সংরক্ষিত নারী আসনে রাজপথের ত্যাগীরা 'অগ্রাধিকার' পাবেন: চিফ হুইপ

ফন্ট সাইজ:

সংরক্ষিত নারী আসনে রাজপথে ত্যাগী নেত্রীরা 'অগ্রাধিকার' পাবেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম। বুধবার জাতীয় সংসদে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
চিফ হুইপ বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, নারীরা আসুক। যত দ্রুত আসে তত লাভ। আমরা ফ্যামিলি কার্ড করেছি নারীদের ক্ষমতা আনার জন্য। যতদ্রুত সম্ভব আমরা তাদের সংসদে নিয়ে আসার চেষ্টা করছি। প্রধানমন্ত্রী যেকোনো নারীকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করতে পারেন- এমন ক্রাইটেরিয়া অনুযায়ী সংবিধানে লেখা আছে। সেই ক্রাইটেরিয়া অনুযায়ী নারী নির্বাচিত হতে পারে।
তিনি বলেন, যারা রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত এবং সংসদে ভূমিকা রাখতে পারবেন- এমন বিবেচনায় আমাদের সংসদ নেতা নিশ্চয়ই ব্যবস্থা করবেন। সব মিলিয়েই একটা সিদ্ধান্ত হবে এরকমের যে, যাতে আমরা সকল সেকশনকে রিপ্রেজেন্ট করতে পারি এবং রিয়েলি রাজপথে ত্যাগী নেতা এবং সংসদে কন্ট্রিবিউট করতে পারেন, এমন মানুষকেই আমরা খুঁজে বের করব এবং সেটাই আমাদের নেতা করবেন। আমি মনে করি, তার সিদ্ধান্ত নির্ভুল হবে।
সংসদে সন্ত্রাস বিরোধী আইন পাস এর প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে নূরুল ইসলাম বলেন, আইন অনুযায়ী বাংলাদেশের সকল মানুষের বিচার হবে। যিনি দোষ করেছেন তার বিচার হবে, যিনি নির্দোষ তার বিচার হবে না। আর শেখ হাসিনা বা অতীত সরকার যা করে গেছেন, যেভাবে বিচার হতে পারে-আইন অনুযায়ী বিচার হবে। একটা জিনিস পরিষ্কার করে বলতে চাই, আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না।
তিনি আরও বলেন, তিনটা অর্ডিনেন্স একটা বিলের মধ্যে আসছে, এই বিল আমরা পাস করেছি। চারটা অর্ডিনেন্স একটা বিলের মধ্যে আছে- একটা বিল পাস করা মানে চারটা অর্ডিনেন্স পাস হয়েছে। সেই হিসাবে আমরা ৪৪টি অর্ডিনেন্স ইতিমধ্যে পাস করে ফেলেছি। বাকি যা আছে আজকে, কালকে এবং পরশুদিনের মধ্যে ইনশাআল্লাহ আমরা ১৩৩টা নিয়ে একটা ফয়সালা করতে পারব।
চিফ হুইপ বলেন, শুক্রবারে আমরা সেশন করব। শুক্রবারে আমরা ফার্স্ট সেশন, সেকেন্ড সেশন- দুইটা সেশনই করব। এটা কি সংসদের ইতিহাসে প্রথমবার কি না, আগে হতে পারে। আমাদের কাজ করতে হবে। এই দেশে মানুষের ভোট দিয়ে বানিয়েছে। সুতরাং মানুষের জন্য পরিশ্রম করবেন সংসদ সদস্যরা।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মঙ্গলবার আমাদের সংসদীয় দলের বৈঠক হয়েছে। সংসদীয় দলের বৈঠক প্রায় হতে থাকবে। কারণ এটাই সংসদের রীতিনীতি। এখানে আমাদের সংসদ সদস্যদের করণীয় কী এবং আমরা কী কী বিষয়ে উত্থাপন করবো, কী কী বিষয়ে আমরা কার্যক্রম করব পার্লামেন্টে- সবকিছুই সব মিলিয়ে একটা আলোচনা হয়েছে। এটাই হল মূল কথা।

সিরু

২ মাস আগে

বাংলাদেশের অর্ধেকের বেশি জনসংখ্যা নারী। এই নারীদের শিক্ষা, আর্থিক স্বচ্ছলতা ও রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সরকারকে ফলপ্রসূ মহা পরিকল্পনা গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করতে হবে। সরকার তা করতে ব্যর্থ হলে দেশ অস্তিত্বের সংকটে পড়বে।
কারন - জামাত ইসলামের লোকেরা অশিক্ষিত দরিদ্র রাজনৈতিক অসচেতন নারীদের
> বেহেস্ত দোযকের কথা বলে ব্রেইন ওয়াশ করে জঙ্গি বানায়।
> টুকটাক ঋন-সাহায্য-সহযোগিতার মাধ্যমে ব্রেইন ওয়াশ করে জঙ্গি বানায়।
> অর্থ, পদ পদবি, চাকরি পদোন্নতি বদলি, শিক্ষা চিকিৎসা ইত্যাদির লোভ দেখিয়ে ব্রেইন ওয়াশ করে জঙ্গি বানায়।
জঙ্গি কেন ব্যক্তি পরিবার সমাজ রাজনীতি সরকার রাষ্ট্রের জন্য বিপদজনক:
> জঙ্গিদের ভলো-মন্দ, উচিত-অনুচিত ভাবার মত সাধারণ চিন্তা শক্তি কাজ করেনা।
> যা দিয়ে ব্রেইন ওয়াশ করে জঙ্গি বানানো হয়েছে, ওরা তা ই বুঝে এবং করে।

মন্তব্য করুন