ঢাকার সড়কে পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে। বদলে গেছে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা। অথচ মাত্র দেড় মাস আগেও ছিল অন্যরকম চিত্র। মোড়গুলোতে ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করা ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। জেব্রা ক্রসিং দখল করে দাঁড়িয়ে থাকতো বাস, প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল। কিন্তু এখন সেই চিত্র এখন আর নাই। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে লাল বাতি জ্বলার সঙ্গে সঙ্গেই থামছে যানবাহন। আবার সবুজ বাতি জ্বললেই আগাচ্ছে গাড়ির চাকা। ট্রাফিক পুলিশ বলছে, এই পরিবর্তনের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) নজরদারি ব্যবস্থা। ঢাকা মহানগরে চলাচল করা গাড়ির চালকরা এখন সচেতন। তারাও ট্রাফিক আইন মান্য করতে শিখেছেন। কারণ এআই বোঝে না কার কী পরিচয়। সড়ক বাতি অমান্য করলেই মামলা নোট করে পাঠিয়ে দেয় মালিকের ঠিকানায়। এই মামলা থেকে বাঁচতে শুরু হয়েছে এক নতুন প্রতারণা কৌশল। নম্বর প্লেট ঢেকে কিংবা ইঞ্জিন নম্বর ব্যবহার করে রাজধানীতে চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে অনেক গাড়িকে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ৭ই মে রাজধানীর বিভিন্ন মোড়ে পরীক্ষামূলকভাবে এআই ক্যামেরা স্থাপনের পর থেকে ১লা জুন পর্যন্ত ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে ৬৮৯টি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩১২টি মামলা হয়েছে বাসের বিরুদ্ধে। ব্যক্তিগত গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ১৫০টি এবং বাকি ২২৭টি মামলা হয়েছে মোটরসাইকেল, পিকআপ, লেগুনা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার বিরুদ্ধে। ট্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, উল্টো পথে গাড়ি চালানো, ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করা, জেব্রা ক্রসিংয়ে গাড়ি উঠিয়ে দেয়া, স্টপ লাইন লঙ্ঘন, বাঁ লেন বন্ধ করে রাখা, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালানো, অবৈধ পার্কিং, ফুটপাথে গাড়ি চালানো এবং সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করাসহ বিভিন্ন অপরাধ স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করছে এআই ব্যবস্থা।
ট্রাফিকের সূত্রগুলো বলছে, প্রথমে ঢাকার ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে পিটিজেড (প্যান-টিল্ট-জুম) প্রযুক্তির এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। পরে আরও ক্যামেরা যুক্ত হওয়ায় বর্তমানে মোট ১১০টি এআই ক্যামেরা থেকে ভিডিও চিত্র সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরতে সক্ষম এসব ক্যামেরা চলন্ত বস্তু বা ব্যক্তিকে অনুসরণ করতে পারে। ‘অপটিক্যাল জুমের’ মাধ্যমে অনেক দূর থেকে স্পষ্ট ছবি বা গাড়ির নম্বরপ্লেট শনাক্ত করতে পারে বলেও জানিয়েছে ট্রাফিক বিভাগ। সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা শনাক্ত করে। বিআরটিএ’র সার্ভারে থাকা তথ্যের ভিত্তিতে গাড়ির তথ্য ডিএমপি’র সার্ভারে পাঠাচ্ছে। পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা তা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিকের নামে মামলা দিচ্ছেন। মামলার নোটিশ পাঠানো হচ্ছে ডাকযোগে।
রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ততম সিগন্যাল বাংলামোটর মোড়। রাজধানীর শাহবাগ, কাওরান বাজার, মগবাজার এলাকার দিকে যাওয়ার ব্যস্ততম সড়ক এটি। গত দু’মাস আগেও সিগন্যাল অমান্য করা ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। পরিস্থিতি সামলাতে বেগ পেতে হতো ট্রাফিক পুলিশকে। শুক্রবার সরজমিন দেখা যায়, ট্রাফিক পুলিশ এক কোণে দাঁড়িয়ে আছেন। চারদিক থেকে আসা যানবাহন নিয়ম মেনে হলুদ, সবুজ ও লাল- সব ধরনের ট্রাফিক সিগন্যাল অনুসরণ করে চলছিল। বাস, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলসহ কোনো যানবাহনের চালকই জেব্রা ক্রসিং অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যাচ্ছিলেন না। কোনো রকম ঝক্কি ঝামেলা দেখা যায়নি।
এই মোড়ের ট্রাফিক সার্জেন্ট মোশাররফ মানবজমিনকে বলেন, এআই ব্যবস্থার কারণে সবারই সুবিধা হয়েছে। আমাদের যেমন সুবিধা হয়েছে তেমনি জনগণেরও হয়েছে। তারা এখন সিগন্যাল মেনে নির্দিষ্ট সময়ে দাঁড়াচ্ছে, আবার চলাচল করছে। যানবাহনের চাপের ওপর ভিত্তি করে সিগন্যালের সময়ও নির্ধারণ করা হচ্ছে। এমন চিত্র রাজধানীতে আর দেখা যায়নি। অটো মামলা হওয়ার ভয়ে চালকরা সিগন্যাল মেনে চলছেন। তবে কিছু চালক অমান্য করেন তাদের বিরুদ্ধে অটো মামলা হয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, এআই ক্যামেরা যত বেশি স্থানে বসানো হবে তত সুফল পাবে জনগণ। সরকারি গাড়িগুলো আগে সিগন্যাল মানতে চাইতো না কিন্তু এ ব্যবস্থার কারণে তারাও এখন ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলেন। তবে ঢাকার বাইরে থেকে আসা অনেকে এ ব্যবস্থা সম্পর্কে অবগত না থাকায় তারা সিগন্যাল অমান্য করার চেষ্টা করে তখন আমরা তাদেরকে আটকে দেই। অটো মামলা হওয়ায় আমাদের ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের সিগন্যালে গল্প করতে থাকলে অনেকে সেটি ভিডিও করে ছেড়ে দেয় যে আমাদের কোনো কাজ নেই।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সিগন্যাল সোনারগাঁও মোড় সার্ক ফোয়ারা চত্বর। কাওরান বাজার, বাংলামোটর ও কাঁঠালবাগান এলাকার ব্যস্ততম এই ট্রাফিক মোড়েও দেখা যায় একই দৃশ্য। যানবাহনগুলো লাল বাতি জ্বলার সঙ্গে সঙ্গেই জেব্রা ক্রসিংয়ের আগে এসব সিগন্যাল পয়েন্টে পথচারীদের জন্যও পৃথক সিগন্যাল রয়েছে। পথচারীরা রাস্তা পারাপারের জন্য সিগন্যাল মেনে চলছেন। অনেকে আবার সিগন্যাল না মেনেই রাস্তা পার হওয়ার চেষ্টা করলে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যকে তাদের থামিয়ে দিতে দেখা যায়। এখানকার ট্রাফিক সার্জেন্ট মোসাদ্দেক বলেন, পুরো ঢাকা সিটি এআই ক্যামেরার আওতায় আনা উচিত এতে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরবে, তেমনি সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে জনবলের কম প্রয়োজন হবে। বিশেষ করে রাতের বেলায় বেশি কার্যকর হচ্ছে। এআই থাকায় এখন মামলার ভয়ে কেউ সিগন্যাল অমান্য করছেন না। আগে রাতের বেলায় ট্রাক-বাস যে যার মতো চলাচল করে জ্যাম লাগিয়ে দিতো এখন আর সেটি দেখা যায় না। মাঝে মাঝে অনেক মোটরসাইকেল অমান্য করে থাকে সেগুলোর বিরুদ্ধে অটো মামলা হয়ে যায়।
দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানীর শাহবাগসংলগ্ন হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ক্রসিংয়ে দেখা যায়, বেশির ভাগ যানবাহন এক থেকে দেড় মিনিটের ট্রাফিক সিগন্যাল মেনেই চলছে। সিগন্যাল মেনেই সবুজ বাতি জ্বলার সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনগুলো শাহবাগ থেকে মিন্টো রোডের দিকে যাচ্ছে। শাহবাগগামী বিহঙ্গ পরিবহনের চালক লাল বাতি দেখে বাস থামিয়ে দিলেন। চালক ইব্রাহীম বলেন, এআই ক্যামেরা থাকায় এখন সিগন্যাল অমান্য করা যায় না, অটো মামলা হয়ে যায়। আগে ট্রাফিক পুলিশ সিগন্যাল দিলেও অনেকে অমান্য করতো। একজনের দ্বারা সবাইকে কন্ট্রোলে আনা যেতো না। অনেকে আবার পুলিশকে ম্যানেজ করতেন। এখন তো আর সেই সিস্টেম নেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা হয়ে যায়। আর রাতের বেলায় তো ট্রাফিক না থাকার কারণে যে যার মতো করে বাস চালিয়ে জ্যাম লাগিয়ে দিতো এখন আর সেগুলো হচ্ছে না। এআই ক্যামেরা আরও বাড়ানো উচিত বলে দাবি জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, গুলিস্তান, পল্টন মোড়ে এআই ক্যামেরা স্থাপন করা প্রয়োজন। পল্টন মোড়ে রাতের বেলায় ট্রাফিক পুলিশ না থাকায় অনেক যানজট লেগে থাকে। এআই থাকলে আর কেউ ইচ্ছেমতো মোড় দিয়ে গাড়ি প্রবেশ করাতে পারবে না।
ইন্টারকন্টিনেন্টাল ক্রসিংয়ে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্য এমরান হোসেন বলেন, আগে ট্রাফিক সিগন্যাল মানা ও না মানা নিয়ে যানবাহনের চালক ও মালিকদের সঙ্গে নানা তর্ক-বিতর্ক হতো। এখন ক্যামেরায় সবকিছু ধারণ হওয়ায় সেই ঝামেলা নেই। সবাই সঠিকভাবে সিগন্যাল মানছে। যেই ৩০টি স্থানে এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে সে সকল এলাকায় যানজট নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।
চালকরা জানিয়েছেন, সড়কে বহুমুখী সংকটের কথা। তাদের মতে, লাইসেন্সধারী এবং নিবন্ধিত যানবাহন কঠোর আইন ও নিয়ম-কানুনের বেড়াজালে আটকা পড়ছে। কিন্তু অনিবন্ধিতরা থেকে যাচ্ছে অনেকটা ধরাছোঁয়ার বাইরে। অথচ সড়কে সমস্যার অন্যতম কারণ লাইসেন্সবিহীন চালক আর অনিবন্ধিত যানবাহন। ট্রাফিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এআই ক্যামেরায় ধারণা করা ফুটেজ কালেক্ট (সংগ্রহ) করছে। সেটাকে আবার ম্যানুয়ালি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। কাজ করতে গিয়ে বাস্তব কিছু সমস্যা দেখা যায়। এর মধ্যে বিভিন্ন গাড়ির নম্বর প্লেট সঠিক অবস্থায় নেই, কিছু কিছু ভাঙা, কিছু অস্পষ্ট। ফোনে সরাসরি মেজেস দিলে অনেক ক্ষেত্রে ভুল হয়ে যেতে পারে।
এজন্য ম্যানুয়ালি দেখে মামলা দেয়া হচ্ছে। এরপর যেসব মামলা নিশ্চিত করা হচ্ছে সেই গাড়ির নিবন্ধিত সেলফোনে বার্তা পাঠানো হচ্ছে এবং একটি অভিযোগের নোটিশ তার ঠিকানায় পাঠানো হচ্ছে। সেই চিঠিতে সশরীরে হাজির হয়ে মামলাটা নিষ্পত্তি করতে ১৫ দিনের সময় দেয়া হচ্ছে। যার বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হচ্ছে, তার ২৫ সেকেন্ডের একটা ভিডিও প্রমাণ হিসেবে রাখা হচ্ছে। সশরীরে এসে দায় নিয়ে নিলে জরিমানা দিয়ে মামলা নিষ্পত্তি হবে অথবা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আপিল করার সুযোগ থাকবে। ডিএমপি’র তথ্য অনুযায়ী, শুরুর দিকে প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩০০ গাড়ি ওভার স্পিড করতো। ক্যামেরার ফুটেজ থেকে মামলা দেয়া শুরুর পর ধারাবাহিকভাবে এটি কমে এসেছে। বর্তমানে ২০-২৫টিতে নেমে এসেছে মামলার সংখ্যা। সড়কে আইন অমান্য করলে অপরাধের ধরন অনুযায়ী, ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কাটার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত এক হাজারের বেশি চালকের লাইসেন্সের পয়েন্ট কাটা হয়েছে।
কোন অপরাধে কতো জরিমানা: ট্রাফিক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকা, মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স ব্যবহার করার অপরাধে প্রথমবার বড় গাড়ির (ব্যক্তিগত গাড়ি, বাস, ট্রাক, লেগুনা) ক্ষেত্রে ৫ হাজার, আর ছোট গাড়ির ক্ষেত্রে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হচ্ছে। গাড়ির ফিটনেস না থাকা, মেয়াদোত্তীর্ণ ফিটনেস, অনুমতি ছাড়া গাড়ির রঙ পরিবর্তন করার অপরাধে বড় গাড়ির ক্ষেত্রে প্রথমবার ১০ হাজার এবং ছোট গাড়ির ক্ষেত্রে ৩ হাজার টাকা জরিমানা হচ্ছে। রেজিস্ট্রেশন না থাকা, রেজিস্ট্রেশন থাকা সত্ত্বেও নম্বরপ্লেট ব্যবহার না করার অপরাধে বড় ও ছোট গাড়ির ক্ষেত্রে প্রথমবার ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হচ্ছে।
বেপরোয়া গাড়ি চালানো, বাঁ লেন বন্ধ করা, গাড়ির ভাঙা কাঁচ ব্যবহার, নির্দেশক বাতি না থাকা এবং সড়কে চলাচল অনুপযোগী গাড়ি (নসিমন, করিমন, ইজিবাইক, মোটরচালিত অটোরিকশা) চালানোর অপরাধে প্রথমবার ২ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হচ্ছে। গাড়ি থামিয়ে প্রতিবন্ধকতা বা যানজট সৃষ্টি করা, উল্টোপথে গাড়ি চালানো, মোটরসাইকেলে দু’জনের বেশি চড়া, হেলমেট না পরা, চলন্ত অবস্থায় যাত্রী ওঠানো-নামানো, গাড়ি চালানোর সময় মুঠোফোনে কথা বলা, সিটবেল্ট না বাঁধা, ফুটপাথে গাড়ি চালানো এবং সিগন্যাল বাতি অমান্য করার অপরাধে প্রথমবার ছোট গাড়ির জন্য ১ হাজার টাকা এবং বড় গাড়ির জন্য ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হচ্ছে। আর একই অপরাধ বারবার করতে থাকলে প্রথমবারের তুলনায় দ্বিগুণ জরিমানা গুনতে হবে।
পুলিশের গাড়ি নিয়ে বিপাকে এআই ক্যামেরা: ইঞ্জিন নম্বর ব্যবহার করে ঢাকার সড়কে যেসব যানবাহন চলাচল করে সেসব যানবাহন নিয়ে বিপাকে আছে এআই ক্যামেরা। আইন অমান্য করার প্রবণতা এখন সরকারি গাড়ির চালকদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে। তাদের গাড়িতে নম্বর প্লেটে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) রেজিস্ট্রেশনকৃত নম্বর থাকে না। ইঞ্জিন নম্বর ব্যবহার করে এসব গাড়ি চলাচল করে। ইঞ্জিন নম্বরে সবচেয়ে বেশি চলাচল করে পুলিশের গাড়ি। যেকোনো সরকারি-বেসরকারি সংস্থার গাড়ির ক্ষেত্রে নিয়মানুযায়ী বিআরটিএ’র মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু পুলিশের অধিকাংশ গাড়ি রেজিস্ট্রেশনভুক্ত নয়। তাদের গাড়ি চলে ইঞ্জিন নম্বর ব্যবহার করে।
