গণভোটের রায় বাস্তবায়নে আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে আগামী ২ মে পর্যন্ত কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্য। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সংলগ্ন আল ফালাহ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
কর্মসূচিগুলো হলো-আগামী ১৮ এপ্রিল রাজধানীতে গণমিছিল। ২৫ এপ্রিল রাজধানী বাদে অন্য বিভাগীয় শহরগুলোয় গণমিছিল। ২ মে জেলা শহরে গণমিছিল। এ ছাড়া ১৮ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত বিভাগীয় শহর ও গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহরে লিফলেট বিতরণ, সেমিনার আয়োজন করা হয়েছে।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘গণভোটের যে গণরায়, সেটা বাস্তবায়নই আমাদের এই আন্দোলনের প্রধানতম লক্ষ্য। কিন্তু বিদ্যমান যে জনদুর্ভোগ, জ্বালানির যে সংকট, হাস্যকরভাবে জ্বালানিমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রীরা পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে বলেন—দেশে কোনো জ্বালানি সংকট নেই। অথচ উনি যখন কথা বলছেন, তখন পেট্রল পাম্পগুলোতে তেলের জন্য গাড়ির লাইন। শহরে গাড়ি চলাচল কমে আসছে। গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা তেল পাচ্ছেন না। ইভেন পার্লামেন্টে জাতীয় সদস্যরা দাঁড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন যে, ঘণ্টার পর ঘণ্টা তিনি নিজেও তেল নিতে পারেননি।’

জনতা
১ মাস আগেবিএনপি’র উচিৎ জামায়াতকে সরাসরি বলা, তারা হ্যাঁ ভোট বাস্তবায়ন করবে কিন্তু তার আগে একাত্তরের এবং চব্বিশের গনহত্যাকারীরা এদেশে রাজনীতি করতে পারবে কী না সে বিষয়ে গণভোট হবে। জনগণ রায় দিলে তবেই জামায়াত এবং আওয়ামী লীগ রাজনীতি করতে পারবে। আর জামায়াতের এই আন্দোলন শুরু থেকেই কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। নইলে ১৯৯৪-৯৬ এর মতো তারা আবার ছলে বলে আওয়ামী লীগকে সাথে নিয়ে তান্ডব শুরু করবে।