সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের একাডেমি মাঠে দক্ষিণাঞ্চলকে ১০ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট লীগের (বিসিএল) দীর্ঘ সংস্করণের নতুন মৌসুম শুরু করলো উত্তরাঞ্চল। ১৬১ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ১০ ওভারও লাগেনি আকবর আলীর দলের। দিনের আরেক ম্যাচে মধ্যাঞ্চলের বিপক্ষে দাপট ধরে রেখেছে পূর্বাঞ্চল। মুশফিকুর রহীম সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়লেও অমিত হাসানের ১৬২ রানের ইনিংসে ভর করে জয়ের সুবাস পাচ্ছে দলটি।
গতকাল ম্যাচের তৃতীয় দিনে ৬ উইকেটে ৩৭৯ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামা উত্তরাঞ্চল ৪২৬ রানে অলআউট হয়। দ্বিতীয় দিনের অপরাজিত ব্যাটার প্রিতম কুমার ১৫৫ রানে বিদায় নেন। ১৫১ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করা দক্ষিণাঞ্চল রবিউল হকের তোপে পড়ে ১৭২ রানেই গুটিয়ে যায়। ৫ উইকেট নিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের ব্যাটিং ধসিয়ে দেন ২৬ বছর বয়সী পেসার রবিউল। সামিউন বাসীর (৫৩) ও মঈন খান (৪২) চেষ্টা করলেও বড় লিড এনে দিতে পারেননি। জয়ের জন্য উত্তরাঞ্চলের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৬১ রান। ওপেনার সাব্বির হোসেনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে মাত্র ৯.৪ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় আকবর আলীর দল। ৩৫ বলে ৫৪ রান করে অপরাজিত থাকেন সাব্বির। অন্য প্রান্তে আবদুল্লাহ আল মামুন অপরাজিত থাকেন ৬৬ রানে। দাপুটে বোলিংয়ের জন্য ম্যাচসেরা হন রবিউল হক। সিলেটের মূল মাঠে ব্যাট হাতে দারুণ করেন অমিত হাসান ও মুশফিকুর রহিম। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ২১তম সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও ৮৩ রানে থামেন মুশফিক। তবে অমিত হাসান পেরেছেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তার ১১তম সেঞ্চুরিতে ১৫৬ রানের লিড পায় পূর্বাঞ্চল। ইয়াসির আলী অপরাজিত থাকেন ৭৯ রানে। পূর্বাঞ্চল অলআউট হওয়ার আগে বোর্ডে তোলে ৪৬৩ রান। মধ্যাঞ্চলের হয়ে স্পিনার রাকিবুল হাসান ১৫২ রানে ৫ উইকেট শিকার করেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে তোপের মুখে পড়ে মধ্যাঞ্চল।
খালেদ আহমেদ, ইবাদত হোসেন ও তোফায়েল আহমেদের পেস আক্রমণে মাত্র ৮২ রান তুলতেই ৭ উইকেট হারায় তারা। ইনিংস হার এড়াতে দলটির এখনো প্রয়োজন ৭৪ রান, হাতে আছে ৩ উইকেট।
