বাগেরহাট-২ সহ কয়েকটি আসনের ব্যালট-রেজাল্টশিট ইসি’র হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ

ফন্ট সাইজ:

ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-২, দিনাজপুর-৩ ও ঠাকুরগাঁও-২ আসনের ব্যালট পেপারসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এসব আসনের ব্যালট-রেজাল্টশিট ও নির্বাচনী নথি ইসির হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি আসনের অন্য প্রার্থীদের নোটিশ ইস্যু করেছেন আদালত। বুধবার বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। বাগেরহাট-২ আসনের বিএনপি’র প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, দিনাজপুর-৩ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মাইনুল আলম ও ঠাকুরগাঁও-২ আসনের জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল হাকিম ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেছেন। উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-২ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী শেখ মনজুরুল হক (রাহাদ) ১ লাখ ১৭ হাজার ৭০৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৪০৯ ভোট। এই ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন। এছাড়া, দিনাজপুর-৩ আসনে ১ লাখ ৪০ হাজার ৬০৮ ভোট পেয়ে জয়ী হন বিএনপি’র প্রার্থী সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মাইনুল আলম ১ লাখ ৩৬ হাজার ২৩৯ ভোট পেয়েছেন। অন্যদিকে ঠাকুরগাঁও-২ আসনে বিএনপি’র প্রার্থী মো. আব্দুস সালাম ১ লাখ ২১ হাজার ১৭ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল হাকিম ১ লাখ ১৫ হাজার ৭০৭ ভোট পেয়েছেন।
উল্লেখ্য, গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের (আরপিও) ৪৯ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনে কোনো ধরনের অনিয়ম বা কারচুপির বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে ‘নির্বাচনী আবেদন’ করার বিধান রয়েছে। এসব আবেদনের শুনানির জন্য একজন বিচারপতির সমন্বয়ে একক বেঞ্চ গঠিত হয়েছে। নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট আসনের ফলাফলের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন