সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে কয়েকদিন আগেই দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ দল। মাঠের লড়াইয়ে লাল-সবুজদের দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন করার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন আমেরিকা প্রবাসী ফুটবলার রোনান সুলিভান। সেই দলে ছিলেন তার ভাই ডেক্লান সুলিভানও। দুই ভাই যখন বাংলাদেশের জার্সিতে দক্ষিণ এশিয়া জয়ের আনন্দে ভাসছেন, তখন আটলান্টিকের ওপারে মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) অনন্য এক রেকর্ড গড়েছেন তাদেরই ছোট ভাই কাভান সুলিভান। ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের হয়ে খেলতে নেমে এমএলএস ইতিহাসের তৃতীয় কনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে গোল করানোর (অ্যাসিস্ট) রেকর্ড গড়লেন কাভান। গত রোববার শার্লট এফসির বিপক্ষে ম্যাচে এই কীর্তি গড়েন ১৬ বছর ১৮৮ দিন বয়সী এই আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার।
ম্যাচের শুরুতে একাদশে জায়গা না পেলেও ৭৭ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন কাভান। তখন তার দল ফিলাডেলফিয়া ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল। মাঠে নামার মাত্র এক মিনিটের মাথায় দুর্দান্ত এক পাস বাড়ান কাভান, যা থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান দানলি জন জ্যাকস। এই অ্যাসিস্টের মাধ্যমেই এমএলএসের রেকর্ড বইয়ে নাম উঠে যায় তার।
এমএলএস ইতিহাসে কাভানের চেয়ে কম বয়সে অ্যাসিস্ট করার রেকর্ড আছে মাত্র তিনজনের। তারা হলেন— ফ্রেডি আডু (১৪ বছর ৩৫৫ দিন), ইয়ানলুকা বুসিও (১৬ বছর ৬৮ দিন) এবং হুলিয়ান হল (১৬ বছর ১৮১ দিন)।
ব্যক্তিগতভাবে কাভান রেকর্ড গড়লেও দিনটি তার দলের জন্য সুখকর ছিল না। কাভানের অ্যাসিস্টে ফিলাডেলফিয়া ১-১ গোলে সমতায় ফিরলেও শেষ রক্ষা হয়নি। ম্যাচের ৮০ মিনিটে উইলফ্রেড জাহার গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নেয় শার্লট এফসি। ফলে রেকর্ড গড়ার দিনেও খালি হাতে মাঠ ছাড়তে হয়েছে কাভানদের।
এমএলএসে এটি কাভানের প্রথম অ্যাসিস্ট হলেও পেশাদার ক্যারিয়ারে এটি তার প্রথম নয়। সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ৬৩ ম্যাচে ১৩টি গোল করার পাশাপাশি ১৩টি অ্যাসিস্ট রয়েছে এই উদীয়মান তারকার ঝুলিতে।
