‘স্টেজে গাওয়ার সময় মা অপারেশন থিয়েটারে ছিল’

‘স্টেজে গাওয়ার সময় মা অপারেশন থিয়েটারে ছিল’

ফন্ট সাইজ:

সংগীতশিল্পী হৈমন্তী রক্ষিত দাস। মঞ্চ মাতিয়ে চলেছেন প্রায় দুই দশক ধরে। এ পর্যন্ত বেরিয়েছে তার সাতটি একক অ্যালবাম এবং অসংখ্য মিক্সড অ্যালবাম। প্লেব্যাক করেছেন বেশ কিছু চলচ্চিত্রে। গানের প্রতি ভালোবাসা জন্মগতভাবেই পাওয়া। দাদি চিত্রা রক্ষিত ছিলেন

উচ্চাঙ্গসংগীত শিল্পী। তার বাবাও ছিলেন সংগীতানুরাগী। মাও ভালো গাইতেন। ছয় বছর বয়স থেকে বাণী কুমারের কাছে গানের তালিম নেয়া শুরু হয়। প্রথম মঞ্চে ওঠেন আট বছর বয়সে। বর্তমানে ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে গানে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। সংগীতজীবনের নানা স্মৃতি নিয়ে দৈনিক মানবজমিনের সঙ্গে কথা বলেছেন হৈমন্তী। তার ভাষ্য, অনেকেই বলেন, আমার কণ্ঠের

নাকি খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। বরং ছোটবেলায় অনেকেই আমার গান শুনে মনে করতেন বড় কেউ গাইছে। গানের শিক্ষকরাও বলতেন, বয়সের তুলনায় অনেক পরিণত ছিল আমার কণ্ঠ। স্মৃতির পাতা থেকে জানালেন, প্রথম মঞ্চে ওঠেন ছোটবেলায়। এরপর আর থামেননি। পুরোদমে চালিয়েছেন সংগীত চর্চা। ১৯৯৩ সালে নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতার ‘ক’

শাখায় নজরুলসংগীতে প্রথম হন। একই বছর পান জাতীয় শিশু পুরস্কার। প্রথম অ্যালবাম ডাকপিয়ন বাজারে আসে ১৯৯৪ সালে। তিনি বলেন, জীবনে বেশ কয়েকবার কঠিন সময় পার করেছি। ২০২১ সালে একটি সরকারি অনুষ্ঠানে যখন স্টেজে পারফর্ম করছিলাম ঠিক তখন মা অপারেশন থিয়েটারে ছিল। খুব কঠিন সময় ছিল। তখন নিজেকে সামলে সবকিছু চালিয়ে গেছি। ঈদের ব্যস্ততা সম্পর্কে তিনি বলেন, ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় যাচ্ছে। পাঁচ-ছয়টি গানের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আরও কিছু গানের কাজ শেষ হয়েছে আগেই। সেগুলোও সামনে আসবে। বর্তমানে মৌলিক গানের প্রতি মূল ফোকাস। এর সঙ্গে প্লেব্যাক করছি।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে হৈমন্তী বলেন, নির্দিষ্ট কোনো ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নেই। শুধু ভালো কাজ করে যেতে চাই। আমার কাজই হলো গান গাওয়া। মানুষ যতদিন চাইবে ততদিন গাইবো। মানুষের একেক দিনের চিন্তাধারা একেক রকম হয়। আমি আজকে বলতে পারবো না কালকে কী করবো। কারণ সিচুয়েশনটা নির্ভর করে সময়ের ওপর।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন