কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে রীতিমতো হৈচৈ ফেলে দিয়েছিল সৌদি আরব। গ্রিন ফ্যালকনরা এবার মুখোমুখি আরেক লাতিন জায়ান্ট উরুগুয়ের। আগামীকাল ভোর ৪টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে শুরু হবে ‘এইচ’ গ্রুপের ম্যাচটি। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে দু’বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে রয়েছে ১৭ নম্বরে। অন্যদিকে ৬১ নম্বরে সৌদি আরব। হার্ভে রেনার্ডের পর সৌদি আরবের কোচের দায়িত্ব নিয়েছেন জর্জোস ডোনিস। আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের কোনো অভিজ্ঞতা নেই তার। উরুগুয়ের ডাগআউট সামলাচ্ছেন অভিজ্ঞ মার্সেলো বিয়েলসা। তার হাই প্রেসিং ফুটবলে নতুন করে ঘুরে দাঁড়িয়েছে উরুগুয়ে। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের বিপক্ষে বাছাই পর্বে ব্যাক টু ব্যাক জয় তুলে নেয় ভালভার্দে-নুনেজরা।
হেড টু হেড
মুখোমুখি তিন লড়াইয়ে একটি করে জয়-পরাজয় উভয়ের। ২০০২ সালে প্রীতি ম্যাচে উরুগুয়েকে ৩-২ গোলে হারায় সৌদি আরব। ২০১৪তে ১-১ সমতা এবং ২০১৮ বিশ্বকাপে লুইস সুয়ারেজের গোলে সৌদিকে ১-০তে হারায় উরুগুয়ে। এশিয়ান দলগুলোর বিপক্ষে বিশ্বকাপে কখনো হারেনি লাতিন জায়ান্টরা। ৪ ম্যাচে তাদের অর্জন তিন জয় ও এক ড্র।
এক্স ফ্যাক্টরস
অধিনায়ক সালেম আল দাওসারিই সৌদির প্রাণভোমরা। ২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে তার গোলে ঐতিহাসিক জয় ছিনিয়ে নেয় সৌদি। আল হিলালের হয়ে সব প্রতিযোগিতায় ৩৮ ম্যাচে দাওসারির অবদান ১১ গোল ও ১০ অ্যাসিস্ট।
আর উরুগুয়ে তাকিয়ে থাকবে রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ফেদে ভালভার্দের দিকে। কোচ বিয়েলসার মূল চালিকাশক্তি এই মিডফিল্ডার। গত মৌসুমে রিয়ালের হয়ে ৪৯ ম্যাচে ৯ গোলের পাশাপাশি ১৩টি অ্যাসিস্ট করেছেন ভালভার্দে।
৯৪’র সুখস্মৃতি ফেরাবে সৌদি?
যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ১৯৯৪ বিশ্বকাপে অভিষেক হয় সৌদি আরবের। সেবার নেদারল্যান্ডসের কাছে হার দিয়ে আসর শুরু হলেও মরক্কো ও বেলজিয়ামের বিপক্ষে জয়ে শেষ ষোলোতে জায়গা করে নেয় ফ্যালকনরা। এর পর পাঁচটি আসরে অংশ নিলেও তাদের দৌড় থামে গ্রুপ পর্বেই।
ম্যাচ গোল অ্যাসিস্ট
দাওসারি ১০৭ ২৬ ১৩
ভালভার্দে ৭৩ ৯ ২
