নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬

কেরানীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

ফন্ট সাইজ:

ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলী গোলচত্বরের আমবাগিচায় গ্যাসলাইট কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ঢাকা জেলা প্রশাসক মো. রেজাউল করিমের নির্দেশে ছয় সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির সদস্যরা হচ্ছেনÑ ঢাকা জেলা অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম হোসাইন, কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুক, ঢাকা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও কেরানীগঞ্জ সার্কেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, কল কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর ঢাকার শ্রম ও পরিদর্শক মো. ওয়াহিদুল হক, কেরানীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. আনোয়ার হোসেন ও ঢাকা জেলা বিস্ফোরক পরিদর্শক মো. তোফাজ্জল হোসেন। এদিকে গত শনিবার রাতে ঘটনাস্থল থেকে আগুনে পোড়া আরও একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ জন। নিহতদের মধ্যে চারজন নারী ও দুইজন পুরুষ রয়েছে। নিহতদের মধ্যে মিম আক্তার পাখি (১৮), শাহিনুর (৩৫) ও মঞ্জু বেগম (২৫) নামে তিনজনের নাম জানা গেছে। নিখোঁজ রয়েছে এখনো তিনজন। আগুনের ঘটনায় মো. আসিফ (১৪) ও মো. জিসান (১৭) নামে দুই কিশোর শ্রমিক আগুনে দগ্ধ হয়ে আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ বার্ন ইউনিটে ভর্তি আছে। আগুনের ঘটনায় গত শনিবার গভীর রাতে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রী সর্দার মো. সাখাওয়াত হোসেন ও শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আহত- নিহতদের পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের সময় কারখানায় থেকে বেঁচে যাওয়া আয়েশা ও আলিফা নামে দুই কিশোরী শ্রমিক জানান, ভাগ্যক্রমে তারা বেঁচে গেছেন। কারখানাটিতে দুই শতাধিক শ্রমিক কাজ করে। কিন্তু অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সময় মাত্র ৪০ থেকে ৪৫ জন শ্রমিক কাজ করছিল। হঠাৎ গ্যাসলাইটে গ্যাস ভরার সময় বডি বিস্ফোরিত হয়ে আগুন লেগে যায়। এতে কারখানার কয়েকজন যুবক আগুন নেভাতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। এ সময় তারা দ্রুতগতিতে কারখানার পেছনের গেট দিয়ে দৌড়িয়ে বাইরে এসে বেঁচে যায়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কেরানীগঞ্জ সার্কেল জাহাঙ্গীর আলম জানান, নিহত ৬ জনের ব্যাপারে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন