে এখন চরম চাপে জাপান। এতক্ষণ রক্ষণাত্মক বা বাস্তবমুখী ফুটবল খেললেও এখন ব্লু সামুরাইদের আক্রমণের ধার বাড়াতেই হবে এবং মাঝমাঠ ছেড়ে ওপরের দিকে উঠে খেলতে হবে।
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ১-০ জাপান
৫১ মিনিট:গোল্ল্ল্ল্ল!!! লিড নিলো নেদারল্যান্ডস (১-০)। বাম প্রান্ত থেকে ডাচদের একটি দুর্বল ফ্রি-কিক প্রথম রক্ষণেই প্রতিহত হয়েছিল। তবে ক্লিয়ারেন্স থেকে বলটি আবারও কেড়ে নেয় নেদারল্যান্ডস এবং ডান প্রান্ত ধরে নতুন আক্রমণ শানায়। সেখান থেকে রায়ান গ্রাভেনবার্চের বক্সের গভীরে চমৎকার এক ক্রস বাড়ান। ফ্রি-কিকের সুবাদে আগেই ওপরে উঠে আসা ডাচ অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইক এবার সবার ওপরে লাফিয়ে উঠে ব্যাক-পোস্ট লক্ষ্য করে বুলেট গতির হেড করেন, বল পোস্টে লেগে জালে জড়ায়।
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ১-০ জাপান
৪৭ মিনিট: দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ডাচদের উড়ন্ত সূচনা! বিরতি থেকে ফিরেই আক্রমণের ধার বাড়িয়েছে নেদারল্যান্ডস। প্রথমে ডান প্রান্ত ধরে ঝড়ের গতিতে বল নিয়ে বক্সে ঢোকে তারা, ব্যাক পোস্টে থাকা ডাচ ফরোয়ার্ডকে প্রায় টেনেই নামানো হচ্ছিল সেখানে। এর পরপরই জাপানের বক্সের ঠিক মুখে ছোট ছোট পাসে ক্ষিপ্রগতির আক্রমণ শানায় ওলন্দাজরা।
ব্লু সামুরাইরা কোনোমতে এই যাত্রায় নিজেদের রক্ষণ সামলে নিয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুটা ডাচদের পক্ষেই কথা বলছে!
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ০-০ জাপান
৭১ শতাংশ সময় বল নিজেদের পায়ে রেখেও জাপানি ডিফেন্সের কারণে খুব বেশি বিপজ্জনক হতে পারেনি ডাচরা। তাদের নেওয়া ৫টি শটের ৩টি পোস্টে থাকলেও জাপানি কিপার সুজুকি তা সহজেই রুখে দেন। অন্যদিকে জাপান মাত্র ২৯ শতাংশ বল পজিশন নিয়েও কাউন্টার অ্যাটাকে ৩ বার ডাচ ডিফেন্সে কাঁপুনি ধরিয়েছে, যদিও তাদের ৩টি শটের একটিও গোলপোস্টে (On Target) ছিল না।
প্রথম ৪৫ মিনিটের খেলা শেষে বল পজিশনে নেদারল্যান্ডস একচ্ছত্র আধিপত্য দেখালেও, গোলমুখে শট নেওয়ার দিক থেকে দুই দলই সমানে সমানে লড়াই করেছে। দেখে নেওয়া যাক প্রথমার্ধের সব পরিসংখ্যান:
পরিসংখ্যান | নেদারল্যান্ডস | জাপান |
বল পজিশন (Possession) | ৭১% | ২৯% |
গোলের চেষ্টা (Goal Attempts) | ৫ | ৩ |
পোস্টের বাইরে (Off Target) | ২ | ৩ |
পোস্টের ভেতরে (On Target) | ৩ | ০ |
কর্নার (Corners) | ৩ | ১ |
ফাউল (Fouls) | ৩ | ২ |
জাপান খুব ভালো করেই জানতো ডাচরা আজ কী রণকৌশল নিয়ে মাঠে নামবে। আর সেই অনুযায়ী ব্লু সামুরাইরা শুরু থেকেই ছক কষেছিল—যাতে কোনোভাবেই ডাচরা তাদের রক্ষণভাগ চিরে ভেতরে ঢুকতে না পারে। প্রথমার্ধে সেই পরিকল্পনায় শতভাগ সফল এশিয়ান পরাশক্তিরা।
অন্যদিকে, নেদারল্যান্ডস তাদের চিরচেনা পাসের ফুলঝুরি ছড়ালেও বল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে যে গতির প্রয়োজন ছিল, তা দেখাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। ফলে ধীরগতির পাসের কারণে জাপানের রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের পজিশন থেকে নড়ানো বা ফাঁকা জায়গা তৈরি করা ওলন্দাজদের পক্ষে সম্ভব হয়নি।
প্রথমার্ধের সমাপ্তি: রেফারির বাঁশি, শেষ হলো প্রথমার্ধের খেলা! ডালাসের মাঠে প্রথম ৪৫ মিনিটে দুই দলই বেশ কিছু ভালো আক্রমণ শানালেও জালের দেখা পায়নি কেউ। ফলে নেদারল্যান্ডস ০-০ জাপান সমতায় শেষ হলো প্রথমার্ধের লড়াই। বিরতির পর নতুন কোনো চমক অপেক্ষা করছে কি না, তা দেখতে চোখ রাখুন আমাদের পোর্টালে!
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ০-০ জাপান
৪৫+৩ মিনিট:ডাচদের কর্নার আবারও ব্যর্থ!ডান প্রান্ত থেকে নেওয়া নেদারল্যান্ডসের কর্নার কিকটি চমৎকারভাবে বক্সে ভেসে এলেও, ডাচ স্ট্রাইকার মালেনের নেওয়া হেডটি সরাসরি জাপানি গোলরক্ষকের গ্লাভসে গিয়ে জমা পড়ে।
৪৫+১ মিনিট:৩ মিনিটের ইনজুরি টাইম! প্রথমার্ধের নির্ধারিত সময় শেষে অতিরিক্ত ৩ মিনিট সময় বাড়ানো হয়েছে। ডালাসের তীব্র গরমে কেবল ওয়াটার ব্রেক বা হাইড্রেশন ব্রেকের কারণেই এই অতিরিক্ত সময় যোগ করলেন রেফারি।
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ০-০ জাপান
৪৫ মিনিট:আবারও সাইড নেটিংয়ে মারলো জাপান!মাঝমাঠ থেকে রক্ষণ চিরে দেওয়া একটি সাধারণ থ্রু বল বক্সের ভেতর পেয়ে যান উয়েদা। ডান দিক দিয়ে বলের পেছনে চমৎকার দৌড় দিয়ে প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে গোলরক্ষককে একা পেয়ে যান তিনি। তবে প্রথম সুযোগেই নেওয়া তার শটটি গোলপোস্টের বাইরের জালের (সাইড নেটিং) পাশে লেগে প্রতিহত হয়। নষ্ট হলো আরও একটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ!
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ০-০ জাপান
৪৩ মিনিট:জাপানের শট সাইড নেটিংয়ে!এবারও আক্রমণের কেন্দ্রে সেই নাকামুরা। এবারের আক্রমণটি ডান দিক থেকে শানায় জাপান, যেখান থেকে বক্সের ভেতর একটি দূরপাল্লার ক্রস বাড়ানো হয়। বল পান উইংয়ে থাকা নাকামুরা। তিনি প্রথম টাচে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়ার পোস্ট লক্ষ্য করে শট নেন, কিন্তু বল সাইড নেটিংয়ে আঘাত করে। সুযোগটি থেকে আরও ভালো কিছু করা উচিত ছিল তার।
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ০-০ জাপান
৪১ মিনিট:জাপানের প্রতি-আক্রমণ!বেশ কিছুক্ষণ পর মাঝমাঠে বলের দখল ফিরে পায় ব্লু সামুরাইরা। বল পায়ে শুরু থেকেই বেশ উজ্জ্বল থাকা নাকামুরা এবার বাম প্রান্ত ধরে ঝড়ের গতিতে বল নিয়ে ছুটে যান। তবে বক্সে থাকা সতীর্থদের উদ্দেশ্যে বাড়ানো তার ক্রসটি লাইনের বাইরে চলে গেলে এই কাউন্টার অ্যাটাকটি ব্যর্থ হয়।
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ০-০ জাপান
৩৮ মিনিট:সামারভিলের ঝলক! ডান প্রান্তে বল পায়ে নিয়ে চমৎকার ড্রিবলিংয়ে জাপানি ডিফেন্ডারদের বোকা বানানোর চেষ্টা করলেন এই ডাচ উইঙ্গার। শরীর বাঁকিয়ে ভেতরে ঢুকে বক্সের মধ্যে একটি ছোট পাসও বাড়িয়েছিলেন। তবে সেখানে জায়গা খুব কম থাকায় জাপানি ডিফেন্ডাররা দ্রুত বল ক্লিয়ার করে দেন। ডাচ প্লে-মেকারদের তৈরি করা আক্রমণগুলো একদম শেষ মুহূর্তে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলছে।
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ০-০ জাপান
৩৬ মিনিট:গাকপোর শট আবারও বারের ওপর দিয়ে!নেদারল্যান্ডসের নেওয়া একটি দূরপাল্লার ফ্রি-কিকের বল ড্রপ খেয়ে চমৎকারভাবে চলে আসে উইঙ্গার কোডি গাকপোর পায়ে। কিন্তু শট নেওয়ার সময় শরীর কিছুটা পেছনে হেলে পড়ায় বলটি গোলপোস্টের অনেক ওপর দিয়ে সীমানার বাইরে চলে যায়। সুযোগ নষ্ট হলেও ডাচরা কিন্তু ক্রমাগত জাপানের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে।
৩৫ মিনিট:এবার কোডি গাকপোর একটি শট গোলপোস্টের ওপর দিয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট হলো। অবশ্য সুবর্ণ সুযোগ না হলেও ডাচদের জন্য এটি একটি ভালো আক্রমণ ছিল।
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ০-০ জাপান
নেদারল্যান্ডসের নেওয়া ফ্রি-কিকের বলটি যখন ব্যাক পোস্টে যায়, তখন সেখান থেকে সতীর্থের হেডে বল পান গাকপো। তিনি শরীর টানটান করে স্লাইড ছুড়ে শট নেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন। তবে শটটিতে শক্তি একটু বেশি হয়ে যাওয়ায় বল বারের ওপর দিয়ে চলে যায়, ফলে জাপানি গোলরক্ষক সুজুকিকে কোনো কঠিন পরীক্ষায় পড়তে হয়নি।
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ০-০ জাপান
৩৪ মিনিট:সুজুকির আরও একটি দুর্দান্ত সেভ!
রেইন্ডার্স গোলপোস্টের ছয় গজ বক্সের ভেতর চমৎকার এক কর্নার কিক নিয়েছিলেন। সেখানে প্রতিপক্ষের বাধা এড়িয়ে লাফিয়ে উঠে হেড করেন মালেন। তবে হেডে বলের সংযোগটি খুব একটা জুতসই হয়নি এবং বলটি সরাসরি গোলরক্ষক বরাবর যায়। কিছুটা নিচু হয়ে সহজেই বলটি তালুবন্দী করেন জাপানি কিপার জিওন সুজুকি।
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ০-০ জাপান
৩৩ মিনিট: জাপানের রক্ষণভাগের ঠিক সামনেই বল কেড়ে নেয় ডাচরা। বল পায়ে নিয়ে দ্রুত বক্সে ঢুকে পড়েন মালেন। কিন্তু একদম সঠিক সময়ে দারুণ এক ট্যাকল করে এই ফরোয়ার্ডকে আটকে দেন জাপানি ডিফেন্ডার তানিমুচি। বিপদ এড়ালেও নেদারল্যান্ডস একটি কর্নার আদায় করে নেয়।
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ০-০ জাপান
৩১ মিনিট: মিকি ফন ডে ভেনের সেই পরিচিত চিতার গতি! রক্ষণভাগ থেকে দুর্দান্ত এক গতিতে বল নিয়ে ওপরে উঠলেন এই ডাচ ডিফেন্ডার, তবে বক্সের ভেতর বাড়ানো তার বলটি কোনো বিপদ তৈরি করতে পারেনি।
পর মুহূর্তেই কোডি গাকপো ক্রস-ফিল্ডে শূন্যে ভাসানো চমৎকার একটি পাস বাড়ান ডেনজেল ডামফ্রিসের উদ্দেশ্যে। ব্যাক পোস্টে থাকা ডামফ্রিস এবার লাফিয়ে উঠে হেড করলেও বলটি গোলপোস্টের জালের ওপরের অংশে লেগে মাঠের বাইরে চলে যায়।
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ০-০ জাপান
৩০ মিনিট: ম্যাচের প্রথম আধঘণ্টায় নেদারল্যান্ডসের পক্ষে সবচেয়ে উজ্জ্বল ফুটবলার উইঙ্গার কোডি গাকপো। এবারও তিনি দারুণভাবে কাট-ইন করে ভেতরের দিকে ঢুকলেন, এরপর ফার পোস্টে ছুটে আসা ডামফ্রিসকে লক্ষ্য করে চমৎকার একটি ক্রস বাড়ালেন। তবে ডামফ্রিসের হেডে বলের সংযোগটি মোটেও ভালো হয়নি; ফলে বল গোলপোস্টের অনেক ওপর দিয়ে মাঠের বাইরে চলে যায়। গোলকিক পায় জাপান।
ম্যাচটিতে এখন পর্যন্ত গোলশূন্য সমতা। গোলমুখ খুলতে দুই দলই যেন একটি বিশেষ ম্যাজিক বা স্পার্কের অপেক্ষায় আছে!
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ০-০ জাপান
২৬ মিনিট: বাঁ প্রান্তে দুর্দান্তভাবে একটি বলের পেছনে তাড়া করলেন সেই অক্লান্ত মায়েদা। বলটি মাঠের বাইরে যাওয়ার আগেই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তিনি পাস বাড়ান কামাদার উদ্দেশ্যে। তবে বক্সের ভেতর বাড়ানো কামাদার ক্রসটি কোনো ঝামেলা ছাড়াই ক্লিয়ার করে দেন ডাচ ডিফেন্ডার ফন ডে ভেন।
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ০-০ জাপান
২৮ মিনিট: জাপানের চমৎকার এক আক্রমণ! ডান প্রান্ত থেকে দোয়ান চমৎকারভাবে বল বাড়িয়েছিলেন মায়েদাকে লক্ষ্য করে। তবে আলতো ছোঁয়ায় মায়েদার পাসটি ঠিকঠাক জায়গায় পৌঁছায়নি। ফিরতি বলে বক্সের প্রায় ২২ গজ দূর থেকে শট নিয়েছিলেন ইতো, কিন্তু তার জোরালো শটটি গোলপোস্টের অনেক ওপর দিয়ে চলে যায়।
স্কোর: নেদারল্যান্ডস ০-০ জাপান
১৪ মিনিট: অক্লান্ত পরিশ্রমি মায়েদা মাঠের বাঁ প্রান্ত দিয়ে দারুণ দক্ষতায় বল নিয়ে ঘুরেই ওলন্দাজ ডিফেন্ডার ডামফ্রিসকে পরাস্ত করলেন, আদায় করে নিলেন একটি কর্নার। তবে কর্নার থেকে তেমন কোনো সুবিধা করতে পারেনি জাপান।
পর মুহূর্তেই বাঁ দিক থেকে আবারও আক্রমণে ওঠে ব্লু সামুরাইরা। কুভো চমৎকার এক পাস বাড়ান ওভারল্যাপ করে ভেতরে ঢুকে পড়া নাকামুরার উদ্দেশ্যে। নাকামুরা এরপর মায়েদাকে লক্ষ্য করে বক্সের ভেতর একটি বিপজ্জনক নিচু ক্রস বাড়িয়েছিলেন, কিন্তু নিয়ার পোস্টে দারুণভাবে স্লাইড করে সেটি রুখে দেন ফন হেকে। নেদারল্যান্ডসের জন্য এটি ছিল এক নিশ্চিত রক্ষা!
১১ মিনিট: ম্যাচের প্রথম গোল করার সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল নেদারল্যান্ডস। তবে মাঠের নিয়ন্ত্রণ আর বল পজিশনে এখন পর্যন্ত জাপানকেই বেশি উজ্জ্বল দেখাচ্ছে। জাপানি ফুটবলাররা যখন মাঝমাঠে বল পাসের মহড়া দিচ্ছেন, ঠিক তখনই আইটিভি-র (ITV) মাইক্রোফোনে কিংবদন্তি ধারাভাষ্যকার জন চ্যাম্পিয়ন দারুণ এক তথ্য দিলেন।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রথম নেদারল্যান্ডস দল তাদের নিজেদের দেশের ঘরোয়া লিগের (ইরেডিভিসি) কোনো খেলোয়াড় ছাড়াই শুরুর একাদশ সাজিয়ে মাঠে নেমেছে!
রাত ১টা ৫০ মিনিট
বিশ্বকাপ ইতিহাসে এই প্রথম কোনো ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের শুরুর একাদশে নেই ডাচ শীর্ষ লিগের কোনো খেলোয়াড়। অথচ প্রতিপক্ষ জাপানের শুরুর একাদশেই ওই লিগে খেলা দুই ফুটবলার রয়েছেন, আয়াসে উয়েদা ও সুয়োশি ওয়াতানাবে।
