দুঃখ প্রকাশ করলেন জাগপা মুখপাত্র রাশেদ প্রধান

ফন্ট সাইজ:

‘কুলাঙ্গার’ শব্দ বিতর্কে দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান। তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি আমার একটি বক্তব্যকে ঘিরে যে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে, সেটি মূলত একটি শব্দ ব্যবহারের কারণেই তীব্র আকার ধারণ করেছে।’ তিনি জানান, অতীতেও তিনি একই ধরনের বক্তব্য বহুবার দিয়েছেন, তবে ১৫ এপ্রিলের বক্তব্যে ব্যবহৃত ‘কুলাঙ্গার’ শব্দটি ঘিরেই এবার বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। শনিবার প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রাশেদ প্রধানের দাবি করে বলেন, ‘‘কুলাঙ্গার’ শব্দটির অর্থ নিয়ে কিছু মানুষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি রয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ‘কুল’ অর্থ বংশ এবং ‘অঙ্গার’ অর্থ কলঙ্ক—অর্থাৎ এমন ব্যক্তি, যার কর্মকাণ্ডে তার বংশ কলঙ্কিত হয়।’ তিনি মনে করেন, শব্দটির সঠিক অর্থ অনুধাবন না করার কারণেই কিছু বিএনপি কর্মীর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘সম্ভবত কুলাঙ্গার শব্দের অর্থ না বুঝার কারণে বিএনপির কিছু কর্মীদের মাঝে এত উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। কারণ এই বক্তব্যটা আমি দীর্ঘদিন ধরেই দিয়ে আসছি। এই একটি শব্দের কারণে আমার বক্তব্যের অর্থ পরিবর্তন হয় নাই। তারপরেও যেহেতু বিএনপি কর্মীরা তারা কুলাঙ্গার শব্দ ব্যবহার করার জন্য রাগ করেছেন, কষ্ট পেয়েছেন। তাই আমি বিএনপি সমর্থক গোষ্ঠীর কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। অফিশিয়ালি দুঃখ প্রকাশ করছি। ভবিষ্যতে আর কুলাঙ্গার শব্দটি ব্যবহার করবো না বলে আজকের এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কথা দিচ্ছি, ঘোষণা দিচ্ছি। কিন্তু অতীত থেকে ব্যবহার করে আসা আমার বক্তব্য কিন্তু একই রয়ে গেছে। আমি এই শব্দটা যেহেতু আপনার মন খারাপ করছেন আর ব্যবহার করবো না।’

এ নিয়ে সৃষ্ট প্রতিক্রিয়ার পর বিএনপি সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ তিনি বলেন, ‘‘ভবিষ্যতে তিনি আর ‘কুলাঙ্গার’ শব্দটি ব্যবহার করবেন না। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন, শব্দটি বাদ দিলেও তার মূল বক্তব্য ও রাজনৈতিক অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।’’


বক্তব্যের জেরে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপি সমর্থকদের প্রতিবাদ, মিছিল ও সমাবেশের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক দেশে প্রতিবাদ করার অধিকার সবার রয়েছে।’ তবে তার বাসভবন ঘেরাও ও পঞ্চগড়ে জাগপা কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় নিন্দা জানান।

জাগপা মুখপাত্র বলেন, ‘সংবিধানের ৩৯ নম্বর অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। তাই রাষ্ট্র বা সরকারের সমালোচনা করা নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।’

রাশেদ প্রধান অভিযোগ করেন, তাকে লক্ষ্য করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ব্যক্তিগত ফোন নম্বর ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে এবং তিনি হুমকির মুখে পড়েছেন। এমনকি তার পরিবারের সদস্যদেরও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

মো তৌহিদুল ইসলাম

১ মাস আগে

এমন ভাষায় কথা না বলাই ভালো
যে ভাষা বলে খমা চাইতে হয়

MUHAMMAD

১ মাস আগে

nothing works better than bamboo

মন্তব্য করুন