ন‍্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অপরিহার্য

ন‍্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অপরিহার্য

ফন্ট সাইজ:

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বলতে এমন একটি ব্যবস্থা বোঝায় যেখানে বিচারকরা আইন ও প্রমাণের ভিত্তিতে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে বিচার করে রায় দেন। এমন ব‍্যবস্থায় বিচারকরা নির্বাহী বিভাগ বা আইন বিভাগ থেকে কোনো ধরনের প্রভাব, চাপ বা হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন। ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য জন‍্য মৌলিক শর্ত হলো, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা। মুখে শুধু বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়েছে বললে হবে না, বরং বিচার বিভাগ যে স্বাধীন তা জণগণের কাছে প্রতিয়মান হতে হবে। বিংশ শতাব্দীর প্রভাবশালী বৃটিশ বিচারপতি Lord Denning এর ভাষায় “It is of the greatest importance that the judiciary should be independent of the executive, and that it should be known to be independent” (অর্থাৎ “বিচার বিভাগ যে নির্বাহী বিভাগ থেকে স্বাধীন এবং তা যে স্বাধীন হিসেবেই পরিচিত—এ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ”)।
বিচারকগণ যখন কোনো রাজনৈতিক চাপ, ভীতি বা প্রলোভন ছাড়া স্বাধীনভাবে আইন প্রয়োগ ও রায় দিতে পারেন, তখনই কেবল প্রকৃত ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়। স্বাধীন বিচার বিভাগ ছাড়া সাধারণ জনগণের অধিকার অনেকটা কেবল কাগজের মধ্যেই লিপিবদ্ধ থাকে, বাস্তবে এর তেমন প্রতিফলন দেখা যায় না। সাবেক বৃটিশ লর্ড চীফ জাস্টিস Lord Woolf বলেন, “Without an independent judiciary, the rights of the citizen are just paper rights; they look nice on parchment but mean nothing in practice” (অর্থাৎ “স্বাধীন বিচারব্যবস্থা ছাড়া নাগরিকদের অধিকার কেবল কাগজেই সীমাবদ্ধ থাকে; নথিপত্রে সেগুলো দেখতে চমৎকার মনে হলেও বাস্তবে তার কোনো অর্থ বা কার্যকারিতা থাকে না”)।
রাষ্ট্রের মধ‍্যে শক্তিশালী ও ক্ষমতাশালী সত্ত্বা হচ্ছে, সরকার - রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগ (Executive Arm of the State)। যেখানে শক্তি ও ক্ষমতা থাকে সেখানেই সাধারণত এগুলোর অপব্যবহার হওয়ার সম্ভাবনা ও আশঙ্কা থাকে। Lord Acton- এর ভাষায় “Power tends to corrupt. Absolute power corrupts absolutely” (অর্থাৎ “ক্ষমতা মানুষকে দুর্নীতিপরায়ণ করে তোলে; আর নিরঙ্কুশ ক্ষমতা মানুষকে পুরোপুরি দুর্নীতিগ্রস্ত করে”)। বিচার বিভাগ সরকারের একচ্ছত্র ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণে ‘চেক অ্যান্ড ব‍্যালেন্স’ হিসেবে কাজ করে। রাষ্ট্রের শক্তিশালী ও ক্ষমতাশালী অঙ্গকে আইনের গন্ডির মধ্যে রাখতে বিচার বিভাগকে স্বাধীন ও দৃঢ়চেতা হতে হয়।
অপরদিকে রাষ্ট্রের সাধারণ নাগরিকরা হলেন অনেকটা দুর্বল, ক্ষমতাহীন ও নিরীহ। শক্তিশালী ও নিরীহ এই দুই প্রান্তের মধ‍্যে ভারসাম্য রক্ষা করে বিচার বিভাগ। মার্কিন জুরিস্ট William Henry Rawle বলেন “The independence of the judiciary is the shield of the state against oppression” (অর্থাৎ “বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হলো নিপীড়নের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের ঢাল”)। বিচার বিভাগ হলো নাগরিক অধিকারের রক্ষক। একবিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বৃটিশ বিচারপতি Lord Bingham এর ভাষায় “The court is the ultimate protector of the rights of the individual against the power of the state” (অর্থাৎ “রাষ্ট্রের ক্ষমতার বিপরীতে ব্যক্তির অধিকারের চূড়ান্ত রক্ষক হলো আদালত”)।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রধান বিচারপতি Justice William Rehnquist - এর মতে “An independent judiciary is the crown jewel of our constitutional system” (অর্থাৎ “একটি স্বাধীন বিচার বিভাগ আমাদের সাংবিধানিক ব্যবস্থার মুকুটমণি”)। বাংলাদেশেও সর্বোচ্চ আদালত একাধিক রায়ে independence of judiciary’কে basic structure of the Constitution (সংবিধানের মৌলিক কাঠামো) হিসেবে ঘোষণা করেছে। উচ্চ আদালতের স্বাধীনতার ব্যাপারে সংবিধানের ৯৪(৪) অনুচ্ছেদ স্পষ্টভাবে বলেছে “এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারক বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন”। নিম্ন আদালতের বিচারকদের স্বাধীনতার ব্যাপারে একই সাংবিধানিক বিধান আমরা দেখতে পাই। সংবিধানের ১১৬ক অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিগণ এবং ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন”।
সংবিধানে ভালো ও সুন্দর বিধান থাকলেও বাস্তবে এগুলোর অনেক সময় প্রতিফলন ঘটে না। নিম্ন আদালত বাংলাদেশে কতটুকু স্বাধীন তা সংশ্লিষ্টরা ভালো করে জানেন। নিম্ন আদালতের বিচারকদের বদলি ও পদোন্নতি আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ‍্যমে মূলতঃ সরকারের হাতে থাকায় তারা কতটুকু স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন তা এক বিরাট প্রশ্ন। রাষ্ট্রের শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের জন‍্য স্বতন্ত্র সচিবালয় থাকলেও বিচার বিভাগের জন‍্য স্বতন্ত্র কোনো সচিবালয় ছিল না। ফলে বিচার বিভাগ সবসময় নির্বাহী বিভাগের উপর নির্ভরশীল ছিল। স্বাধীনতার পর থেকে কোনো সরকারই বিচার বিভাগের জন‍্য স্বতন্ত্র সচিবালয় স্থাপন করেনি বা করতে দেয়নি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অর্ডিন্যান্স পাস করে বিচার বিভাগের জন্য স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করলেও বর্তমান সরকার সেই অর্ডিন্যান্স বাতিল করে স্বতন্ত্র সচিবালয়টি গুটিয়ে নিয়েছে।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা দুটি দিক আছে: একটি হচ্ছে প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা । আর অপরটি হচ্ছে,  বিচারকদের ব‍্যক্তিগত স্বাধীনতা। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে, সংবিধানে অনেক সুন্দর সুন্দর অনুচ্ছেদ থাকার পরও স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার আইন বাতিল করে বিচার বিভাগের জন্য গঠিত সচিবালয় গুটিয়ে নেয়ার কারণে এবং সর্বোচ্চ আদালতের দেয়া মাজদার হোসেন মামলার রায় বিশেষ করে ওই রায়ে দেয়া ১২ দফা ডাইরেক্টটিভগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন না কারার কারণে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হোঁচট খেয়েছে।

অপরদিকে, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থাকার পরও বিচার বিভাগকে সত্যিকার অর্থে পৃথক করা হচ্ছে না। সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, “রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ হইতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন”। বিচার বিভাগ যদি নির্বাহী বিভাগের উপর নির্ভরশীল ও মুখাপেক্ষী থাকে, তাহলে তারা স্বাধীন ও দৃঢ়ভাবে ন‍্যায় বিচার নিশ্চিত করবেন কিভাবে? ফরাসি দার্শনিক Montesquieu তার The Spirit of the Laws (1748) বইতে উল্লেখ করেন “There is no liberty, if the power of judging be not separated from the legislative and executive powers" (অর্থাৎ “বিচারিক ক্ষমতা যদি আইন প্রণয়নকারী ও নির্বাহী ক্ষমতা থেকে পৃথক না থাকে, তবে কোনো স্বাধীনতা থাকে না”)।

উচ্চ আদালতে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সৎ, মেধাবী, দক্ষ ও যোগ্য ব‍্যক্তিত্বদেরকে যদি বিচারক হিসেবে নিয়োগ দেয়া না হয় তাহলে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ও সাংবিধানিকভাবে বিচার বিভাগ যতই স্বাধীন মনে করা হোক না কেন, ব‍্যক্তিগতভাবে বিচারকরা স্বাধীন হতে পারবেন না। তাদের অযোগ্যতা, অদক্ষতা, অসততা ও দলীয়ভাবে নিয়োগ দান তাদেরকে বিভিন্নভাবে পরাধীন করে রাখবে। ব‍্যক্তিগত স্বাধীনতা অনেকটা আপেক্ষিক (relative) ব্যাপার। যার সততা ও ইন্টেগ্রিটিতে কোনো দাগ নেই, যার যোগ্যতা ও দক্ষতার অতীতের ট্র্যাক রেকর্ড খুব ভালো, তার স্বাধীনতা ও দৃঢচেতার মানদণ্ড থাকবে অনেক উঁচু ও উন্নত। আর যদি কোনো দলীয় ক‍্যাডারকে তার দলীয় কনট্রিবিউশন ও আনুগত্যের বিবেচনায় অন‍্যান‍্য গুরুত্বপূর্ণ ক্রাইটেরিয়াগুলোকে গৌণ ভেবে বা পাশ কাটিয়ে বিচারক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় তার কাছ থেকে কেমন স্বাধীনতা আশা করবেন! তিনি কি সরকারের মুখামুখি দাঁড়িয়ে সাহস করে নাগরিকদের অধিকারের পক্ষে ন‍্যায় বিচার করতে পারবেন? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট John Adams এর ভাষায় “A judge who is afraid of the government is a danger to the liberties of the people” (অর্থাৎ “সরকারকে ভয় পান এমন বিচারক জনগণের স্বাধীনতার জন্য বিপজ্জনক”)। 

বিচারকদের স্বাধীনতার প্রশ্ন আসলে তাদের বেতন ও ভাতার প্রসঙ্গ আসে। দু:খজনক হলেও সত্য যে, অন‍্যান‍্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে বিচারকদের অনেক কম বেতন দেয়া হয়। বাংলাদেশে বিচারকদের বেতন রাষ্ট্রের অন‍্য অঙ্গের সরকারি কর্মকর্তাদের বেতনের স্কেলের সাথে তুলনা হয় যা ঠিকও নয়, উচিতও নয়। বিচারকদের ভাল ও উন্নত বেতন, ভাতা ও সুবিধাদি নিশ্চিত না করলে দক্ষ ও মেধাবী আইনজীবীদের উচ্চ আদালতে বিচারক হিসেবে পাওয়া যাবে না। স্বাভাবিকভাবে মাসে ১৫/২০ লাখ টাকা আয় করা আইনজীবী মাসে এক লাখ টাকা বেতনের বিচারক হতে চাইবে না। ফলে মেধাবী ও কমপিটেন্ট আইনজীবীদের জন‍্য বিচারকদের পদ আকর্ষণীয় (Attractive) হবে না।

বিভিন্ন শ্রেণির বিচারকদের বেতনের সাথে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, এমপি, সচিব ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বেতন ও স্কেল তুলনা যৌক্তিক নয়, প্রাসঙ্গিকও নয়। তাদের স্ব স্ব কার্যক্ষেত্র ও দায়িত্ব এবং ক্ষমতার ধরন সম্পূর্ণ ভিন্ন ও আলাদা। বৃটেনে এভাবে বিচারক ও নির্বাহী বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বেতন ও স্কেল তুলনা করে আনুপাতিক হারে নির্ধারণ করা হয় না। যেমন বৃটেনে প্রধানমন্ত্রীর বার্ষিক বেতন হচ্ছে £174,039, মন্ত্রীদের বার্ষিক বেতন হচ্ছে £166,104, বৃটিশ এমপিদের বার্ষিক বেতন হচ্ছে £98,599, সচিবদের বার্ষিক বেতন হচ্ছে £155,000 to £220,000। অপরদিকে, বৃটেনে সর্বনিম্ন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের বিচারকের বেতন হচ্ছে £114,705, বৃটিশ ডিস্ট্রিক্ট জজের বার্ষিক বেতন হচ্ছে £144,350, বৃটিশ হাইকোর্টে বিচারপতিদের বার্ষিক বেতন হচ্ছে £242,289, কোর্ট অব আপীলের বিচারপতিদের বার্ষিক বেতন হচ্ছে £275,885, বৃটিশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের বার্ষিক বেতন হচ্ছে £290,122, সুপ্রিম কোর্টের প্রেসিডেন্টের (বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির সমমর্যাদা) বার্ষিক বেতন হচ্ছে £300,370, বৃটিশ জুডিশিয়ারীর হেড লর্ড চিফ জাস্টিসের বার্ষিক বেতন হচ্ছে £336,385।

উপরে উল্লিখিত বৃটেনের বার্ষিক বেতন স্ট্র‍াকচার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর বার্ষিক বেতন বৃটিশ হাইকোর্টের বিচারপতির চেয়ে অনেক কম। বৃটিশ এমপির বার্ষিক বেতনও বৃটেনের সর্বনিম্ন কোর্টের বা ট্রাইব্যুনালের বিচারকের চেয়ে অনেক কম। বৃটিশ জুডিশিয়ারীর প্রধান লর্ড চীফ জাস্টিস বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর বেতনের প্রায় দ্বিগুণ পান। বেতনের এই তারতম্য কি রাষ্ট্রের দুটি বিভাগের মধ্যে কোন টেনশন, উদ্বেগ বা উত্তেজনা সৃষ্টি করে? মোটেই না। বেতনের এই তারতম্য নিয়েই রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তর ও অঙ্গগুলো স্মুথলি চলছে দশকের পর দশক, এমনকি শতাব্দীর পর শতাব্দী। মূলতঃ বেতনের স্কেল আর পরিমান দিয়ে দায়িত্ব, কর্মপরিধি ও পদের মান বা স্টেটাস বৃটেনে নির্ধারণ করা হয় না।

পরিশেষে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ নামক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ন্যায়বিচার নিশ্চিত, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা এবং জণগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অতি প্রয়োজনীয়। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কোনো ঘটনা বা দুর্ঘটনা মাধ্যমে অর্জিত হবে না। বরং এটি অর্জনে সব স্টেকহোল্ডারদের দায়িত্ব ও ভূমিকা রয়েছে। কানাডার সুপ্রিম কোর্টের সাবেক প্রধান বিচারপতি Richard Wagner- এর ভাষায় “Judicial independence does not happen by accident. It must be continuously nurtured, defended, and valued…..” (অর্থাৎ “বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আপনা-আপনি অর্জিত হয় না। একে নিরন্তর লালন, সুরক্ষা ও গুরুত্ব প্রদান করতে হয়….”)। নাগরিকের অধিকারের সুন্দর সুন্দর কথা যতই সংবিধানে লেখা থাকুক না কেন এগুলোর তেমন কোনো মূল্য থাকবে না যদি না রাষ্ট্রে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম প্রেসিডেন্ট Andrew Jackson- এর মতে “All the rights secured to the citizens under the Constitution are worth nothing, and a mere bubble, except guaranteed to them by an independent and virtuous Judiciary” (অর্থাৎ “সংবিধানের অধীনে নাগরিকদের জন্য সংরক্ষিত সমস্ত অধিকারই মূল্যহীন ও নিছক বুদবুদতুল্য—যদি না একটি স্বাধীন ও নীতিবান বিচার বিভাগ সেগুলোর নিশ্চয়তা প্রদান করে”)।

নাজির আহমদ: বিশিষ্ট আইনজীবী, রাষ্ট্রচিন্তক, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী এবং ইংল্যান্ডের প্র্যাকটিসিং ব্যারিস্টার।
ইমেইল: [email protected]