ভারতের হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আএসএস) প্রভাবশালী নেতা দত্তাত্রেয় গত মাসে সংবাদসংস্থার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে হোসাবালেকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, পাকিস্তান এবং সন্ত্রাসবাদে তাদের পৃষ্ঠপোষকতার বিষয়ে ভারতের কী করা উচিত। এর উত্তরে তিনি বলেছিলেন যে, ভারতের নিরাপত্তা বজায় রেখে আলোচনার দরজা খোলা রাখা উচিত।
তিনি আরও বলেছিলেন, “একটি দেশের নিরাপত্তা ও আত্মসম্মান রক্ষা করতে হবে এবং ক্ষমতাসীন সরকারের উচিত এর যত্ন নেয়া। কিন্তু একই সঙ্গে আমাদের দরজা বন্ধ করার প্রয়োজন নেই। তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে আমাদের সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে।”
হোসাবালের সেই মন্তব্যের সমর্থনে শনিবার ভাগবত বলেন, পাকিস্তানে এমন অনেকেই আছেন যারা বিশ্বাস করেন যে, দেশভাগ হওয়া উচিত হয়নি। তিনি আরও বলেন, সেখানকার বেশ কয়েকজন সাংবাদিক ‘আরএসএস’-এর কাজের “প্রশংসা” করেন।
তিনি বলেন, সেখানে পাকিস্তান-বিরোধী এবং দ্বিজাতি তত্ত্বের বিরুদ্ধে মানুষের একটি সুস্পষ্ট অন্তঃস্রোত রয়েছে এবং তারা বলে যে একসঙ্গে থাকাই ভালো ছিল।”
ভাগবত আরও বলেন যে, ভবিষ্যতে, ভারত যদি পাকিস্তানকে এমনভাবে পরাজিত করে যে, তার আর কোনো প্রতিকার হবে না, তবে তাদের জনগণকে হয় ভারতের ছায়ায় গ্রহণ করতে হবে অথবা সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে দিতে হবে, এবং এই উভয় পরিস্থিতির জন্যই, “আমরা হিটলারের মতো নই। সেটা আমাদের স্বভাব বা পথ নয়। তাই আমাদের কিছু দরজা খোলা রাখতে হবে। আমাদের অবিচার ও স্বৈরাচারকে পরাস্ত করা উচিত, কিন্তু যা ভালো, তা-ও রক্ষা করা প্রয়োজন,” তিনি বলেন।
তবে আরএসএস প্রধান এও স্পষ্ট করে দেন যে, পররাষ্ট্র বিষয়ে সংগঠনটির কোনো স্বাধীন নীতি নেই এবং তারা কেন্দ্রের অবস্থানের সঙ্গেই রয়েছে।
