ঢাকার রাস্তায় স্টিয়ারিং হাতে প্রধানমন্ত্রী

ঢাকার রাস্তায় স্টিয়ারিং হাতে প্রধানমন্ত্রী

ফন্ট সাইজ:

সচিবালয় থেকে নিজেই গাড়ি চালিয়ে আগারগাঁও ‘বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে’ একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় গাড়িতে পাশের সিটে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সচিবালয়ের অফিস থেকে রওনা দিয়ে চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ এডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিয়েশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে যান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক ভিডিওতে দেখা যায়, সন্ধ্যার পর সচিবালয়ের অফিস থেকে বের হন প্রধানমন্ত্রী। এরপর স্ত্রীকে পাশের সিটে বসিয়ে নিজেই বসেন ড্রাইভিং সিটে। বৃষ্টিভেজা সড়কে দক্ষ হাতে গাড়ি চালিয়ে রওনা হন চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে।

পথে সিগন্যাল মেনে যানজটে আটকা পড়ে প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি। এ সময় আশপাশের যানবাহনে থাকা যাত্রীরা হাতের ইশারায় প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে তাদের অভিবাদন জানান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়ার পর এই প্রথম স্ত্রীকে নিয়ে গাড়ি চালালেন তারেক রহমান। এর আগে গত বছর লন্ডনে প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও মা বেগম খালেদা জিয়াকে হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে গাড়ি চালিয়ে নিজের বাসভবনে নিয়ে যান তারেক রহমান।

গাড়িবহর থামিয়ে রোগীর এম্বুলেন্সকে পথ করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
নিজের গাড়িবহর থামিয়ে রোগীর এম্বুলেন্সকে পথ করে দিতে নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার সকালে গুলশানের বাসা থেকে সচিবালয়ে আসার সময় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাওরান বাজারের প্রান্তে এটা হয়েছে বলে জানান তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশানের বাসা থেকে সকালে রওনা হয়ে এক্সপ্রেসওয়ের পথে কাওরান বাজারের কাছে পথ দিয়ে চলার সময় হঠাৎ গাড়ির লুকিং গ্লাসে দেখেন যে, বহরের পেছনে একটি এম্বুলেন্স রয়েছে। ইতস্তত করছেন, এগোবে কি এগোবে না। প্রধানমন্ত্রী এটা দেখে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন যেন দ্রুত এম্বুলেন্সটি যেতে দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশে বহর থামিয়ে এম্বুলেন্সটি যেতে পথ করে দেয়া হয়।

Lima

২ মাস আগে

Thanks প্রধান মন্ত্রী কে।কিন্তু এটা প্রচারের বিষয় নয়।এটা মানবিক দায়িত্ব। আর গাড়ি চালানো নিজ দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী নিজে গড়ি ড্রাইভ করলে জনগণের কোন উপকার হয় না।

ডক্টর ফয়েজুর

২ মাস আগে

নাগরিককে এমন সম্মান প্রদর্শন শুধুমাত্র একজন নিরহংকারী, মার্জিত প্রধানমন্ত্রীকেই মানায়। আপনার এমন সভ্য আচরণ জনগনকে আশাবাদী করে। আপনার কল্যান কামনা করি সবসময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

MD Khan

২ মাস আগে

এটাই শহীদ জিয়ার আদর্শ। এটাই প্রকৃত দেশপ্রেম। এটাই আমাদের নতুন প্রধানমন্ত্রী। এটাই তার আদর্শ। এটাই আমাদের প্রেরণা, প্রেরণার উৎস।
সবার আগে বাংলাদেশ।

মন্তব্য করুন