অস্ট্রেলিয়ায় জালিয়াতি ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে মাইগ্রেশন এজেন্ট নিষিদ্ধ, ঝুঁকিতে বাংলাদেশি এজেন্টরা

অস্ট্রেলিয়ায় জালিয়াতি ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে মাইগ্রেশন এজেন্ট নিষিদ্ধ, ঝুঁকিতে বাংলাদেশি এজেন্টরা

ফন্ট সাইজ:

মিথ্যা তথ্য প্রদান এবং আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে অস্ট্রেলিয়ার বেশ কয়েকটি এজেন্টকে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ (ওএমএআরএ)। পেশাগত আচরণের মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থতাসহ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে তাদের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে।
এতে বাংলাদেশি এজেন্টরাও ঝুঁকিতে পড়েছে। বৃহস্পতিবার বাজওয়া ইমিগ্রেশনের প্রতিষ্ঠাতা জুঝার বাজওয়ার নামের এক ব্যক্তির নিবন্ধন ৫ বছরের জন্য বাতিল করা হয়।
জুঝার বাজওয়ারের নিবন্ধন বাতিলের পর থেকে অস্ট্রেলিয়ার অভ্যন্তরীণ শরণার্থী ভিসা সংক্রান্ত বিষয় নতুন করে তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। রাষ্ট্রীয় এই নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি সন্দেহজনক অভিবাসন এজেন্টদের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান জোরদার করছে। নজরদারিতে রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ বেশ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের নিবন্ধিত মাইগ্রেশন এজেন্ট।
অস্ট্রেলিয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, কর্তৃপক্ষের তদন্তে দেখা গেছে যে, বাজওয়ার আইনসম্মত ও সততার সঙ্গে কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। অভিবাসন সহায়তার ঘোষণা দিতে ব্যর্থ হওয়া, বিভ্রান্তিকর বিবৃতি দিয়ে মিথ্যা ও ভুয়া বিজ্ঞাপনে জড়িত থাকার কারণে মাইগ্রেশন এজেন্ট জুঝার বাজওয়ার নিবন্ধনটি বাতিল করে কর্তৃপক্ষ। ওএমএআরএ কর্তৃপক্ষ জানায় এজেন্টটি একজন অসৎ ব্যক্তি এবং অভিবাসন সহায়তা প্রদানের উপযুক্ত ও যোগ্য ব্যক্তিও নন।
অবৈধ অভিবাসনে সহায়তা করেছে এবং অভিবাসন আইন ও এই খাতের সততাকে ক্ষুণ্ণ করেছে জুঝার বাজওয়ার। ওএমএআরএ কর্তৃপক্ষের শাস্তিমূলক সিদ্ধান্তে বাজওয়াকে বাতিল হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি অভিবাসন পরামর্শ খাতে একটি বৃহত্তর শুদ্ধি অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
মাইগ্রেশন পরামর্শ শিল্পের অখণ্ডতা নিশ্চিত করার জন্য মাইগ্রেশন এজেন্টস রেজিস্ট্রেশন অথরিটি এজেন্টদের অনৈতিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। ২০২৬ সালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ১৪ জন এজেন্টকে শাস্তি দিয়েছে। অভিবাসন আইনের প্রতি চরম অবজ্ঞা প্রদর্শন করে বিভ্রান্তিকর, প্রতারণামূলক বা ভুল বিবৃতি দেয়া এবং অসৎ আচরণ করায় অন্তত ৩৩টি পৃথক ঘটনায় এমন পরিষেবার জন্য অর্থ গ্রহণ করে প্রতারণামূলকভাবে আর্থিক সুবিধা লাভ করেছে এজেন্টগুলো।
নিবন্ধিত মাইগ্রেশন এজেন্টরা আস্থার পদে অধিষ্ঠিত থাকেন এবং ক্লায়েন্টদের সহায়তা করার সময় তাদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ নৈতিক ও আইনি মান বজায় রাখার প্রত্যাশা করা হয়। ভিসা আবেদনকারী, শিক্ষার্থী, পরিবার এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যারা অভিবাসন সহায়তা চান তাদের জন্য সর্বদা যোগ্য ও স্বনামধন্য পেশাদারদের সঙ্গে যুক্ত হওয়া, নিবন্ধনের অবস্থা যাচাই করা এবং স্বচ্ছ পরামর্শ গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

Hedayetullah

১ মাস আগে

এই সংবাদ প্রসংগে এত সব গল্প, কেচ্ছ-কাহিনী বলা হলো। বাংলাদেশ ঝুঁকিতে আছে। কিন্তু এই এজেন্সি কোন দেশের সেটা কেন উল্লেখ করা হলো না। এই উল্লেখ না করাটা কি ইচ্ছাকৃত না অনিচ্ছাকৃত। যদিও পাঠক একটু কষ্ট করলে খুজে পাবে কোন দেশের এজেন্সি।

N Islam

১ মাস আগে

যথার্থ বলেছেন । এই হলো আমাদের মূলধারার সংবাদমাধ্যম ।

মন্তব্য করুন