দাগনভূঞায় ২ যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু

ফন্ট সাইজ:

ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় একই দিনে দুই যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। দু’টি ঘটনা হত্যা নাকি দুর্ঘটনা- এটা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। শনিবার বিকাল ৬টার দিকে দাগনভূঞা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর করিমপুর ইনু ডাক্তার বাড়ির নিজ ঘর থেকে ইরফান আহমেদ রিফাত (৩০) বছর বয়সী এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। রিফাত ওই বাড়ির আতিক উল্যাহর দ্বিতীয় ছেলে। পুলিশ জানায়, ওই ঘরে মৃত রিফাতের বড় ভাই রিয়াদ, তার স্ত্রী ও ছোট বোন রাহামনি বসবাস করতো। তিনদিন আগে রিফাতের স্ত্রী তার বাবার বাড়ি ও রাহামনি ফুপুর বাড়িতে বেড়াতে যায়। আর রিয়াদ ও রিফাত ওই ঘরে ছিল।

রিয়াদ দাগনভূঞা বাজারে মুদি দোকানের ব্যবসা করে। দুই ভাইয়ের মধ্যে মনোমালিন্য হওয়ায় রিফাত এক মাস ধরে দোকানে যায়নি। শনিবার বিকালে রিফাতের স্ত্রী পিতার বাড়ি থেকে আসার পর ঘরে দুর্গন্ধ পেয়ে ঘরের দরজা খুলে পচাগলা মরদেহ দেখে বাড়ির লোকজনকে ডাকে। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। এদিকে, মাতুভূঞা ইউনিয়নের মমারিজপুরে শনিবার ভোরে মোহাম্মদ হেদায়েতুল ইসলাম প্রকাশ ইকবাল (২৪) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মৃত ইকবাল মমারিজপুর গ্রামের মান্নান মিয়ার নতুন বাড়ির মৃত আবদুল মান্নানের ছেলে। জানা গেছে, সকালে মমারিজপুরে নিজ বাড়ির দরজায় স্থানীয়রা সড়কে মোটরসাইকেলসহ তাকে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি ডুলিবাঁশ উদ্ধার করা হয়। নিহতের স্ত্রী মর্জিনা আক্তার হাসনার অভিযোগ, ইকবালকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তবে তিনি এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করেননি।

দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান বলেন, দু’টি মৃত্যু হত্যাকাণ্ড নাকি দুর্ঘটনার কারণে হয়েছে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন