পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল। তার নানা জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের সুফল ইতিমধ্যে রাঙ্গামাটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে পৌঁছাতে শুরু করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি কয়েকটি মাদ্রাসায় অনুদান প্রদানের পাশাপাশি রাঙ্গামাটি শহরের অন্যতম বৃহৎ শ্মশান আসামবস্তি শ্মশানের দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সমস্যা ও তীব্র পানিসংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন তিনি। জানা গেছে, শ্মশানটির সংস্কার এবং পানির সংকট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশিত একটি স্ট্যাটাস প্রতিমন্ত্রীর নজরে আসে।
বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ সাব্বিরসহ সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দা ও শ্মশান কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে সেখানে একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়। ফলে এখন থেকে মৃতদেহ সৎকারের সময় দীর্ঘদিনের পানির অভাবজনিত ভোগান্তি অনেকাংশে দূর হবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
শ্মশান কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, গত ১৭ থেকে ১৮ বছরে শ্মশানটির উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। এমনকি প্রবেশ সড়কের অবস্থাও দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ছিল। তারা বলেন, ফেসবুকের একটি স্ট্যাটাসকে গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী যে আন্তরিকতা ও মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন তা আমাদের অত্যন্ত আনন্দিত করেছে।
